সংবাদ শিরোনাম ::
সভাপতি-আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক- মনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা সবুজ বাংলাদেশ গড়তে ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫শ গাছের চারা বিতরণ করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন ৮২ নং পূর্ব চাঁদপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনীত হলেন আইটি বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষানুরাগী ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুল ইসলাম মেমনগর বি.ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রভাষক মো. মশিউর রহমান চুয়াডাঙ্গার আদালত মামলা পরিচালনা করতে যেয়ে ভুয়া আইনজীবীসহ আটক ২ গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল চুয়াডাঙ্গা থানা মোড়ে ৩০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নলছিটিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালে ওজন কম পাওয়ার অভিযোগ, ডিলার ও কর্মকর্তার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প

করোনায় স্ত্রীর মৃত্যু, অ্যাম্বুলেন্সে বসেই বিদায় জানালেন স্বামী।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ অগাস্ট ২০২১ ৮৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজকের ক্রাইম ডেক্স
করোনায় আক্রান্ত স্বামী-স্ত্রী। একজন রাজধানী ও অন্যজন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। শনিবার (৩১ জুলাই) ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান প্রিয়তমা স্ত্রী ফিরোজা বেগম।

স্ত্রীকে শেষবারের মতো দেখতে বিকেলে অ্যাম্বুলেন্সে ছুটে আসেন আবদুর রশিদ। নগরীর নবাববাড়ি এলাকায় এমন হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, হাসপাতাল থেকে স্ত্রীর মরদেহ দেখার অনুমতি মিললেও কুমিল্লা সদর উপজেলার রসুলপুর নিজ এলাকার কথিত প্রভাবশালীদের নিষেধাজ্ঞার কারণে করোনা আক্রান্ত স্বামী বাড়িতে যেতে নিষেধ করা হয়। পরে বাড়িতে যেতে না পেরে নবাববাড়িতে (মৃতদেহ গোসলের স্থান) স্ত্রীকে শেষ বারের মতো দেখতে আসেন। দূর থেকে কাফনে মোড়ানো স্ত্রীকে দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন স্বামী। এসময় সন্তান ও আত্মীয়স্বজনদের কান্নায় আশপাশের আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠে।

করোনায় মৃতদের দাফনের কাজে নিয়োজিত সংগঠন ‘বিবেক’ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু জানান, ফোনে আমাদের অনুরোধ করা হয়েছিল ফিরোজা বেগমের মরদেহ গোসলের জন্য। আমরা যখন নবাব বাড়িতে উনার মরদেহ গোসল সম্পন্ন করি। এরই মধ্যে জানতে পারি ফিরোজা বেগমের স্বামী আবদুর রশিদ বাড়িতে গিয়ে তাঁর স্ত্রীর মরদেহ শেষবারের মত দেখতে চান। তখনি তার স্বজনদের ফোনে জানতে পারলাম করোনা আক্রান্ত কাউকে গ্রামে যেতে নিষেধ করছে কে বা কারা। যে কারণে আবদুর রশিদ হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে ছুটে আসেন। এ সময় যে হৃদয়বিদারক পরিবেশ তৈরি হয়-তা বলার মত না।

তিনি আরও জানান, করোনার কারণে মানুষ মানুষকে কিভাবে এড়িয়ে যায় দেখলাম। আবার দেখলাম স্ত্রীর জন্য স্বামীর এমন ভালোবাসা। তবে এসময় আমাদের একজন আরেকজনের পাশে থাকা উচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

করোনায় স্ত্রীর মৃত্যু, অ্যাম্বুলেন্সে বসেই বিদায় জানালেন স্বামী।

আপডেট সময় : ০৯:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ অগাস্ট ২০২১

আজকের ক্রাইম ডেক্স
করোনায় আক্রান্ত স্বামী-স্ত্রী। একজন রাজধানী ও অন্যজন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। শনিবার (৩১ জুলাই) ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান প্রিয়তমা স্ত্রী ফিরোজা বেগম।

স্ত্রীকে শেষবারের মতো দেখতে বিকেলে অ্যাম্বুলেন্সে ছুটে আসেন আবদুর রশিদ। নগরীর নবাববাড়ি এলাকায় এমন হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, হাসপাতাল থেকে স্ত্রীর মরদেহ দেখার অনুমতি মিললেও কুমিল্লা সদর উপজেলার রসুলপুর নিজ এলাকার কথিত প্রভাবশালীদের নিষেধাজ্ঞার কারণে করোনা আক্রান্ত স্বামী বাড়িতে যেতে নিষেধ করা হয়। পরে বাড়িতে যেতে না পেরে নবাববাড়িতে (মৃতদেহ গোসলের স্থান) স্ত্রীকে শেষ বারের মতো দেখতে আসেন। দূর থেকে কাফনে মোড়ানো স্ত্রীকে দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন স্বামী। এসময় সন্তান ও আত্মীয়স্বজনদের কান্নায় আশপাশের আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠে।

করোনায় মৃতদের দাফনের কাজে নিয়োজিত সংগঠন ‘বিবেক’ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু জানান, ফোনে আমাদের অনুরোধ করা হয়েছিল ফিরোজা বেগমের মরদেহ গোসলের জন্য। আমরা যখন নবাব বাড়িতে উনার মরদেহ গোসল সম্পন্ন করি। এরই মধ্যে জানতে পারি ফিরোজা বেগমের স্বামী আবদুর রশিদ বাড়িতে গিয়ে তাঁর স্ত্রীর মরদেহ শেষবারের মত দেখতে চান। তখনি তার স্বজনদের ফোনে জানতে পারলাম করোনা আক্রান্ত কাউকে গ্রামে যেতে নিষেধ করছে কে বা কারা। যে কারণে আবদুর রশিদ হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে ছুটে আসেন। এ সময় যে হৃদয়বিদারক পরিবেশ তৈরি হয়-তা বলার মত না।

তিনি আরও জানান, করোনার কারণে মানুষ মানুষকে কিভাবে এড়িয়ে যায় দেখলাম। আবার দেখলাম স্ত্রীর জন্য স্বামীর এমন ভালোবাসা। তবে এসময় আমাদের একজন আরেকজনের পাশে থাকা উচিত।