সংবাদ শিরোনাম ::
কেডিসিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আবু নাসের রহমাতুল্লাহ দামুড়হুদায় ১৫শ বস্তা সার জব্দ, অবৈধ পন্থায় মজুদ, গোডাউন সিলগালা পিরোজপুরে মন্দিরের ভূমিতে জামায়াত নেতার ধান চাষ! দখলের অভিযোগ মিথ্যা ডায়েরির প্রতিবাদ: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী গ্রামবাসীর ঘোড়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ নেই ৩ মাসে ১৮৮ কি স্বাভাবিক প্রসব বন্ধ সিজারিয়ান রাজনীতি ও সমাজসেবায় দীর্ঘ পথচলা, জনসেবার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী পারভেজ মৃধা। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা উজিরপুরে যুবদল কর্মী হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৯ জন গ্রেপ্তার বিরামপুরের বিনাইল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা সাবদার হোসেনের, চাইলেন দোয়া ও সমর্থন দর্শনা ইমিগ্রেশনে ভারতে যাওয়ার পথে ছাত্রলীগ নেতা আটক

সিলেটে ২০২৩ সালে ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার করেছেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ ৪৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: মান অভিমান, পারিবারিক নানা সমস্যা সহ বিষয়কে নিয়ে এক বছরে সিলেটে ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। এর পেছনে ছিল নানা কারণ।
এমন তথ্য প্রকাশ করেছে বেসরকারি সংস্থা আঁচল ফাউন্ডেশন। দেশের ১০৫টি জাতীয়, স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালের আত্মহত্যার সংবাদ বিশ্লেষণ করে একটি সমীক্ষা প্রকাশ করেছে তারা। শনিবার (২৭ জানুয়ারী) সমীক্ষার ফল ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়।
আঁচল ফাউন্ডেশন জানায়, সব মিলিয়ে গত বছর (২০২৩) দেশে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ৫১৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে নারী শিক্ষার্থী ৩০৯ জন এবং পুরুষ শিক্ষার্থী ২০৪ জন। আত্মহননের পেছনে ৩২ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রেই কাজ করেছে অভিমান।
সমীক্ষার ফলাফল অনুসারে, গেল বছর সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ১৪৯টি। এর পরের অবস্থান চট্টগ্রাম বিভাগের, এখানে আত্মহত্যা করেছেন ৮৯ জন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৭৭ জন, খুলনা বিভাগে ৬৪ জন, বরিশাল ও রংপুর উভয় বিভাগেই ৪৩ জন করে, ময়মনসিংহে ৩৬ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন।
আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন স্কুলগামী শিক্ষার্থী ২২৭ জন, কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ১৪০ জন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ৯৮ জন ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ৪৮ জন।
সংবাদ সম্মেলনে আঁচল ফাউন্ডেশনের সভাপতি তানসেন রোজ বলেন, আত্মহত্যার ঘটনায় মূল ভূমিকা রাখছে অভিমান। অভিমানের কারণে আত্মহত্যার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় পরিবারের সঙ্গে সন্তানদের সম্পর্ক কতোটুকু মজবুত তা নিয়ে চিন্তার উদ্রেক করে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে দেশে আত্মহত্যা করেছিল ৫৩২ জন শিক্ষার্থী। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৫১৩ জনে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সিলেটে ২০২৩ সালে ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার করেছেন

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: মান অভিমান, পারিবারিক নানা সমস্যা সহ বিষয়কে নিয়ে এক বছরে সিলেটে ১২ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। এর পেছনে ছিল নানা কারণ।
এমন তথ্য প্রকাশ করেছে বেসরকারি সংস্থা আঁচল ফাউন্ডেশন। দেশের ১০৫টি জাতীয়, স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালের আত্মহত্যার সংবাদ বিশ্লেষণ করে একটি সমীক্ষা প্রকাশ করেছে তারা। শনিবার (২৭ জানুয়ারী) সমীক্ষার ফল ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়।
আঁচল ফাউন্ডেশন জানায়, সব মিলিয়ে গত বছর (২০২৩) দেশে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ৫১৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে নারী শিক্ষার্থী ৩০৯ জন এবং পুরুষ শিক্ষার্থী ২০৪ জন। আত্মহননের পেছনে ৩২ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রেই কাজ করেছে অভিমান।
সমীক্ষার ফলাফল অনুসারে, গেল বছর সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ১৪৯টি। এর পরের অবস্থান চট্টগ্রাম বিভাগের, এখানে আত্মহত্যা করেছেন ৮৯ জন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৭৭ জন, খুলনা বিভাগে ৬৪ জন, বরিশাল ও রংপুর উভয় বিভাগেই ৪৩ জন করে, ময়মনসিংহে ৩৬ জন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন।
আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন স্কুলগামী শিক্ষার্থী ২২৭ জন, কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ১৪০ জন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ৯৮ জন ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ৪৮ জন।
সংবাদ সম্মেলনে আঁচল ফাউন্ডেশনের সভাপতি তানসেন রোজ বলেন, আত্মহত্যার ঘটনায় মূল ভূমিকা রাখছে অভিমান। অভিমানের কারণে আত্মহত্যার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় পরিবারের সঙ্গে সন্তানদের সম্পর্ক কতোটুকু মজবুত তা নিয়ে চিন্তার উদ্রেক করে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে দেশে আত্মহত্যা করেছিল ৫৩২ জন শিক্ষার্থী। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৫১৩ জনে।