সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

যে শহরের ৬ ভাগ মানুষের ৫ ভাগই চালান সাইকেল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুন ২০২২ ১৩০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের মধ্যে সাইকেলের ব্যবহার অনেক বেশি। এটি সহজলভ্য ও স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। আবার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে দ্রুততার সঙ্গে যাওয়ার বাহন হিসেবেও সাইকেলের ব্যবহার তুঙ্গে।

তবে জানলে অবাক হবেন, বিশ্বের এমন একটি শহর আছে যেখানে শুধু সাইকেলই ভরসা। সে শহরে নেই কোনো যানবাহনের ধোঁয়া। ফলে সেখানকার পরিবেশও দূষণমুক্ত।

বলছি ডেনমার্কের কোপেনহেগেন শহরের কথা। এ শহরে অন্যান্য যানবাহনের চেয়ে সাইকেলের সংখ্যা বেশি। এমনও দেখা যায় যে, কারও হয়তো ২-৩টি গাড়ি আছে; তবুও তিনি সাইকেলে চলাচল করেন। কারণ তারা সাইকেলে চলাচল করতেই বেশি আনন্দ উপভোগ করেন।

জানা যায়, কোপেনহেগেনে ৬ লাখ ৭৫ হাজার সাইকেল ও ১ লাখ ২০ হাজার গাড়ি আছে। অর্থাৎ সে শহরের ৬ ভাগের ৫ ভাগ মানুষই সেখানে সাইকেল ব্যবহার করেন। ১৯৭০ সালে সেখানে সাইকেলের ব্যবহার বাড়তে থাকে।

২০১৬ সালের তথ্যানুযায়ী, কোপেনহেগেনের সাইক্লিস্টরা মোট ১.৪ মিলিয়ন কিলোমিটার সাইকেল চালায়। ২০০৬ সালের পরে এটি আর ২২ শতাংশ বেড়েছে।

অনেকেরই মনে প্রশ্ন আসতে পারে ডেনমার্কের মতো উন্নত দেশে সাইকেল ব্যবহার করার কারণ কী? সেখানে সাইক্লিংয়ের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো সাইকেলবান্ধব শহর।

কোপেনহেগেন শহর জুড়ে সাইক্লিং সুপার হাইওয়ে ও উদ্ভাবনী সেতুগুলো সবই সাইকেলবান্ধব। সব মিলিয়ে সাইক্লিস্টদের জন্য নিরপদ এক স্থান হলো কোপেনহেগেন।

পাশাপাশি শহরকে কার্বনমুক্ত করার চেষ্টায় সাইকেলবান্ধব নগরী গড়ে তুলেছেন সেখানকার কাউন্সিলর। যাতায়াত খরচ বাঁচানো থেকে শুরু করে সাইকেল চালানোর বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত উপকারিতাও আছে। সাইক্লিং একটি দুর্দান্ত ব্যায়াম। নিয়মিত সাইকেল চালালে পেশি শক্ত হয়, হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে ও কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমে।

দ্রুত যাতায়াত, যানজট কমানো এবং শাররিক অসুস্থতা কমাতে ডেনমার্কের সাইক্লিং দূতাবাস সাইকেল চালানোর পক্ষে বিভিন্ন প্রচারণা করে থাকে। সেখানকার সব সাইকেলের দোকানগুলো প্রায় এক তৃতীয়াংশ কমে ক্রেতাদের কাছে সাইকেল বিক্রি করেন।

সাইকেলবান্ধব শহর গড়তে ২০১৭ সালে কোপেনহেগেন অঞ্চলে ৩.৯ কিলোমিটার নতুন পথ, ৬০০ কিলোমিটার সবুজ সাইক্লিং রুট ও ৫টি নতুন সুপার সাইকেল পথ উদ্বোধন করা হয়।

অতিরিক্ত হিসাবে, সাড়ে ৩ হাজার নতুন পার্কিং স্ট্যান্ড স্থাপন করা হয়েছে ও ১২ হাজার ৯০০ পরিত্যক্ত সাইকেল সংগ্রহ করা হয়েছে।

বর্তমানে ডেনমার্কের মতোই প্যারিস, চীনেও সাইকেল ব্যবহার বেড়েছে। চীনের জিয়ামেন শহর সাইকেলের জন্য একটি ৭.৬ কিলোমিটার এলিভেটেড স্কাইওয়ে তৈরি করেছে।

নেদারল্যান্ডসেও মানুষের চেয়ে বেশি সাইকেল আছে। এমনকি সেখানে সাইকেল চালানোর সময় মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যে শহরের ৬ ভাগ মানুষের ৫ ভাগই চালান সাইকেল

আপডেট সময় : ০৯:০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুন ২০২২

অনলাইন ডেস্ক
বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের মধ্যে সাইকেলের ব্যবহার অনেক বেশি। এটি সহজলভ্য ও স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। আবার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে দ্রুততার সঙ্গে যাওয়ার বাহন হিসেবেও সাইকেলের ব্যবহার তুঙ্গে।

তবে জানলে অবাক হবেন, বিশ্বের এমন একটি শহর আছে যেখানে শুধু সাইকেলই ভরসা। সে শহরে নেই কোনো যানবাহনের ধোঁয়া। ফলে সেখানকার পরিবেশও দূষণমুক্ত।

বলছি ডেনমার্কের কোপেনহেগেন শহরের কথা। এ শহরে অন্যান্য যানবাহনের চেয়ে সাইকেলের সংখ্যা বেশি। এমনও দেখা যায় যে, কারও হয়তো ২-৩টি গাড়ি আছে; তবুও তিনি সাইকেলে চলাচল করেন। কারণ তারা সাইকেলে চলাচল করতেই বেশি আনন্দ উপভোগ করেন।

জানা যায়, কোপেনহেগেনে ৬ লাখ ৭৫ হাজার সাইকেল ও ১ লাখ ২০ হাজার গাড়ি আছে। অর্থাৎ সে শহরের ৬ ভাগের ৫ ভাগ মানুষই সেখানে সাইকেল ব্যবহার করেন। ১৯৭০ সালে সেখানে সাইকেলের ব্যবহার বাড়তে থাকে।

২০১৬ সালের তথ্যানুযায়ী, কোপেনহেগেনের সাইক্লিস্টরা মোট ১.৪ মিলিয়ন কিলোমিটার সাইকেল চালায়। ২০০৬ সালের পরে এটি আর ২২ শতাংশ বেড়েছে।

অনেকেরই মনে প্রশ্ন আসতে পারে ডেনমার্কের মতো উন্নত দেশে সাইকেল ব্যবহার করার কারণ কী? সেখানে সাইক্লিংয়ের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো সাইকেলবান্ধব শহর।

কোপেনহেগেন শহর জুড়ে সাইক্লিং সুপার হাইওয়ে ও উদ্ভাবনী সেতুগুলো সবই সাইকেলবান্ধব। সব মিলিয়ে সাইক্লিস্টদের জন্য নিরপদ এক স্থান হলো কোপেনহেগেন।

পাশাপাশি শহরকে কার্বনমুক্ত করার চেষ্টায় সাইকেলবান্ধব নগরী গড়ে তুলেছেন সেখানকার কাউন্সিলর। যাতায়াত খরচ বাঁচানো থেকে শুরু করে সাইকেল চালানোর বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত উপকারিতাও আছে। সাইক্লিং একটি দুর্দান্ত ব্যায়াম। নিয়মিত সাইকেল চালালে পেশি শক্ত হয়, হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে ও কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমে।

দ্রুত যাতায়াত, যানজট কমানো এবং শাররিক অসুস্থতা কমাতে ডেনমার্কের সাইক্লিং দূতাবাস সাইকেল চালানোর পক্ষে বিভিন্ন প্রচারণা করে থাকে। সেখানকার সব সাইকেলের দোকানগুলো প্রায় এক তৃতীয়াংশ কমে ক্রেতাদের কাছে সাইকেল বিক্রি করেন।

সাইকেলবান্ধব শহর গড়তে ২০১৭ সালে কোপেনহেগেন অঞ্চলে ৩.৯ কিলোমিটার নতুন পথ, ৬০০ কিলোমিটার সবুজ সাইক্লিং রুট ও ৫টি নতুন সুপার সাইকেল পথ উদ্বোধন করা হয়।

অতিরিক্ত হিসাবে, সাড়ে ৩ হাজার নতুন পার্কিং স্ট্যান্ড স্থাপন করা হয়েছে ও ১২ হাজার ৯০০ পরিত্যক্ত সাইকেল সংগ্রহ করা হয়েছে।

বর্তমানে ডেনমার্কের মতোই প্যারিস, চীনেও সাইকেল ব্যবহার বেড়েছে। চীনের জিয়ামেন শহর সাইকেলের জন্য একটি ৭.৬ কিলোমিটার এলিভেটেড স্কাইওয়ে তৈরি করেছে।

নেদারল্যান্ডসেও মানুষের চেয়ে বেশি সাইকেল আছে। এমনকি সেখানে সাইকেল চালানোর সময় মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে সরকার।