সংবাদ শিরোনাম ::
সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প

হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মরদেহ মিললো নদীতে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুন ২০২২ ১০৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হওয়া এক রোগীর মরদেহ মিললো নদীতে। বুধবার (১ জুন) সকালে হাসপাতাল সংলগ্ন বৈরাণ নদী থেকে তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত ওই ব্যক্তির নাম বেলায়েত হোসেন (৭৬)। তিনি পৌরশহরের সূতি পলাশ গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

পুলিশ জানায়, বেলায়েত হোসেন ২০০৬ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের চাকরি থেকে অবসরে যান। নানা কারণে স্বজনদের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। এরপর ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার পর দেখা দেয় মানসিক ভারসাম্যহীনতা। এ কারণে গত তিন বছর ধরে নিজ বাড়ি ছেড়ে উপজেলার উত্তর পাথালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করতেন। গত ২৭ মে জ্বর ও পেট ব্যথা নিয়ে তিনি গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। গত রোববার (২৯ মে) হাসপাতাল থেকে তিনি উধাও হয়ে যান। আত্মীয়-স্বজনরা কেউ আর তাকে খুঁজে পায়নি।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. প্রসেনজিৎ কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সবার অজান্তে তিনি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান। এরপর তাকে কোথাও আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন বলেন, প্রথমে অজ্ঞাতনামা হিসেবে মরদেহ উদ্ধার হয়। পরে পিবিআই ও সিআইডি আলামত সংগ্রহ করে মরদেহের পরিচয় শনাক্তে সক্ষম হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগী উধাওয়ের বিষয়টি পরিবারকে জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে তারা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেননি।

গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলীম আল রাজী বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে আমি দুইদিন ধরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মিটিংয়ের জন্য ঢাকায় অবস্থান করছি। ওই বিষয়ে হাসপাতাল থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সেটি জেনে রাতে জানাতে পারবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মরদেহ মিললো নদীতে

আপডেট সময় : ১১:৪৬:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুন ২০২২

আজকের ক্রাইম ডেক্স
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হওয়া এক রোগীর মরদেহ মিললো নদীতে। বুধবার (১ জুন) সকালে হাসপাতাল সংলগ্ন বৈরাণ নদী থেকে তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত ওই ব্যক্তির নাম বেলায়েত হোসেন (৭৬)। তিনি পৌরশহরের সূতি পলাশ গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

পুলিশ জানায়, বেলায়েত হোসেন ২০০৬ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের চাকরি থেকে অবসরে যান। নানা কারণে স্বজনদের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। এরপর ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার পর দেখা দেয় মানসিক ভারসাম্যহীনতা। এ কারণে গত তিন বছর ধরে নিজ বাড়ি ছেড়ে উপজেলার উত্তর পাথালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘরে নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করতেন। গত ২৭ মে জ্বর ও পেট ব্যথা নিয়ে তিনি গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। গত রোববার (২৯ মে) হাসপাতাল থেকে তিনি উধাও হয়ে যান। আত্মীয়-স্বজনরা কেউ আর তাকে খুঁজে পায়নি।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. প্রসেনজিৎ কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সবার অজান্তে তিনি হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান। এরপর তাকে কোথাও আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন বলেন, প্রথমে অজ্ঞাতনামা হিসেবে মরদেহ উদ্ধার হয়। পরে পিবিআই ও সিআইডি আলামত সংগ্রহ করে মরদেহের পরিচয় শনাক্তে সক্ষম হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগী উধাওয়ের বিষয়টি পরিবারকে জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে তারা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেননি।

গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলীম আল রাজী বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে আমি দুইদিন ধরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মিটিংয়ের জন্য ঢাকায় অবস্থান করছি। ওই বিষয়ে হাসপাতাল থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সেটি জেনে রাতে জানাতে পারবো।