সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন

কালকিনিতে মা ইলিশ রক্ষায় সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৩ ১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ রাজু আহ‌ম্মেদ মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:
মাদারীপুরের কালকিনিতে মা ইলিশ রক্ষায় জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়ছে। গত মঙ্গলবার বিকালে ৫টায় কালকিনি উপজেলার সাহেবরামপুর ইউনিয়নের গোলপাতা বাজারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কালকিনি উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় মা ইলিশ সংরক্ষন অভিযান উপলক্ষে সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করে কালকিনি উপজেলা ইলিশ সংরক্ষণ টাস্কফোর্স কমিটি।
মা ইলিশ রক্ষায় সচেতনতামূলক সভায় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও কালকিনি উপজেলা অা. লীগের সভাপতি তাহমিনা বেগম প্রধান অতিথি বক্তবে বলেন, ইলিশ মাছ ধরে যে সমস্ত জেলে তারাই শুধু তালিকাভূক্ত হবেন আর তারাই সরকারী চাল পাবেন। আর যারা নদীতে অন্য মাছ ধরেন তারা কেন সরকারী চাল পাবেন না। কিন্তু সেই সমস্ত জেলেও তো এই ২২ দিন নদীতে মাছ ধরে পারে না। তাই তালিকাভূক্ত করে তাদেরও সরকারী চাল দিতে হবে আমি সংসদে এই কথা উত্থাপন করবো। সাহেবরামপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: মোখলেচুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাদারীপুর জেলা মৎস কর্মকর্তা বাবুল কৃষ্ণ ওঝা, কালকিনি উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক , মাদারীপুর জেলা মৎস অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: আনিচুর রহমান, কালকিনি উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা সন্দিপন মজুমদার ও কালকিনি আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক মো: বেলাল হোসন।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত মা ইলিশের ডিম পাড়ার সময়। এ সময় আমরা যদি ইলিশ ধরা বন্ধ রাখি তাহলে সারা বছরই আমরা ইলিশের চাহিদা মেটাতে পারবো। এই ২২ দিন আমরা ইলিশ ধরা, মজুদ করা, খাওয়া থেকে বিরত থাকবো। এই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলে, আড়তদার, পাইকারী ও খুচরা ইলিশ মাছ বিক্রেতাগন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কালকিনিতে মা ইলিশ রক্ষায় সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৩

মোঃ রাজু আহ‌ম্মেদ মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:
মাদারীপুরের কালকিনিতে মা ইলিশ রক্ষায় জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়ছে। গত মঙ্গলবার বিকালে ৫টায় কালকিনি উপজেলার সাহেবরামপুর ইউনিয়নের গোলপাতা বাজারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কালকিনি উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় মা ইলিশ সংরক্ষন অভিযান উপলক্ষে সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করে কালকিনি উপজেলা ইলিশ সংরক্ষণ টাস্কফোর্স কমিটি।
মা ইলিশ রক্ষায় সচেতনতামূলক সভায় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও কালকিনি উপজেলা অা. লীগের সভাপতি তাহমিনা বেগম প্রধান অতিথি বক্তবে বলেন, ইলিশ মাছ ধরে যে সমস্ত জেলে তারাই শুধু তালিকাভূক্ত হবেন আর তারাই সরকারী চাল পাবেন। আর যারা নদীতে অন্য মাছ ধরেন তারা কেন সরকারী চাল পাবেন না। কিন্তু সেই সমস্ত জেলেও তো এই ২২ দিন নদীতে মাছ ধরে পারে না। তাই তালিকাভূক্ত করে তাদেরও সরকারী চাল দিতে হবে আমি সংসদে এই কথা উত্থাপন করবো। সাহেবরামপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: মোখলেচুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাদারীপুর জেলা মৎস কর্মকর্তা বাবুল কৃষ্ণ ওঝা, কালকিনি উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক , মাদারীপুর জেলা মৎস অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: আনিচুর রহমান, কালকিনি উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা সন্দিপন মজুমদার ও কালকিনি আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক মো: বেলাল হোসন।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত মা ইলিশের ডিম পাড়ার সময়। এ সময় আমরা যদি ইলিশ ধরা বন্ধ রাখি তাহলে সারা বছরই আমরা ইলিশের চাহিদা মেটাতে পারবো। এই ২২ দিন আমরা ইলিশ ধরা, মজুদ করা, খাওয়া থেকে বিরত থাকবো। এই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলে, আড়তদার, পাইকারী ও খুচরা ইলিশ মাছ বিক্রেতাগন।