সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, বিএনপির ঝাড়ু মিছিল পরিচ্ছন্নতা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয়, এটি সবার দায়িত্ব’: বাবুগঞ্জে এমপি জয়নুল আবেদীন। তেঁতুলিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চুয়াডাঙ্গায় প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে এএসআই’র শিশু কন্যা নিখোঁজ চুয়াডাঙ্গার জীবননগর লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিকের মালিককে জরিমানা পরে ক্লিনিকে সিলগালা অগ্রিম সতর্কতা: শুরু হওয়ার আগেই ৭,০০০ রিংগিতের নতুন ‘ভিসা ফাঁদ’ পাকাচ্ছে সিন্ডিকেট বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” নলছিটিতে ইভটিজিং, মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাধক বিরোধী অভিযানে ১কেজি গাঁজা ও 202 পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার ৪… ঝালকাঠিতে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এক কর্মকর্তাকে কর্মচারীর জুতাপেটা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ৩৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) মতিউর রহমান নামে দৈনিক মজুরিভিত্তিক এক কর্মচারীর বিরূদ্ধে প্রশাসনিক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম রানাকে অফিস চলাকালীন সময়ে কক্ষে প্রবেশ করে জুতা পেটা করার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে অর্থদপ্তরে নিজ কক্ষে বসে ছিলেন শহিদুল ইসলাম রানা। এমন সময় কোনো কথা না বলেই মতিউর রহমান ডেস্কে গিয়ে রানাকে জুতা পেটা করে বেরিয়ে যান।

জানা যায়, মতিউর রহমানের সাথে শহিদুল ইসলামের টাকার লেনদেন নিয়ে দীর্ঘদিন ঝামেলা চলছে। এছাড়াও প্রতারণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কমকর্তা কর্মচারীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে শহিদুল ইসলাম রানার বিরুদ্ধে। এসব বিষয়ে আদালতে মামলা চলছে বলেও জানা যায়। এসব অভিযোগের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শহিদুল ইসলাম রানার আপগ্রেডেশনও আটকে রেখেছেন।

বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত কর্মচারী (দৈনিক মজুরিভিত্তিক) মতিউর রহমান বলেন, রানা আমার কাছে থেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৩২ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়েছে।

আমি টাকা পামু। টাকা তো দেয়ই না আবার আমার নামে থানায় জিডি করছে। আমি তারে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করায় বলে আপনিও আমার নামে জিডি করেন। দীর্ঘদিন পাওনা টাকা নিয়ে তালবাহানা করতেছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম রানা বলেন, মতিউর আমাকে কয়েকদিন আগে হুমকি দিয়েছে। তিনি আমার কাছে চাঁদা দাবি করছে। আমি তার বিরূদ্ধে এ নিয়ে মামলা করেছি।

আজকে অফিসে এসে আমাকে বলে আমি কেন মামলা করেছি। এ বলেই আমাকে তিনি জুতা পেটা শুরু করেন। টাকার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাকে প্রমাণ দেখাতে বলেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার নাদিম মল্লিক বলেন, একজন কর্মকর্তাকে একজন কর্মচারী তার অফিসে গিয়ে এভাবে জুতাপেটা করা কোন ধরনের নিয়মের মধ্যে পড়ে আমার জানা নেই। একজন কর্মকর্তা হিসেবে আমি খুবই লজ্জিত। আমি এর যথাযথ বিচার দাবি করছি।

মানহানির মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট তাবাসসুম ঊর্মির বিচার শুরুমানহানির মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট তাবাসসুম ঊর্মির বিচার শুরু বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম বলেন, আমি ইতোমধ্যে অভিযোগ পেয়েছি।

তার উপর ভিত্তি করে আমি উপাচার্যের সাথে কথা বলেছি। তিনি তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত কর্মচারীকে ক্যাম্পাস ত্যাগের নির্দেশনা প্রদান করেছেন ৷ উপাচার্য এখন অসুস্থ। তিনি ক্যাম্পাসে ফিরলেই এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এক কর্মকর্তাকে কর্মচারীর জুতাপেটা

আপডেট সময় : ০৩:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আজকের ক্রাইম ডেক্স: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) মতিউর রহমান নামে দৈনিক মজুরিভিত্তিক এক কর্মচারীর বিরূদ্ধে প্রশাসনিক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম রানাকে অফিস চলাকালীন সময়ে কক্ষে প্রবেশ করে জুতা পেটা করার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে অর্থদপ্তরে নিজ কক্ষে বসে ছিলেন শহিদুল ইসলাম রানা। এমন সময় কোনো কথা না বলেই মতিউর রহমান ডেস্কে গিয়ে রানাকে জুতা পেটা করে বেরিয়ে যান।

জানা যায়, মতিউর রহমানের সাথে শহিদুল ইসলামের টাকার লেনদেন নিয়ে দীর্ঘদিন ঝামেলা চলছে। এছাড়াও প্রতারণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কমকর্তা কর্মচারীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে শহিদুল ইসলাম রানার বিরুদ্ধে। এসব বিষয়ে আদালতে মামলা চলছে বলেও জানা যায়। এসব অভিযোগের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শহিদুল ইসলাম রানার আপগ্রেডেশনও আটকে রেখেছেন।

বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত কর্মচারী (দৈনিক মজুরিভিত্তিক) মতিউর রহমান বলেন, রানা আমার কাছে থেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ৩২ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়েছে।

আমি টাকা পামু। টাকা তো দেয়ই না আবার আমার নামে থানায় জিডি করছে। আমি তারে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করায় বলে আপনিও আমার নামে জিডি করেন। দীর্ঘদিন পাওনা টাকা নিয়ে তালবাহানা করতেছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম রানা বলেন, মতিউর আমাকে কয়েকদিন আগে হুমকি দিয়েছে। তিনি আমার কাছে চাঁদা দাবি করছে। আমি তার বিরূদ্ধে এ নিয়ে মামলা করেছি।

আজকে অফিসে এসে আমাকে বলে আমি কেন মামলা করেছি। এ বলেই আমাকে তিনি জুতা পেটা শুরু করেন। টাকার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাকে প্রমাণ দেখাতে বলেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার নাদিম মল্লিক বলেন, একজন কর্মকর্তাকে একজন কর্মচারী তার অফিসে গিয়ে এভাবে জুতাপেটা করা কোন ধরনের নিয়মের মধ্যে পড়ে আমার জানা নেই। একজন কর্মকর্তা হিসেবে আমি খুবই লজ্জিত। আমি এর যথাযথ বিচার দাবি করছি।

মানহানির মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট তাবাসসুম ঊর্মির বিচার শুরুমানহানির মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট তাবাসসুম ঊর্মির বিচার শুরু বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম বলেন, আমি ইতোমধ্যে অভিযোগ পেয়েছি।

তার উপর ভিত্তি করে আমি উপাচার্যের সাথে কথা বলেছি। তিনি তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত কর্মচারীকে ক্যাম্পাস ত্যাগের নির্দেশনা প্রদান করেছেন ৷ উপাচার্য এখন অসুস্থ। তিনি ক্যাম্পাসে ফিরলেই এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিবেন।