সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে,

এবার ডিবি কার্যালয়ে ভাত খেলেন শাহজাহান ওমর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৩ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এবার ভাত খেলেন বিএনপির বহিষ্কৃত ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে যান।

শাহজাহান ওমরের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, আমাদের এখানে সব শ্রেণিপেশার মানুষ আসেন। খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আসেন। তেমনি একটি সমস্যা নিয়ে একজন এসেছেন।

তিনি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ দিতে এসেছেন। তিনি আমাদের কাছে যে নামগুলো দিবেন, সে অনুযায়ী তদন্ত করে আমরা ব্যবস্থা নিব।

উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায় অনেককেই ডিবি কার্যালয়ে ভাত খাইয়ে আপ্যায়ন করা হয়। ইতোমধ্যে ভাত খাওয়ানোর কিছু ছবি ভাইরালও হয়েছে। ছবি ভাইরালের পর ডিবি কার্যালয়কে ‘ডিবির ভাতের হোটেল’ বলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে মন্তব্য করেছেন। তবে এসব মন্তব্যকে ডিবি ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে। ডিবি বলছে, ডিবির ভাতের হোটেলের বিষয়টি মানুষ রসবোধ থেকে বলছে।

ডিবির ভাতের হোটেল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, এটা রসবোধের প্রশ্ন। বাঙালি একটা রসবোধসম্পন্ন জাতি। সাহিত্যে রসবোধের প্রয়োগ আমাদের মনের খোরাক জোগায়। আমি মনে করি, এটা রসবোধপ্রবণ একটি বিষয় যে ডিবি ভাত খাওয়ায়। আমরা তো আসলে কাউকে ডেকে এনে খাওয়াই না। কেউ যদি কাজের জন্য আমাদের কাছে আসে, তার কাজটা করে দেওয়ার চেষ্টা করি। এর পাশাপাশি লাঞ্চ টাইম হলে লাঞ্চের অফার করি। সে যদি অফার গ্রহণ করেন তাহলে খেয়ে যান। আর আমরা তো ব্রিটিশ পুলিশ না। আমরা এখন স্বাধীন দেশের পুলিশ। একটা সময় থানায় যেতে মানুষ ভয় পেতো। আর এখন আমি একজন ডিআইজি, আমার এখানেই শত শত লোক কোনও না কোনও কাজে আসছে। সাইবার বুলিংসহ বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে মানুষ আমাদের কাছে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

এবার ডিবি কার্যালয়ে ভাত খেলেন শাহজাহান ওমর

আপডেট সময় : ০৯:৫১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এবার ভাত খেলেন বিএনপির বহিষ্কৃত ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে যান।

শাহজাহান ওমরের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, আমাদের এখানে সব শ্রেণিপেশার মানুষ আসেন। খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার মানুষ বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আসেন। তেমনি একটি সমস্যা নিয়ে একজন এসেছেন।

তিনি সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ দিতে এসেছেন। তিনি আমাদের কাছে যে নামগুলো দিবেন, সে অনুযায়ী তদন্ত করে আমরা ব্যবস্থা নিব।

উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায় অনেককেই ডিবি কার্যালয়ে ভাত খাইয়ে আপ্যায়ন করা হয়। ইতোমধ্যে ভাত খাওয়ানোর কিছু ছবি ভাইরালও হয়েছে। ছবি ভাইরালের পর ডিবি কার্যালয়কে ‘ডিবির ভাতের হোটেল’ বলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে মন্তব্য করেছেন। তবে এসব মন্তব্যকে ডিবি ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে। ডিবি বলছে, ডিবির ভাতের হোটেলের বিষয়টি মানুষ রসবোধ থেকে বলছে।

ডিবির ভাতের হোটেল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, এটা রসবোধের প্রশ্ন। বাঙালি একটা রসবোধসম্পন্ন জাতি। সাহিত্যে রসবোধের প্রয়োগ আমাদের মনের খোরাক জোগায়। আমি মনে করি, এটা রসবোধপ্রবণ একটি বিষয় যে ডিবি ভাত খাওয়ায়। আমরা তো আসলে কাউকে ডেকে এনে খাওয়াই না। কেউ যদি কাজের জন্য আমাদের কাছে আসে, তার কাজটা করে দেওয়ার চেষ্টা করি। এর পাশাপাশি লাঞ্চ টাইম হলে লাঞ্চের অফার করি। সে যদি অফার গ্রহণ করেন তাহলে খেয়ে যান। আর আমরা তো ব্রিটিশ পুলিশ না। আমরা এখন স্বাধীন দেশের পুলিশ। একটা সময় থানায় যেতে মানুষ ভয় পেতো। আর এখন আমি একজন ডিআইজি, আমার এখানেই শত শত লোক কোনও না কোনও কাজে আসছে। সাইবার বুলিংসহ বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে মানুষ আমাদের কাছে আসছে।