০৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, ১৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি, শনিবার, ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
বিরামপুরে পিতাকে বেধড়ক মারধর ও দাড়ি টেনে ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ, ছেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ সাবেক দুই উপদেষ্টাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভের ঘোষণা জামায়াতের বরিশালে বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ দৈনিক কীর্তনখোলা পত্রিকার বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি হিসেবে মোস্তাফিজুর রহমান টুলুর নিয়োগ ঝালকাঠি আইনজীবী সমিতি নির্বাচন চূড়ান্ত ফলাফল মাহেব হোসেন – সোহেল প্যানেল ৭টি শাহাদাৎ -নাসিম প্যানেল ৪ টি দামুড়হুদায় ৫ মাদকসেবীকে কারাদণ্ড শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে গেলেন বেগম সেলিমা রহমান বানারীপাড়ায় প্রতিবেশীর গালমন্দ ও বাবা-মায়ের সঙ্গে অভিমানে স্কুল শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা বাবুগঞ্জে ইউএনও’র সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
বিজয়নগরে, সরিষার বাম্পার ফলন সুন্দরী মুখরিত বিজয়নগর।

বিজয়নগরে, সরিষার বাম্পার ফলন সুন্দরী মুখরিত বিজয়নগর।

হুসাইন মোহাম্মদ (রুবেল)
দৈনিক রুদ্র বাংলা, বিজয়নগর প্রতিনিধি,,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় সরিষার রঙ্গে ও সুঘ্রাণ মনে হচ্ছে ফলনে বাম্পার হবে। বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। সকল উৎপাদিত কৃষির মধ্যে সরিষা উল্লেখযোগ্য।

নতুন জাতের সম্প্রসারণ, এবং আমদানি নির্ভরতা কমাতে উপজেলা কৃষি অফিস চেষ্টা করে যাচ্ছে। উপজেলার চান্দুরা, বুধন্তী, চর-ইসলামপুর, পত্তন, ইছাপুরা, চম্পকনগর, হরষপুর ও পাহাড়পুর ইউনিয়নে কৃষকদের সরিষার আবাদ করা হয়েছে।

কৃষি অফিসের তথ্য মতে, ৬১০ হেক্টর জমিতে বারি সরিষা ১৪, ১৭, ১৮ ও বিনা সরিষা ৪, ৯, ১১, ১২ ও স্থানীয় সরিষা টরি ৭, কল্যাণী ও সোনালিকা জাতের সরিষা আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে বিজয়নগরে বারি সরিষা ১৪ বেশি আবাদ করা হয়েছে।

আমন ধান কাটার পর লাভজনক বিকল্প ফসল হিসেবে কৃষকরা সরিষার চাষ করছে। আমদানিকৃত সয়াবিনের ওপর নির্ভরতা কমাতে সরকার সরিষা চাষে কৃষকদের বিভিন্ন রকম সহযোগিতা করছে।

২০২৫-২৬ অর্থ বছরে রবি মৌসুমে সরিষা ফসলের আবাদ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিজয়নগরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

৭৫০ জন উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণীর প্রত্যেকের হাতে ১ কেজি করে সরিষা বীজ, ১০ কেজি এমওপি (MOP) এবং ১০ কেজি ডিএপি (DAP) সার তুলে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার জিয়াউল ইসলাম বলেন, সরকারি এই সহায়তায় মাঠ পর্যায়ের ক্ষুদ্র কৃষকদের সরিষা উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে এবং কৃষকরা কৃষি অফিসের পরামর্শ মেনে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করছে। উপজেলায় চলমান বিভিন্ন প্রকল্প যেমন- ফ্রিপ প্রকল্প, কুমিল্লা অঞ্চলের টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্প ও বি-স্ট্রং প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে সরিষা প্রদর্শনীর বীজ ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বিনা থেকে ১৪২ জনকে কৃষককে সরিষা বীজ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এ বছর সরিষার আবাদ থেকে প্রায় ৭০০ মেট্রিক টনের বেশি সরিষা উৎপাদন সম্ভব যা থেকে ২৯০ মেট্রিক টনের অধিক ভোজ্যতেল উৎপাদন হতে পারে যা কৃষকের নিজস্ব তেলের চাহিদা পূরণ করবে এবং বাজারজাত করে কৃষককে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করবে।
অন্যদিকে সরিষা মানবদেহের হার্টের জন্য উপকারী এবং রক্তে গ্লুকোজ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019