সংবাদ শিরোনাম ::
সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প

বাবুগঞ্জে সড়ক নির্মানের এক মাসেই ধস।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অগাস্ট ২০২১ ১৩৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রতিনিধি
বাবুগঞ্জ ( বরিশাল) ঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের “পাঁচ রাস্তা রাজগুরু ব্রীজ হইতে বাদশা নলি বাড়ী সিএন্ডবি পর্যন্ত” ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে আধা কিলোমিটার কার্পেটিং রাস্তাটি ধসে গেছে। কার্পেটিং করার এক মাস না যেতেই সড়কের কয়েকটি জায়গায় ধস এবং ফাটল ধরেছ আরও কিছু অংশে। এতে যানচলাচল সহ দূর্ভোগে পরেছেন এলাকার মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের “পাঁচ রাস্তা রাজগুরু ব্রীজ হইতে বাদশা নলি বাড়ী সিএন্ডবি পর্যন্ত” রাস্তাটি গত অর্থ বছরে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৫শত মিটার কার্পেটিং করা হয়। কার্পেটিং শুরুর আগেই বিভিন্ন স্থানে ফাটোল দেখা যাওয়ার পরেও ঠিকাদারের লোকজন তরিগরি করে কোন রকম কাজ সমাপ্ত করে চলে যায়। এর পরেই রাস্তার খালপারের অংশ খালে চলে যায়।

স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা মোঃ জাকির হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর অফিসে জানানোর পরেও রাস্তাটি রক্ষায় তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেননি। সরকারের এতগুলো টাকা খরচের পর মাত্র সামান্য কিছু পাইলিং বা গাইডওয়াল না থাকার কারনে রাস্তাটি খালে বিলিন হওয়ার পথে।
এলাকাবাসী রাস্তাটি রক্ষায় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান।

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ করা এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদার স্কেভেটর দিয়ে খাল খনন করার কারনেই উদ্বোধনের দুই মাসের মধ্যে সড়কের বিভিন্ন স্থান ধসে গেছে।

রাস্তার কাজের ঠিকাদার মাহাবুব রহমান রাস্তা ধসে যাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রাস্তাটি কার্পেটিং করার আগেই কয়েকটি জায়গায় খালের পাড়ের গাছপালা সহ রাস্তার কিছু অংশ দেবে গিয়ে খালের গভীরে তলিয়ে গেছে। খালের গভীরতা ও পানি বৃদ্ধির কারনেই ধস নেমেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্র জানায়, কাজের চুক্তি অনুযায়ী কাজ শেষ হওয়ার সময় থেকে আগামী এক বছর সড়কটির কোথাও ক্ষতিগ্রস্ত হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেগুলো মেরামত করতে বাধ্য থাকবে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী উপপ্রকৌশলী মোঃ কামাল হোসেন বলেন, বাবুগঞ্জে অধিকাংশ রাস্তা খালের পাড়ে। পানি উন্নয়ন বোর্ড মাঝে মাঝে খাল খনন করে। যা অধিকাংশ সময় বাধা দেই। পানি উন্নয়ন বোর্ড আমাদের অজান্তে খাল খনন করেছেন। রাস্তার পাশে খাল খনন করলে সে রাস্তা কখনোই রাখা যায়না। রাস্তার পাশে ৩ থেকে ৫ ফিট জায়গা বা শোল্ডার ছিলো। পানি উন্নয়ন বোর্ড শোলক মিলাতে দুই থেকে তিন ফিট করে কেটে ফেলছে। তাই ধসে পরেছে। খালের পানি আরও কমলে রাস্তা ধরে রাখা সম্ভব হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবুগঞ্জে সড়ক নির্মানের এক মাসেই ধস।

আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অগাস্ট ২০২১

প্রতিনিধি
বাবুগঞ্জ ( বরিশাল) ঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের “পাঁচ রাস্তা রাজগুরু ব্রীজ হইতে বাদশা নলি বাড়ী সিএন্ডবি পর্যন্ত” ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে আধা কিলোমিটার কার্পেটিং রাস্তাটি ধসে গেছে। কার্পেটিং করার এক মাস না যেতেই সড়কের কয়েকটি জায়গায় ধস এবং ফাটল ধরেছ আরও কিছু অংশে। এতে যানচলাচল সহ দূর্ভোগে পরেছেন এলাকার মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের “পাঁচ রাস্তা রাজগুরু ব্রীজ হইতে বাদশা নলি বাড়ী সিএন্ডবি পর্যন্ত” রাস্তাটি গত অর্থ বছরে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৫শত মিটার কার্পেটিং করা হয়। কার্পেটিং শুরুর আগেই বিভিন্ন স্থানে ফাটোল দেখা যাওয়ার পরেও ঠিকাদারের লোকজন তরিগরি করে কোন রকম কাজ সমাপ্ত করে চলে যায়। এর পরেই রাস্তার খালপারের অংশ খালে চলে যায়।

স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা মোঃ জাকির হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর অফিসে জানানোর পরেও রাস্তাটি রক্ষায় তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেননি। সরকারের এতগুলো টাকা খরচের পর মাত্র সামান্য কিছু পাইলিং বা গাইডওয়াল না থাকার কারনে রাস্তাটি খালে বিলিন হওয়ার পথে।
এলাকাবাসী রাস্তাটি রক্ষায় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান।

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ করা এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদার স্কেভেটর দিয়ে খাল খনন করার কারনেই উদ্বোধনের দুই মাসের মধ্যে সড়কের বিভিন্ন স্থান ধসে গেছে।

রাস্তার কাজের ঠিকাদার মাহাবুব রহমান রাস্তা ধসে যাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রাস্তাটি কার্পেটিং করার আগেই কয়েকটি জায়গায় খালের পাড়ের গাছপালা সহ রাস্তার কিছু অংশ দেবে গিয়ে খালের গভীরে তলিয়ে গেছে। খালের গভীরতা ও পানি বৃদ্ধির কারনেই ধস নেমেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্র জানায়, কাজের চুক্তি অনুযায়ী কাজ শেষ হওয়ার সময় থেকে আগামী এক বছর সড়কটির কোথাও ক্ষতিগ্রস্ত হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেগুলো মেরামত করতে বাধ্য থাকবে।

বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী উপপ্রকৌশলী মোঃ কামাল হোসেন বলেন, বাবুগঞ্জে অধিকাংশ রাস্তা খালের পাড়ে। পানি উন্নয়ন বোর্ড মাঝে মাঝে খাল খনন করে। যা অধিকাংশ সময় বাধা দেই। পানি উন্নয়ন বোর্ড আমাদের অজান্তে খাল খনন করেছেন। রাস্তার পাশে খাল খনন করলে সে রাস্তা কখনোই রাখা যায়না। রাস্তার পাশে ৩ থেকে ৫ ফিট জায়গা বা শোল্ডার ছিলো। পানি উন্নয়ন বোর্ড শোলক মিলাতে দুই থেকে তিন ফিট করে কেটে ফেলছে। তাই ধসে পরেছে। খালের পানি আরও কমলে রাস্তা ধরে রাখা সম্ভব হবে না।