সংবাদ শিরোনাম ::
অনেক নির্বাহী কর্মকর্তা এলাকায় থাকতে পারেননি’, ইউএনওকে উদ্দেশ করে বিএনপি নেতার বক্তব্যে বিতর্ক উজিরপুরে নারীদের গোপন ভিডিও, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিস্কার পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় জেলহাজতে প্রেরন বিরামপুরের দিওড় ইউনিয়নে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে গুরুত্বপূর্ণ বাণী বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

‎ ‎চুয়াডাঙ্গায় মায়ের মৃত্যুর খবরের ১০ মিনিটের মাথায় স্ট্রোকে ছেলের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫ ৫৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‎
‎মাহমুদ হাসান রনি,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ‎অসুস্থ মাকে দেখতে এসে ওষুধ কিনে নার্সের হাতে দিতেই ডাক্তার আসার আগেই মায়ের মৃত্যুর সংবাদ শুনে ষ্ট্রোকে মারা গেলেন ছেলে।
শনিবার সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে।
‎পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকালে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার বাগানপাড়ার মৃত আলাউদ্দীনের স্ত্রী চায়না খাতুন (৬৩) প্রেসার বেড়ে অসুস্থ্য হয়ে নিজ বাড়ির সামনে মাথা ঘুরে পড়ে যান। এতে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হলে পরিবারের লোকজন চায়না খাতুনকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসে। সংবাদ পেয়ে তার ছেলে সাইফুল ইসলাম (৪০) ও হাসপাতারে ছুটে আসেন। এসময় জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক চায়না খাতুনকে চিকিৎসা শেষে ওয়ার্ডে স্থান্তারিত করেন। সাইফুল ইসলাম ওয়ার্ডে গিয়ে মায়ের খোঁজখবর নিয়ে মায়ের জন্য ওষুধ কিনে ওয়ার্ড দিয়ে হাসপাতাল ভবনের নিচে আসেন।‎এরমধ্যে তার কাছে মায়ের মৃত্যুর খবর আসে। খবর শুনেই কিছুক্ষণের মধ্যেই স্ট্রোক করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এসময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দ্রুত চিকিৎসা দিতে দিতেই সাইফুল মারা যান।
‎নিহত সাইফুল ইসলাম নিহত চায়না খাতুন ও মৃত আলাউদ্দীনের কনিষ্ঠ পুত্র। এদিকে এক পরিবারের দুজনের মৃত্যুতে পুরো মহল্লায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।‎চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসা কর্মকর্তা ইসরাত জেরিন জেসিকা বলেন,হাসপাতালে মায়ের চিকিৎসা চলছিল। পরে মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে ছেলে সাইফুল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।ঘটনাটি ১০ মিনিটের ব্যবধানে মা ছেলের মৃত্যু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

‎ ‎চুয়াডাঙ্গায় মায়ের মৃত্যুর খবরের ১০ মিনিটের মাথায় স্ট্রোকে ছেলের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৩:২২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

‎
‎মাহমুদ হাসান রনি,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ‎অসুস্থ মাকে দেখতে এসে ওষুধ কিনে নার্সের হাতে দিতেই ডাক্তার আসার আগেই মায়ের মৃত্যুর সংবাদ শুনে ষ্ট্রোকে মারা গেলেন ছেলে।
শনিবার সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে।
‎পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকালে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার বাগানপাড়ার মৃত আলাউদ্দীনের স্ত্রী চায়না খাতুন (৬৩) প্রেসার বেড়ে অসুস্থ্য হয়ে নিজ বাড়ির সামনে মাথা ঘুরে পড়ে যান। এতে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হলে পরিবারের লোকজন চায়না খাতুনকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসে। সংবাদ পেয়ে তার ছেলে সাইফুল ইসলাম (৪০) ও হাসপাতারে ছুটে আসেন। এসময় জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক চায়না খাতুনকে চিকিৎসা শেষে ওয়ার্ডে স্থান্তারিত করেন। সাইফুল ইসলাম ওয়ার্ডে গিয়ে মায়ের খোঁজখবর নিয়ে মায়ের জন্য ওষুধ কিনে ওয়ার্ড দিয়ে হাসপাতাল ভবনের নিচে আসেন।‎এরমধ্যে তার কাছে মায়ের মৃত্যুর খবর আসে। খবর শুনেই কিছুক্ষণের মধ্যেই স্ট্রোক করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এসময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দ্রুত চিকিৎসা দিতে দিতেই সাইফুল মারা যান।
‎নিহত সাইফুল ইসলাম নিহত চায়না খাতুন ও মৃত আলাউদ্দীনের কনিষ্ঠ পুত্র। এদিকে এক পরিবারের দুজনের মৃত্যুতে পুরো মহল্লায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।‎চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসা কর্মকর্তা ইসরাত জেরিন জেসিকা বলেন,হাসপাতালে মায়ের চিকিৎসা চলছিল। পরে মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে ছেলে সাইফুল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।ঘটনাটি ১০ মিনিটের ব্যবধানে মা ছেলের মৃত্যু হয়।