১০ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, ২০শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি, মঙ্গলবার, ২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সুজন মহিনুল।।নীলফামারীর ডিমলায় ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত জীবন-মরণ সন্ধিক্ষণে সজিব(২০)বাঁচতে চায়।ভূমিহীন গরীব পিতা-মাতার আদরের সন্তান সজিব বাঁচার আকুতি নিয়ে প্রতি মুহূর্তে আর্তনাদ করলেও পিতা মাতা চিকিৎসা খরচ বহন করতে পারছেননা।সজিব ডিমলা উপজেলা সদরের বাবুরহাট হাজ্বী পাড়া ভূমিহীন অসহায় দিন মজুর রেজাউল করিম ও শাহানাজ পারভিন দম্পতির এক ছেলে এক কন্যার মধ্যে বড়।
জানা গেছে,সজিবের পিতা তাদের নিয়ে হাজ্বী পাড়া গ্রামে অন্যের জমিতে এক সময় বসবাস করলেও বর্তমানে উপজেলার খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের মাষ্টার পাড়ার গ্রামের বড় চাচার জমিতে আশ্রয় নিয়ে সেখানেই বসবাস করছেন।দীর্ঘদিন যাবত ব্লাড ক্যান্সার দুরারোগ্য রোগে ভুগছেন সজিব।অর্থাভাবে গরিব অসহায় পিতা মাতার পক্ষে ব্যয়-বহুল চিকিৎসা করাতে না পারায় যে কোনো মুহূর্তেই নিভে যেতে পারে সজিবের জীবন প্রদীপ।শুরুতে সে অসুস্থ হয়ে তার অবস্থার অবনতি হতে থাকলে পিতা দিনমজুর রেজাউল করিম তার সহায় সম্বল বলতে একটি ভ্যানগাড়ি বিক্রয় করে প্রথমে ডিমলা সরকারি হাসপাতালে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করেন।রংপুরের হেমাটোলজি ও রক্ত বিশেষজ্ঞ বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. এ,কে,এম কামরুজ্জানের তত্বাবধানে ছিলেন সজিব।বর্তমানে অর্থাভাবে চিকিৎসা খরচ বহন করতে না পারায় ব্লাড ক্যান্সার আক্রান্ত সজিবকে বাড়িতে নিয়ে আসেন তার পরিবার।বিশেষজ্ঞ ডা. বলেছেন সজিবকে বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নিতে হবে।চিকিৎসা ব্যয় হতে পারে প্রায় ১০ লাখ টাকা।ভূমিহীন দিনমজুর পিতা মাতার পক্ষে যে খরচ বহন করা অসম্ভব।এক মাসের অধিক হলো সরকারি অনুদানের জন্য সমাজ সেবা অধিদপ্তর ডিমলায় আবেদন করলেও এখনো কোনো অনুদান পায়নি সজিবের পরিবার।তার পিতা-মাতা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,স্থানীয় সংসদ সদস্য,জেলা প্রশাসন,উপজেলা প্রশাসন,জনপ্রতিনিধিসহ দেশ-বিদেশের সকল বিত্তবান- হৃদয়বান ব্যক্তিদের নিকট মানবিক আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।সজিবের পিতা রেজাউল করিম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন,আমি একজন ভূমিহীন দিনমুজুর ড.বলেছেন আমার ছেলেকে বাঁচাতে হলে দ্রুত দেশের বাহিরে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিতে হবে।কিন্তু আমার কি আর সে সামর্থ্য আছে?জীবিকা নির্বাহের জন্য একটি ভ্যান গাড়ি ছিলো তাও সন্তানের চিকিৎসা করাতে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছি।বর্তমানে বড় ভাইয়ের জমিতে পরিবার নিয়ে আশ্রয় নিয়েছি।এক মাসের অধিক হলো সাহায্য চেয়ে সমাজ সেবা অধিদপ্তর ডিমলায় আবেদন করেছি কিন্তু এখনো কোনো সাহায্য পাইনি।তবে কি আমার সন্তান চিকিৎসার অভাবে মরবে?আমিগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,স্থানীয় সংসদ সদস্য,জেলা প্রশাসন,উপজেলা প্রশাসন,জনপ্রতিনিধি, দেশ-বিদেশের সকল বিত্তবান- হৃদয়বান ব্যক্তিদেরসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের নিকট মানবিক আর্থিক সাহায্য চাই।সজিবের চিকিৎসায় আর্থিক সাহায্য পাঠানোর বিকাশ নম্বর-০১৯৪১৪১৮৫৮৩(সজিবের পিতা)।