সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

স্ত্রীর সঙ্গে ‘অবৈধ সম্পর্ক’, পুলিশের ঠোঁট-কান কেটে নিল স্বামী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অগাস্ট ২০২২ ১১৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
স্ত্রীর সঙ্গে ‘অবৈধ সম্পর্কের’ অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলের নাক, কান ও ঠোঁট কেটে নিল স্বামী। শুধু তাই নয়, নাক-কান কাটার আগে ওই কনস্টেবলের ওপর নৃশংস নির্যাতন চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (৩১ জুলাই) ঘটনাটি ঘটে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের ঝাং জেলায়। সোমবার (১ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পাঞ্জাব পুলিশ।

পুলিশের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, লাহোর থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার। নির্যাতনের শিকার কনস্টেবলের নাম কাশিম হায়াত। আর এ ঘটনায় মূল অভিযুক্তের নাম মোহাম্মদ ইফতিখার।

অভিযুক্ত ইফতিখারের সন্দেহ ছিল, কনস্টেবল কাশিম তার স্ত্রীর সঙ্গে ‘অবৈধ প্রেমের’ সম্পর্কে জড়িয়েছে এবং তার স্ত্রীকে ‘জোর করে’ এ সম্পর্কে থাকতে বাধ্য করেছে। কাশিমের বিরুদ্ধে নিজের স্ত্রীকে ‘ব্ল্যাকমেইলের’ অভিযোগও করেছেন ইফতিখার।

পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, রোববার ডিউটি শেষে বাড়ি ফেরার সময় অন্তত ১২ জন সঙ্গী নিয়ে কাশিমের পথ রোধ করে দাঁড়ান ইফতিখার। জোর করে নির্জন একটি স্থানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় কনস্টেবল কাশিমকে। সেখানে নিয়ে প্রথমে তার ওপর চালানো হয় অমানুষিক নির্যাতন। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে নেয়া হয় কাশিমের নাক, কান ও ঠোঁট।

পরে কাশিমকে উদ্ধার করে ঝাং জেলার একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। বর্তমানে সংকটজনক অবস্থায় সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

গত মাসে কনস্টেবল কাশিম হায়াতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান দণ্ডবিধির (পিপিসি) ধারা ৩৫৪ (নারী নির্যাতন), ৩৮৪ (চাঁদাবাজি) এবং ২৯২ (পর্নোগ্রাফি) ধারায় মামলা দায়ের করেছিলেন ইফতিখার।

ইফতেখারের দাবি, কনস্টেবল কাশিম তার ছেলেকে হত্যার হুমকি দিয়ে স্ত্রীকে ‘অবৈধ সম্পর্ক’ স্থাপনে বাধ্য করেছিল। এরপর জোর করে তার স্ত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক’ স্থাপন এবং এর একটি ভিডিও ধারণ করে। পরে সেই ভিডিও দিয়ে তাকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করা শুরু করে কাশিম।

ইফতেখার ও তার সহযোগীদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্ত্রীর সঙ্গে ‘অবৈধ সম্পর্ক’, পুলিশের ঠোঁট-কান কেটে নিল স্বামী

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অগাস্ট ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স
স্ত্রীর সঙ্গে ‘অবৈধ সম্পর্কের’ অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলের নাক, কান ও ঠোঁট কেটে নিল স্বামী। শুধু তাই নয়, নাক-কান কাটার আগে ওই কনস্টেবলের ওপর নৃশংস নির্যাতন চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (৩১ জুলাই) ঘটনাটি ঘটে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের ঝাং জেলায়। সোমবার (১ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পাঞ্জাব পুলিশ।

পুলিশের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, লাহোর থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার। নির্যাতনের শিকার কনস্টেবলের নাম কাশিম হায়াত। আর এ ঘটনায় মূল অভিযুক্তের নাম মোহাম্মদ ইফতিখার।

অভিযুক্ত ইফতিখারের সন্দেহ ছিল, কনস্টেবল কাশিম তার স্ত্রীর সঙ্গে ‘অবৈধ প্রেমের’ সম্পর্কে জড়িয়েছে এবং তার স্ত্রীকে ‘জোর করে’ এ সম্পর্কে থাকতে বাধ্য করেছে। কাশিমের বিরুদ্ধে নিজের স্ত্রীকে ‘ব্ল্যাকমেইলের’ অভিযোগও করেছেন ইফতিখার।

পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, রোববার ডিউটি শেষে বাড়ি ফেরার সময় অন্তত ১২ জন সঙ্গী নিয়ে কাশিমের পথ রোধ করে দাঁড়ান ইফতিখার। জোর করে নির্জন একটি স্থানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় কনস্টেবল কাশিমকে। সেখানে নিয়ে প্রথমে তার ওপর চালানো হয় অমানুষিক নির্যাতন। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে নেয়া হয় কাশিমের নাক, কান ও ঠোঁট।

পরে কাশিমকে উদ্ধার করে ঝাং জেলার একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। বর্তমানে সংকটজনক অবস্থায় সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

গত মাসে কনস্টেবল কাশিম হায়াতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান দণ্ডবিধির (পিপিসি) ধারা ৩৫৪ (নারী নির্যাতন), ৩৮৪ (চাঁদাবাজি) এবং ২৯২ (পর্নোগ্রাফি) ধারায় মামলা দায়ের করেছিলেন ইফতিখার।

ইফতেখারের দাবি, কনস্টেবল কাশিম তার ছেলেকে হত্যার হুমকি দিয়ে স্ত্রীকে ‘অবৈধ সম্পর্ক’ স্থাপনে বাধ্য করেছিল। এরপর জোর করে তার স্ত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক’ স্থাপন এবং এর একটি ভিডিও ধারণ করে। পরে সেই ভিডিও দিয়ে তাকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করা শুরু করে কাশিম।

ইফতেখার ও তার সহযোগীদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।