সংবাদ শিরোনাম ::
ঝালকাঠি জেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির শপথগ্রহণ সম্পন্ন বাবুগঞ্জে নিখোঁজের এক মাসেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূ আসমার। খুলনায় ৩ হাজার ৯৫৮ ইয়াবাসহ মোরেলগঞ্জের দম্পতিসহ গ্রেপ্তার ৪ রাজাপুরে ২২ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক চড়া দামে পচা মাছ বিক্রি।  রুপাতলী বাজারে বেপরোয়া মাছ ব্যবসায়ীরা  বরিশালে বাজারের জায়গা নিয়ে ভাই ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ ঝালকাঠিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ‘খাই খাই’ স্বভাব নিয়ে রফিকুল ইসলাম জামালের কঠোর সমালোচনা ও ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল বরিশালে স্বাস্থ্য বিভাগের মূল্যায়ন সভা অনুষ্ঠিত: টিকাদান ও ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা জোর দেওয়ার তাগিদ টানা বর্ষনে বেহাল বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক জীবননগর বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

বাবা-শ্বশুরের সিগারেট চুরি করে খাওয়া শ্রীলেখা ধূমপান ছেড়ে দিলেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
নবম কি দশম শ্রেণির ছাত্রী তখন। বাবার ঘর থেকে চুরি করে প্রথম ধূমপান করেন। অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘সেই প্রথম সুখটান। মনে হয়েছিল যেন স্বর্গ সুখ!’ তবে সেই সুখ আপাতত অ-সুখের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। গলায় ব্যথা। তাই ধূমপান ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

আনন্দবাজার অনলাইনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দেন তিনি। শ্রীলেখা বলেন, ‘গলায় সারাক্ষণ অস্বস্তি। দম নিতেও কষ্ট হচ্ছে। সারাক্ষণ বুকে যেন চাপ ধরা ভাব। ফুসফুসে যেন বাতাসের অভাব!’

শ্রীলেখা জানান, তিনি চিকিৎসকের কাছে গেলেই সবার আগে তাকে ধূমপান ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। তাই নিজেই সেই রাস্তায় হাঁটবেন বলে ঠিক করেছেন। ফেসবুকেও জানিয়েছেন সেই কথা। এবার সত্যি সত্যিই ধূমপান ছাড়বেন তিনি।

ধূমপান নিয়ে শ্রীলেখার ঝুলিতে অনেক মজার স্মৃতি। কথায় কথায় জানিয়েছেন, বেশ ছোট বয়স থেকে ধূমপান শুরু। বাবার অজান্তে। ঘরের ফুলদানিতে ছাই ফেলতেন। তারপর নিজের গায়ে, ঘরে ছড়িয়ে দিতাম সুগন্ধি। বাবা যাতে কিছুতেই টের না পায়। এমনই দস্যিপনা ছিলো তার।

বড় হয়ে একদিন ধরা পড়লেন বাবার হাতে। বাবা কথা শুনিয়ে বলে গেলেন, ‘এক হাট লোকের মাঝে দাঁড়িয়ে আমার মেয়ে ফুক ফুক করে ধোঁয়া ছাড়ছেন! দেখে মনে হচ্ছিল মেট্রো রেললাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করি।’

ধূমপানের কারণে বাবার হাতে মারও খেয়েছেন শ্রীলেখা। তবু ধূমপান ছাড়তে পারেননি। এই নেশা তাকে শ্বশুরমশাইয়ের ঘর থেকেও সিগারেট চুরি করতে বাধ্য করেছিল!

ধূমপান নিয়ে বলতে বলতে বাবার স্মৃতিচারণ করে আবেগে আক্রান্তও হলেন শ্রীলেখা। তিনি বলেন, ‘যে বাবার থেকে নেশা করতে শিখেছিলাম, তিনি শেষের দিকে আমার সিগারেট চুরি করে খেতেন।’

বাবার শেষ যাত্রায় তাই তার বুক পকেটে দামি সিগারেটের একটি প্যাকেট দিয়ে দিয়েছিলেন শ্রীলেখা এবং তার ভাইয়ের বৌ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবা-শ্বশুরের সিগারেট চুরি করে খাওয়া শ্রীলেখা ধূমপান ছেড়ে দিলেন

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
নবম কি দশম শ্রেণির ছাত্রী তখন। বাবার ঘর থেকে চুরি করে প্রথম ধূমপান করেন। অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘সেই প্রথম সুখটান। মনে হয়েছিল যেন স্বর্গ সুখ!’ তবে সেই সুখ আপাতত অ-সুখের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। গলায় ব্যথা। তাই ধূমপান ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

আনন্দবাজার অনলাইনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দেন তিনি। শ্রীলেখা বলেন, ‘গলায় সারাক্ষণ অস্বস্তি। দম নিতেও কষ্ট হচ্ছে। সারাক্ষণ বুকে যেন চাপ ধরা ভাব। ফুসফুসে যেন বাতাসের অভাব!’

শ্রীলেখা জানান, তিনি চিকিৎসকের কাছে গেলেই সবার আগে তাকে ধূমপান ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। তাই নিজেই সেই রাস্তায় হাঁটবেন বলে ঠিক করেছেন। ফেসবুকেও জানিয়েছেন সেই কথা। এবার সত্যি সত্যিই ধূমপান ছাড়বেন তিনি।

ধূমপান নিয়ে শ্রীলেখার ঝুলিতে অনেক মজার স্মৃতি। কথায় কথায় জানিয়েছেন, বেশ ছোট বয়স থেকে ধূমপান শুরু। বাবার অজান্তে। ঘরের ফুলদানিতে ছাই ফেলতেন। তারপর নিজের গায়ে, ঘরে ছড়িয়ে দিতাম সুগন্ধি। বাবা যাতে কিছুতেই টের না পায়। এমনই দস্যিপনা ছিলো তার।

বড় হয়ে একদিন ধরা পড়লেন বাবার হাতে। বাবা কথা শুনিয়ে বলে গেলেন, ‘এক হাট লোকের মাঝে দাঁড়িয়ে আমার মেয়ে ফুক ফুক করে ধোঁয়া ছাড়ছেন! দেখে মনে হচ্ছিল মেট্রো রেললাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করি।’

ধূমপানের কারণে বাবার হাতে মারও খেয়েছেন শ্রীলেখা। তবু ধূমপান ছাড়তে পারেননি। এই নেশা তাকে শ্বশুরমশাইয়ের ঘর থেকেও সিগারেট চুরি করতে বাধ্য করেছিল!

ধূমপান নিয়ে বলতে বলতে বাবার স্মৃতিচারণ করে আবেগে আক্রান্তও হলেন শ্রীলেখা। তিনি বলেন, ‘যে বাবার থেকে নেশা করতে শিখেছিলাম, তিনি শেষের দিকে আমার সিগারেট চুরি করে খেতেন।’

বাবার শেষ যাত্রায় তাই তার বুক পকেটে দামি সিগারেটের একটি প্যাকেট দিয়ে দিয়েছিলেন শ্রীলেখা এবং তার ভাইয়ের বৌ।