ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দর্শনায় ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী আটক দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ডে পাবলিক টয়লেটে যুবকের মরদেহ,পরে উদ্ধার নামাজের ইমামতি করার ভান করে কৌশলে পালানো আসামি সাবেক ছাত্রদল নেতা সৈকত গ্রেফতার ভাণ্ডারিয়ায় মাছে রং মিশানোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন (UNO) মোঃ হাসিবুল হাসান কুচক্রি মহল ফের অপপ্রচারে মেতে উঠেছে বরিশাল শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীকে নিয়ে দর্শনা প্রেসক্লাব উন্নয়নে সমন্বয়ক মশিউরের ২লাখ টাকার অনুদান প্নদান বিরামপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ, ৫ কারবারি গ্রেফতার বিরামপুরে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবী গ্রেফতার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড পিরোজপুরে গৃহবধূর পরকীয়া দেখে ফেলায় শাশুড়িকে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার তালাকের কাগজ ছিঁড়ে আদালতেই স্বামীকে জড়িয়ে ধরলেন স্ত্রী

ভাণ্ডারিয়ায় মাছে রং মিশানোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন (UNO) মোঃ হাসিবুল হাসান

মুহাম্মদ মেহেদী হাসান পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ৪৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া পৌর শহরে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতাভুক্ত নিষিদ্ধ শাপলা পাতা মাছ বিক্রি এবং ভোক্তাদের প্রতারিত করার উদ্দেশ্যে মাছে ক্ষতিকর কৃত্রিম রং মেশানোর অভিযোগে রিপন সরদার (৩০) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গতকাল (১৬ জুন ২০২৬) ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ হাসিবুল হাসান ও উপজেলা মৎস্য অফিসার এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এ দণ্ড প্রদান করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত রিপন সরদার উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং সুলতান সরদারের ছেলে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪২ ধারায় এ অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হাসিবুল হাসান বলেন,
> “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় শাপলা পাতা মাছ ধরা ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এর পাশাপাশি অসাধু উপায়ে মাছে ক্ষতিকর রং মিশিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। জনস্বার্থে ভেজাল ও নিষিদ্ধ পণ্যের বিরুদ্ধে প্রশাসন ও কোস্ট গার্ডের এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
এসময় তিনি উপস্তিত সকলের সামনে বলেন, আজ থেকে ভান্ডারিয়ায় রং মিশানোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম।
ক্রেতা বিক্রেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা কোনো ধরনের অনিয়ম এর তথ্য পেলে তার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে জানানোর জন্য এবং তিনি সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন।

প্রশাসনের এ অভিযানকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভেজাল ও নিষিদ্ধ পণ্যের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ভাণ্ডারিয়ায় মাছে রং মিশানোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন (UNO) মোঃ হাসিবুল হাসান

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া পৌর শহরে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতাভুক্ত নিষিদ্ধ শাপলা পাতা মাছ বিক্রি এবং ভোক্তাদের প্রতারিত করার উদ্দেশ্যে মাছে ক্ষতিকর কৃত্রিম রং মেশানোর অভিযোগে রিপন সরদার (৩০) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

গতকাল (১৬ জুন ২০২৬) ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ হাসিবুল হাসান ও উপজেলা মৎস্য অফিসার এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে এ দণ্ড প্রদান করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত রিপন সরদার উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং সুলতান সরদারের ছেলে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪২ ধারায় এ অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হাসিবুল হাসান বলেন,
> “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় শাপলা পাতা মাছ ধরা ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এর পাশাপাশি অসাধু উপায়ে মাছে ক্ষতিকর রং মিশিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। জনস্বার্থে ভেজাল ও নিষিদ্ধ পণ্যের বিরুদ্ধে প্রশাসন ও কোস্ট গার্ডের এ ধরনের যৌথ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
এসময় তিনি উপস্তিত সকলের সামনে বলেন, আজ থেকে ভান্ডারিয়ায় রং মিশানোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম।
ক্রেতা বিক্রেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা কোনো ধরনের অনিয়ম এর তথ্য পেলে তার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে জানানোর জন্য এবং তিনি সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন।

প্রশাসনের এ অভিযানকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভেজাল ও নিষিদ্ধ পণ্যের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।