পটুয়াখালীতে ব্যাক্তিগত উদ্যোগে সদর রাস্তা মেরামত করছেন সমাজসেবক রিমন শিকদার
- আপডেট সময় : ০৫:২৭:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ৪৯ বার পড়া হয়েছে

কলাপাড়া থেকে: পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌরশহরের বিভিন্ন সড়কের খানাখন্দ ব্যক্তিগত উদ্যোগে সংস্কার করে স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছেন উপজেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক ও ক্রীড়া সংগঠক হাজী আবুল হাসনাত রিমন সিকদার।
বর্ষা মৌসুম শুরু হলেও পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কারে দৃশ্যমান উদ্যোগ না থাকায় নাগরিকদের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু করেন। এতে রিকশা, অটোরিকশা, ভ্যান, পিকআপ, ট্রলি ও পণ্যবাহী ট্রাকচালকদের চলাচল অনেকটা স্বস্তিদায়ক হয়েছে।
১৯৯৭ সালের ১ মার্চ প্রতিষ্ঠিত কলাপাড়া পৌরসভা বর্তমানে ‘এ’ শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ পৌরসভায় প্রায় ২০ হাজার মানুষের বসবাস। তবে বর্ষা মৌসুমে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হওয়া খানাখন্দে পানি জমে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং পথচারীদেরও ভোগান্তি পোহাতে হয়।
পৌর শহরের রহমতপুর এলাকার রিকশাচালক মানিক বলেন, “সড়কের গর্তে রিকশার চাকা পড়ে যাত্রী ও চালক উভয়েরই কষ্ট হয়। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি ছিল। রিমন সিকদার নিজ উদ্যোগে সংস্কার করায় আমরা উপকৃত হয়েছি।”
নতুন বাজার এলাকার ব্যবসায়ী আরিফ সিকদার বলেন, “সড়কগুলো চলাচলের উপযোগী হওয়ায় ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহনে সুবিধা হচ্ছে। এ উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।”
স্থানীয় বাসিন্দা রাসেল মোল্লা বলেন, “রিমন সিকদার দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও ক্রীড়া কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে তিনি বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করে আসছেন। এবার সড়ক সংস্কার করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।”
কলাপাড়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মশিউর রহমান বলেন, “সড়কগুলোর সংস্কারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছিল। পরে জানতে পারি রিমন সিকদার ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ শুরু করেছেন। নাগরিক স্বার্থে এমন উদ্যোগ অবশ্যই ইতিবাচক।”
এ বিষয়ে হাজী আবুল হাসনাত রিমন সিকদার বলেন, “নাগরিকদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে সড়কের দুরবস্থার কথা শুনছিলাম। মানুষের ভোগান্তি কমানোর জন্য নিজস্ব ইটভাটা থেকে ইট এনে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। ভবিষ্যতেও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।”
স্থানীয়দের মতে, ব্যক্তিগত উদ্যোগে জনসেবামূলক এ কর্মকাণ্ড নাগরিক দায়বদ্ধতার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছে।





















