১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, ২৭শে শাবান, ১৪৪৭ হিজরি, সোমবার, ২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
বিএনপির সভাপতির বিচার ও বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন বানারীপাড়ায় নির্বাচনোত্তর হিন্দু জাসদ নেতাকে মারধর; দুই যুবদল নেতা বহিস্কার বিরামপুরে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় উদযাপন: উৎসবমুখর বনভোজনে বিএনপি নেতাকর্মীদের মিলনমেলা কলাপাড়া প্রেসক্লাবে নাগরিক সমাজের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কাঠালিয়ায় ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বাবা বানারীপাড়ায় নির্বাচনোত্তর হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা ঝালকাঠিতে যুবলীগ নেতার হামলায় যুবদল নেতা আহত বরিশাল-৩ আসনে ভরাডুবি: সাবেক এমপি টিপুসহ ৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত ! দুই যুগের অপেক্ষার অবসান: বরিশাল–৩ আসনে ভোটের জোয়ারে ফিরল বিএনপি। জয়ের পরই মন্ত্রিত্বের দাবিতে উত্তাল বরিশাল–৩: বাবুগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি
কলাপাড়া প্রেসক্লাবে নাগরিক সমাজের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

কলাপাড়া প্রেসক্লাবে নাগরিক সমাজের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

মোঃ রফিকুল ইসলাম
কলাপাড়া প্রতিনিধি:

জাতীয় সংসদের ১১৪, পটুয়াখালী–৪ (কলাপাড়া–রাঙ্গাবালী) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন-কে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে কলাপাড়ায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে কলাপাড়া প্রেসক্লাবে কলাপাড়া নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন নাগরিক সমাজের মুখপাত্র মোস্তফা জামান সুজন।
বক্তারা বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এবিএম মোশাররফ হোসেন বিপুল ভোটে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। পটুয়াখালী–৪ আসনটি প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ আসনে রয়েছে দুইটি উপজেলা, তিনটি থানা ও দুইটি পৌরসভা।
তারা উল্লেখ করেন, কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে শের-ই-বাংলা নৌঘাঁটি, পায়রা সমুদ্র বন্দর, ১৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন, রাডার স্টেশন, মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, পাট গবেষণা কেন্দ্র, মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র, কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্র, মা ইলিশ প্রজনন কেন্দ্র ও অভয়াশ্রমসহ নানা কৌশলগত স্থাপনা।
বক্তারা বলেন, এই উপকূলীয় জনপদকে পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে নিতে অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব প্রয়োজন। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার ভিত্তিতে এবিএম মোশাররফ হোসেনকে যে কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলে তিনি শতভাগ সফল হবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, উপকূলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নানা ক্ষেত্রে অবহেলার শিকার। অপার সম্ভাবনাময় এই অঞ্চলকে দেশের মধ্য উপকূলীয় অর্থনৈতিক করিডোরে পরিণত করতে নবনির্বাচিত এই জনপ্রতিনিধিকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের দাবি।
নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি তিন লাখ ভোটারের প্রাণের দাবি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019