১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, ২৩শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি, রবিবার, ২৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
বিজয়নগরে ডাকাতি মামলার আসামি ১০বছর পলাতক থাকার পর শেষে পুলিশে হাতে গ্রেপ্তার জিকে সেচ প্রকল্প চুয়াডাঙ্গার কৃষি ও অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত,তাই খাল খননের বিকল্প নাই- পানিসম্পদ মন্ত্রী বিরামপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সম্পন্ন, পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত বরিশাল খোকন “ল‌‌” একাডেমি থেকে উত্তীর্ণ হওয়া নবীন আইনজীবীদের ক্রেস্ট বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বাবুগঞ্জে এক মাসে তিন দোকানে দুঃসাহসিক চুরি, ৯ লাখ টাকার মালামাল লুট ; নিরাপত্তা ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বরিশালে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ রাখায় জরিমানা গণধর্ষণের ৪৮ ঘন্টা না পেরুতেই ফের ডিমলায় ৬ বছরের শিশু ধর্ষণ,গ্রেপ্তার ১ বাবুগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অঙ্কুরেই ঝড়ে গেল ফুলের মত শিশু রাকিব : বাবা-মায়ের স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল এক গাছে শত কাঁঠাল
ভান্ডারিয়ায় স্ত্রী-শাশুড়িকে কুপিয়ে হত্যা, ঘরে আগুন দিয়ে পালালেন স্বামী

ভান্ডারিয়ায় স্ত্রী-শাশুড়িকে কুপিয়ে হত্যা, ঘরে আগুন দিয়ে পালালেন স্বামী

পিরোজপুর প্রতিনিধি ::: পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় স্ত্রী ও শাশুড়িকে কুপিয়ে হত্যা করে ঘরে আগুন দিয়ে পালিয়েছেন মো. বাদল খান (৪৫)। সোমবার (৫ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ধাওয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

‎ভান্ডারিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমদ আনওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‎নিহতরা হলেন, বাদলের স্ত্রী চম্পা বেগম (৩২) ও শাশুড়ি বিলকিস বেগম বিলু (৫০)। ‎অভিযুক্ত মো. বাদল খান উপজেলার ধাওয়া গ্রামের মৃত আজিজ খানের ছেলে। স্থানীয় ধাওয়া বাজারে তার একটি চায়ের দোকান রয়েছে।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাদল খানের চতুর্থ স্ত্রী চম্পা বেগম। তার দ্বিতীয় স্ত্রীর দুই সন্তান‌ রয়েছে। গতকাল (৫ মে) রাতে স্ত্রী চম্পা ও শাশুড়িকে হত্যা করে বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন বাদল। ঘটনার সময় চম্পার সন্তান মো. ইয়াছিন খান (১০) টের পেয়ে ঘর থেকে পালিয়ে পাশের বাড়িতে খবর দেয়। এরপর স্থানীয়রা এসে ঘরের আগুন নিভিয়ে ফেলে। এরপর স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান বাদল।

‎স্থানীয় নাসিমা বেগম বলেন, চম্পার ছেলে দৌড়ে আমাদের ঘরে এসে বলে খালা মা আর নানিরে মাইরা ফেলাইছে। শুইনা আমি দৌড়ে এসে দেখি চম্পার বুকের ওপর আগুন জ্বলতেছে। এক বালতি পানি ছিল কাছে তাই গায়ে ঢেলে দিয়ে আগুন নিভাইছি। আমাদের দেখে বাদল পালিয়ে গেছে।

‎এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমদ আনওয়ার বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে আছি, লাশ উদ্ধারের কাজ চলছে। তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019