১১ মার্চ ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, ২১শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি, বুধবার, ২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোটিশ
জরুরী ভিত্তিতে কিছুসংখ্যক জেলা-উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে যোগাযোগ- ০১৭১২৫৭৩৯৭৮
সর্বশেষ সংবাদ :
বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গায় জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক হলেন সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ইরান থেকে ট্রাম্পকে বেরিয়ে আসতে পরামর্শ দিচ্ছেন উপদেষ্টারা জীবননগরে বিএনপি- জামায়াত সংঘর্ষে বড় ভা’ইর পর আহত ছোট ভাই জামায়াত আমীরের মৃত্যু বানারীপাড়ায় কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে নারীকে মারধর ও যৌনপীড়নের অভিযোগ দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা ও আগাম প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—ইউএনও আসমা উল হুসনা। এসি চালানো শিখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের শীর্ষ আট কর্মকর্তা তেলের প্রধান ডিপোগুলোয় সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ হাদির ‘খুনি’ গ্রেফতার ইস্যুতে প্রশ্নের মুখে বিজেপি
চুয়াডাঙ্গায় বিজিবি উদ্যোগে পরিত্যক্ত ৩ কোটি টাকার মাদক বিনষ্ট

চুয়াডাঙ্গায় বিজিবি উদ্যোগে পরিত্যক্ত ৩ কোটি টাকার মাদক বিনষ্ট

মাহমুদ হাসান রনি, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
চুয়াডাঙ্গায় ৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন ৩ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবির সদর দফতরে
গত এক বছরে বিজিবির হাতে জব্দ হওয়া ৫ হাজার ৮১৮ বোতল ফেনসিডিলি, ১ হাজার ৩৫৯ বোতল ভারতীয় মদ, ২ বোতল বিয়ার, ৫৮ দশমিক ৬ কেজি গাঁজা, ৯ হাজার ৬৩৪ পিস ইয়াবা, ২ হাজার ৫৮০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট, ২ হাজার ১৯৮ পিস নেশাজাতীয় ইনজেকশন, ১০ দশমিক ৪০৮৫ কেজি হেরোইন ধ্বংস করা হয়। বিজিবি জানায়, যার বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজার ২শ টাকা। চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবির পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান পিএসসি’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির কুষ্টিয়া সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল এমারত হোসেন। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন, চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান, মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান খান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শিরীন আক্তারসহ চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তারা। অতিথিদের উপস্থিতিতে ভারতীয় মদের বোতল ভেঙে ও গাঁজায় আগুন ধরিয়ে ধ্বংস কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর রোলার দিয়ে মদ ও ফেনসিডিলের বোতল বিনষ্ট করা হয়।
কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এমারত হোসেন বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী ভারত থেকে এসব মাদকদ্রব্য আসে। আমাদের দেশে ডিমান্ড আছে বলেই এসব মাদক এখানে জায়গা করে নিয়েছে। তবে আমাদের কে মাদককে না বলতে হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019