সংবাদ শিরোনাম ::
অনেক নির্বাহী কর্মকর্তা এলাকায় থাকতে পারেননি’, ইউএনওকে উদ্দেশ করে বিএনপি নেতার বক্তব্যে বিতর্ক উজিরপুরে নারীদের গোপন ভিডিও, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিস্কার পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় জেলহাজতে প্রেরন বিরামপুরের দিওড় ইউনিয়নে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে গুরুত্বপূর্ণ বাণী বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

খালেদাকে পদক দিয়ে হাস্যকর পাত্র করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ১৬২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
মাদার অব ডেমোক্রেসি পদকটি দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে হাস্যকর পাত্র করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে মাদার অব ডেমোক্রেসি পদক দেওয়া হলো, আর বিএনপি জানলো সাড়ে তিন বছর পর। পুরো বিষয়টি হাস্যকর। এখানে খালেদা জিয়াকে হাসির পাত্র করা হয়েছে।

বুধবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তথ্যমন্ত্রীর দফতরে ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়াকে কানাডার একটি সংগঠন মাদার অব ডেমোক্রেসি বলে সনদ দিয়েছে। যে সংগঠনের নাম কেউ জানে না, যার জন্মেরও বেশি দিন হয়নি। এটি আবার ফখরুল সাহেবরা ২০১৭-১৮ সাল থেকে বলা শুরু করেছেন। সনদ দেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই। বিএনপি জানলো সাড়ে তিন বছর পর। আসলে পুরো বিষয়টি হাস্যকর। এখানে বেগম খালেদা জিয়াকে একদম ‘লাফিং স্টক’ হিসেবে বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, কানাডার ফেডারেল আদালত বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে রায় দিয়েছেন। সেখানে এটাও উল্লেখ করা হয়েছিল বিএনপি যেভাবে জ্বালাও পোড়াও করেছে, তারা ভবিষ্যতেও এরকম করতে পারে। সেখানে আবার একটি তথাকথিত হিউম্যান রাইটস অরগানাইজেশন থেকে তারা (বিএনপি) আবার একটি সনদ কিনেছেন।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি যে স্বনামে-বেনামে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করেছিল। সেটি আমরা বেশ কয়েকবার গণমাধ্যমের সামনে বলেছিলাম।

কিছু কিছু লবিস্ট ফার্মের সঙ্গে আবার বিদেশিদের মাধ্যমেও চুক্তি করেছিল। যার একটি চুক্তি স্বাক্ষরকারী হচ্ছে যে প্রতিষ্ঠান থেকে খালেদা জিয়াকে পদক দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারতের রাষ্ট্রদূত আজ এখানে এসেছিলেন। আমরা দ্বিপক্ষীয় অনেকগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের অনেকগুলো চ্যানেল ত্রিপুরায় দেখা যায়। সেখানে প্রদর্শনের ক্ষেত্রে তেমন একটা প্রতিবন্ধকতা নেই। কিন্তু পশ্চিম বাংলায় এগুলো দেখা যায় না। সেখানের ব্রডকাস্টাররা অনেক টাকা চায়। এটা কীভাবে সহজ করা যায় সে প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের অনেকগুলো চ্যানেল এবং পত্রিকার রিপোর্টার কলকাতায় কাজ করেন। তাদের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক প্রতিবন্ধকতায় পড়তে হয়। তারা যেন সহজেই সেটি পায় সে বিষয়ে কথা হয়। এছাড়া দুই দেশের সমন্বয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি সিনেমা করার চুক্তি হয়েছে। সেখানে আমাদের পক্ষ থেকে তানভির মোকাম্মেলকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে একজন যুগ্ম পরিচালকের নাম দেওয়ার কথা, সেটি আমরা এখনো পাইনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

খালেদাকে পদক দিয়ে হাস্যকর পাত্র করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

অনলাইন ডেস্ক
মাদার অব ডেমোক্রেসি পদকটি দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে হাস্যকর পাত্র করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে মাদার অব ডেমোক্রেসি পদক দেওয়া হলো, আর বিএনপি জানলো সাড়ে তিন বছর পর। পুরো বিষয়টি হাস্যকর। এখানে খালেদা জিয়াকে হাসির পাত্র করা হয়েছে।

বুধবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তথ্যমন্ত্রীর দফতরে ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়াকে কানাডার একটি সংগঠন মাদার অব ডেমোক্রেসি বলে সনদ দিয়েছে। যে সংগঠনের নাম কেউ জানে না, যার জন্মেরও বেশি দিন হয়নি। এটি আবার ফখরুল সাহেবরা ২০১৭-১৮ সাল থেকে বলা শুরু করেছেন। সনদ দেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই। বিএনপি জানলো সাড়ে তিন বছর পর। আসলে পুরো বিষয়টি হাস্যকর। এখানে বেগম খালেদা জিয়াকে একদম ‘লাফিং স্টক’ হিসেবে বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, কানাডার ফেডারেল আদালত বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে রায় দিয়েছেন। সেখানে এটাও উল্লেখ করা হয়েছিল বিএনপি যেভাবে জ্বালাও পোড়াও করেছে, তারা ভবিষ্যতেও এরকম করতে পারে। সেখানে আবার একটি তথাকথিত হিউম্যান রাইটস অরগানাইজেশন থেকে তারা (বিএনপি) আবার একটি সনদ কিনেছেন।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি যে স্বনামে-বেনামে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করেছিল। সেটি আমরা বেশ কয়েকবার গণমাধ্যমের সামনে বলেছিলাম।

কিছু কিছু লবিস্ট ফার্মের সঙ্গে আবার বিদেশিদের মাধ্যমেও চুক্তি করেছিল। যার একটি চুক্তি স্বাক্ষরকারী হচ্ছে যে প্রতিষ্ঠান থেকে খালেদা জিয়াকে পদক দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারতের রাষ্ট্রদূত আজ এখানে এসেছিলেন। আমরা দ্বিপক্ষীয় অনেকগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের অনেকগুলো চ্যানেল ত্রিপুরায় দেখা যায়। সেখানে প্রদর্শনের ক্ষেত্রে তেমন একটা প্রতিবন্ধকতা নেই। কিন্তু পশ্চিম বাংলায় এগুলো দেখা যায় না। সেখানের ব্রডকাস্টাররা অনেক টাকা চায়। এটা কীভাবে সহজ করা যায় সে প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের অনেকগুলো চ্যানেল এবং পত্রিকার রিপোর্টার কলকাতায় কাজ করেন। তাদের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক প্রতিবন্ধকতায় পড়তে হয়। তারা যেন সহজেই সেটি পায় সে বিষয়ে কথা হয়। এছাড়া দুই দেশের সমন্বয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি সিনেমা করার চুক্তি হয়েছে। সেখানে আমাদের পক্ষ থেকে তানভির মোকাম্মেলকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে একজন যুগ্ম পরিচালকের নাম দেওয়ার কথা, সেটি আমরা এখনো পাইনি।