সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় চাঁদাবাজি মামলায় জামিনে বের হয়ে বাদীসহ তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম ঝালকাঠিতে গৃহবধূ মলিনা রায় হত্যা: মামলার দ্বিতীয় আসামি ঢাকায় গ্রেফতার সড়কে ঝড়লো সাংবাদিক পুত্রের প্রাণ, বিএমএসএফ’র শোক বাবুগঞ্জে ১ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি আটক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক।

বরিশালে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, ৪ যুবকের মৃত্যুদণ্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫ ১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বরিশালে গৃহবধূ গণধর্ষণ মামলায় চার যুবককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত আসামিরা হলেন- মো. রাসেল গাজী, মো. রোকন খান, মো. রাজিব জোমাদ্দার এবং মো. জাহিদ হাওলাদার। প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুসারে, ২০১৬ সালের ৯ নভেম্বর বিকেল ৪টার দিকে আসামি রাসেল গাজী ভুক্তভোগী গৃহবধূর প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে তার বাসায় প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ব্যর্থ হয়ে ক্ষুব্ধ রাসেল পরদিন (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার সহযোগী রোকন খান, রাজিব জোমাদ্দার এবং জাহিদ হাওলাদারের সঙ্গে মিলে পরিকল্পিতভাবে অটোরিকশাযোগে গৃহবধূকে অপহরণ করে। তাকে বরিশাল নগরীর ৩০ গোডাউন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তারা হাত-পা ও মুখ বেঁধে গৃহবধূকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে এবং সারা রাত নির্যাতনের পর উলঙ্গ অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যায়।

পরদিন সকালে স্থানীয়রা ভিকটিমকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পান। তিনি ঘটনার বিবরণ দিলেও কিছু স্থানীয় ব্যক্তি তাকে মারধর করে অপমানিত করে। পরে আহত অবস্থায় গৃহবধূ বাড়ি ফিরে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া তৎকালীন ওসি (তদন্ত) মো. আতাউর রহমান ২০১৭ সালের ২৩ মে চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্কের পর ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য বিবেচনায় আদালত আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি রোকন খান ছাড়া বাকি তিনজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণায় ভিকটিম ও তার পরিবারের সদস্যরা আদালতের বাইরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এবং এই রায়ে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বরিশালে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, ৪ যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০১:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

আজকের ক্রাইম ডেক্স
বরিশালে গৃহবধূ গণধর্ষণ মামলায় চার যুবককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত আসামিরা হলেন- মো. রাসেল গাজী, মো. রোকন খান, মো. রাজিব জোমাদ্দার এবং মো. জাহিদ হাওলাদার। প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুসারে, ২০১৬ সালের ৯ নভেম্বর বিকেল ৪টার দিকে আসামি রাসেল গাজী ভুক্তভোগী গৃহবধূর প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে তার বাসায় প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ব্যর্থ হয়ে ক্ষুব্ধ রাসেল পরদিন (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে তার সহযোগী রোকন খান, রাজিব জোমাদ্দার এবং জাহিদ হাওলাদারের সঙ্গে মিলে পরিকল্পিতভাবে অটোরিকশাযোগে গৃহবধূকে অপহরণ করে। তাকে বরিশাল নগরীর ৩০ গোডাউন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তারা হাত-পা ও মুখ বেঁধে গৃহবধূকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে এবং সারা রাত নির্যাতনের পর উলঙ্গ অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যায়।

পরদিন সকালে স্থানীয়রা ভিকটিমকে উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পান। তিনি ঘটনার বিবরণ দিলেও কিছু স্থানীয় ব্যক্তি তাকে মারধর করে অপমানিত করে। পরে আহত অবস্থায় গৃহবধূ বাড়ি ফিরে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া তৎকালীন ওসি (তদন্ত) মো. আতাউর রহমান ২০১৭ সালের ২৩ মে চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্কের পর ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য বিবেচনায় আদালত আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি রোকন খান ছাড়া বাকি তিনজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণায় ভিকটিম ও তার পরিবারের সদস্যরা আদালতের বাইরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এবং এই রায়ে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।’