২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন, ৩রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি, শনিবার, ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
নবাবগঞ্জে জুয়ার মহাউৎসব প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রকাশ্যে ‘ফড়গুটি’ আসর তথ্যমন্ত্রী হয়ে প্রথমবার বরিশালে আসছেন জহির উদ্দিন স্বপন বিজয়নগরে চাইলহোড মডেল কিন্ডারগার্ডেন এর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিরামপুরে রাস্তার সরকারি গাছ কর্তন নিয়ে প্রশ্নের ঝড় কক্সবাজারের আইনজীবীপাড়ায় উঠেছে শেখ মুজিবের ছবি ঝালকাঠিতে টিসিবির ৩০ ডিলার স্থাগিত, পণ্য বিক্রেতা অধিকাংশ ডিলারের নেই মুদি দোকান রমজানে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে বরিশালে চকবাজারে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা জনতার অর্থে জনগণের সেবা – এবার ইফতার আয়োজনের জন্য আর্থিক সহায়তার আহ্বান: ব্যারিস্টার ফুয়াদ এর বরিশাল- ২ আসনের এমপি সরফুদ্দিন সান্টুকে বিএনপি নেতা রকির উষ্ণ অভিনন্দন বিরামপুরে সয়াবিন তেলের সংকট, রমজানের শুরুতেই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি
নবাবগঞ্জে জুয়ার মহাউৎসব প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রকাশ্যে ‘ফড়গুটি’ আসর

নবাবগঞ্জে জুয়ার মহাউৎসব প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রকাশ্যে ‘ফড়গুটি’ আসর

শফিকুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কাচদাহ ব্রিজ সংলগ্ন বিনোদন নগর ইউনিয়ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে বসছে অবৈধ জুয়া “ফড়গুটি” খেলার বিশাল আসর। স্থানীয়দের অভিযোগ প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নদীর ধারে চলে লাখ লাখ টাকার জুয়ার রমরমা ব্যবসা,অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রহস্যজনক ভাবে নীরব! প্রতিদিন কোটি টাকার কাছাকাছি লেনদেন!
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে—প্রতিদিন আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকার লেনদেন হয় এই অবৈধ জুয়া খেলায়।
খেলা শুরু হওয়ার আগেই কাচদাহ ব্রিজ ও সংলগ্ন বাজার এলাকায় তাদের নিজস্ব লোকজন “পাহারা” বসায়। জয়পুরহাট,ঘোড়াঘাট,রংপুর, গোবিন্দগঞ্জ,পাঁচবিবি,হাকিমপুরসহ বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে জুয়াড়িরা এসে ভিড় জমায়। অভিযোগ উঠেছে,সবকিছু প্রকাশ্যে চললেও Nawabganj Police Station কার্যত অসহায় দর্শকের ভূমিকায়! স্থানীয়দের প্রশ্ন—তাহলে কি কোনো অদৃশ্য শক্তির ছত্রছায়ায় চলছে এই জুয়ার সাম্রাজ্য?
সামাজিক বিপর্যয়ের দিকে এলাকায়
দীর্ঘদিন ধরে জুয়া চলার ফলে এলাকায় ভয়াবহ সামাজিক অবক্ষয় তৈরি হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
বেড়েছে চুরি,ছিনতাই,রাহাজানি চুরি ও ডাকাতি। বহু পরিবার সর্বস্বান্ত হয়ে পথে বসেছে। উঠতি বয়সী কিশোর তরুণরা লোভে পড়ে জুয়ার আসরে জড়িয়ে ভবিষ্যৎ অন্ধকার করছে।
একাধিক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের সন্তানরা স্কুল-কলেজ ফাঁকি দিয়ে জুয়ার টেবিলে বসছে। আজ তারা জুয়াড়ি, কাল তারা অপরাধী—এ দায় কে নেবে?” আইনের শাসন কোথায়?
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে,প্রকাশ্যে এভাবে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার জুয়া চলা মানেই আইনের চরম অবমাননা। প্রশাসনের চোখের সামনে এমন কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের আইন-শৃঙ্খলার ওপর আস্থা ভেঙে পড়বে। এলাকাবাসীর জোর দাবি অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা,নিয়মিত পুলিশি টহল বৃদ্ধি এবং জুয়ার সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন এলাকা বাসী। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন—দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন। নবাবগঞ্জে জুয়ার থাবা রুখতে এখনই কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন—নচেৎ সামাজিক বিপর্যয়।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019