সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

খালেদাকে পদক দিয়ে হাস্যকর পাত্র করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
মাদার অব ডেমোক্রেসি পদকটি দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে হাস্যকর পাত্র করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে মাদার অব ডেমোক্রেসি পদক দেওয়া হলো, আর বিএনপি জানলো সাড়ে তিন বছর পর। পুরো বিষয়টি হাস্যকর। এখানে খালেদা জিয়াকে হাসির পাত্র করা হয়েছে।

বুধবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তথ্যমন্ত্রীর দফতরে ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়াকে কানাডার একটি সংগঠন মাদার অব ডেমোক্রেসি বলে সনদ দিয়েছে। যে সংগঠনের নাম কেউ জানে না, যার জন্মেরও বেশি দিন হয়নি। এটি আবার ফখরুল সাহেবরা ২০১৭-১৮ সাল থেকে বলা শুরু করেছেন। সনদ দেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই। বিএনপি জানলো সাড়ে তিন বছর পর। আসলে পুরো বিষয়টি হাস্যকর। এখানে বেগম খালেদা জিয়াকে একদম ‘লাফিং স্টক’ হিসেবে বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, কানাডার ফেডারেল আদালত বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে রায় দিয়েছেন। সেখানে এটাও উল্লেখ করা হয়েছিল বিএনপি যেভাবে জ্বালাও পোড়াও করেছে, তারা ভবিষ্যতেও এরকম করতে পারে। সেখানে আবার একটি তথাকথিত হিউম্যান রাইটস অরগানাইজেশন থেকে তারা (বিএনপি) আবার একটি সনদ কিনেছেন।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি যে স্বনামে-বেনামে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করেছিল। সেটি আমরা বেশ কয়েকবার গণমাধ্যমের সামনে বলেছিলাম।

কিছু কিছু লবিস্ট ফার্মের সঙ্গে আবার বিদেশিদের মাধ্যমেও চুক্তি করেছিল। যার একটি চুক্তি স্বাক্ষরকারী হচ্ছে যে প্রতিষ্ঠান থেকে খালেদা জিয়াকে পদক দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারতের রাষ্ট্রদূত আজ এখানে এসেছিলেন। আমরা দ্বিপক্ষীয় অনেকগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের অনেকগুলো চ্যানেল ত্রিপুরায় দেখা যায়। সেখানে প্রদর্শনের ক্ষেত্রে তেমন একটা প্রতিবন্ধকতা নেই। কিন্তু পশ্চিম বাংলায় এগুলো দেখা যায় না। সেখানের ব্রডকাস্টাররা অনেক টাকা চায়। এটা কীভাবে সহজ করা যায় সে প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের অনেকগুলো চ্যানেল এবং পত্রিকার রিপোর্টার কলকাতায় কাজ করেন। তাদের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক প্রতিবন্ধকতায় পড়তে হয়। তারা যেন সহজেই সেটি পায় সে বিষয়ে কথা হয়। এছাড়া দুই দেশের সমন্বয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি সিনেমা করার চুক্তি হয়েছে। সেখানে আমাদের পক্ষ থেকে তানভির মোকাম্মেলকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে একজন যুগ্ম পরিচালকের নাম দেওয়ার কথা, সেটি আমরা এখনো পাইনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

খালেদাকে পদক দিয়ে হাস্যকর পাত্র করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

অনলাইন ডেস্ক
মাদার অব ডেমোক্রেসি পদকটি দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে হাস্যকর পাত্র করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে মাদার অব ডেমোক্রেসি পদক দেওয়া হলো, আর বিএনপি জানলো সাড়ে তিন বছর পর। পুরো বিষয়টি হাস্যকর। এখানে খালেদা জিয়াকে হাসির পাত্র করা হয়েছে।

বুধবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তথ্যমন্ত্রীর দফতরে ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়াকে কানাডার একটি সংগঠন মাদার অব ডেমোক্রেসি বলে সনদ দিয়েছে। যে সংগঠনের নাম কেউ জানে না, যার জন্মেরও বেশি দিন হয়নি। এটি আবার ফখরুল সাহেবরা ২০১৭-১৮ সাল থেকে বলা শুরু করেছেন। সনদ দেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই। বিএনপি জানলো সাড়ে তিন বছর পর। আসলে পুরো বিষয়টি হাস্যকর। এখানে বেগম খালেদা জিয়াকে একদম ‘লাফিং স্টক’ হিসেবে বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, কানাডার ফেডারেল আদালত বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে রায় দিয়েছেন। সেখানে এটাও উল্লেখ করা হয়েছিল বিএনপি যেভাবে জ্বালাও পোড়াও করেছে, তারা ভবিষ্যতেও এরকম করতে পারে। সেখানে আবার একটি তথাকথিত হিউম্যান রাইটস অরগানাইজেশন থেকে তারা (বিএনপি) আবার একটি সনদ কিনেছেন।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি যে স্বনামে-বেনামে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করেছিল। সেটি আমরা বেশ কয়েকবার গণমাধ্যমের সামনে বলেছিলাম।

কিছু কিছু লবিস্ট ফার্মের সঙ্গে আবার বিদেশিদের মাধ্যমেও চুক্তি করেছিল। যার একটি চুক্তি স্বাক্ষরকারী হচ্ছে যে প্রতিষ্ঠান থেকে খালেদা জিয়াকে পদক দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারতের রাষ্ট্রদূত আজ এখানে এসেছিলেন। আমরা দ্বিপক্ষীয় অনেকগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের অনেকগুলো চ্যানেল ত্রিপুরায় দেখা যায়। সেখানে প্রদর্শনের ক্ষেত্রে তেমন একটা প্রতিবন্ধকতা নেই। কিন্তু পশ্চিম বাংলায় এগুলো দেখা যায় না। সেখানের ব্রডকাস্টাররা অনেক টাকা চায়। এটা কীভাবে সহজ করা যায় সে প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের অনেকগুলো চ্যানেল এবং পত্রিকার রিপোর্টার কলকাতায় কাজ করেন। তাদের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক প্রতিবন্ধকতায় পড়তে হয়। তারা যেন সহজেই সেটি পায় সে বিষয়ে কথা হয়। এছাড়া দুই দেশের সমন্বয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি সিনেমা করার চুক্তি হয়েছে। সেখানে আমাদের পক্ষ থেকে তানভির মোকাম্মেলকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে একজন যুগ্ম পরিচালকের নাম দেওয়ার কথা, সেটি আমরা এখনো পাইনি।