সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

নাকে পেরেক ঢুকিয়ে, কান দিয়ে বিমান টেনে গড়লেন বিশ্বরেকর্ড।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মে ২০২১ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফিচার ডেস্ক
তার জন্মই যেন হয়েছে, অদ্ভুত সব কর্মকাণ্ড করার জন্য। তিনি সবসময়ই উল্টো পথের পথিক। মানুষ যেসব কর্মকাণ্ড করার কথা কল্পনাও করতে পারেন না; তিনি তা করে দেখান। তার বিভিন্ন স্টান্টগুলো দর্শকরা দেখেন আর শিহরিত হয়ে থাকেন। সবাই ভাবেন, কীভাবে তিনি এটি সম্ভব করলেন?

বলছি মার্কিন পর্বোতারোহী ও জাম্বার জনি স্ট্রেঞ্জ এর কথা। তার নামের সঙ্গে আছে স্ট্রেঞ্জ শব্দটি। কারণ তার অদ্ভুত সব কর্মকাণ্ড দেখলে সবার মুখ থেকেই অজান্তে বেরিয়ে আসে ‘স্ট্রেঞ্জ’ শব্দটি। জনি বলেন, ‘আমি অসম্ভবকে সম্ভব করতে বিশ্বাসী; আমি সবসময়ই অস্বাভাবিক এবং উদ্ভট বিষয়ে আগ্রহী।’

তার কান দু’টিকে সবাই স্টিলের বলে থাকেন। এজন্য তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘দ্য ম্যান উইথ ইয়ার্স অব স্টিল’। তার ঝুলিতে অনেক অর্জন আছে। জনি একাধারে একজন জাম্পার এবং পর্বতারোহী। এ ছাড়াও তিনি একজন অভিনেতা, কমেডিয়ান, ম্যাজিশিয়ান ও স্ট্রিট পারফর্মার। সেইসঙ্গে একজন তুখোড় স্টান্টবাজ তিনি। এ যাবৎকালে তিনি অবিশ্বাস্য সব কর্মকাণ্ড করেছেন।

১৯৮৮ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানলে আপনি রীতিমতো চমকে উঠবেন। লম্বা একটি ধারালো তলোয়ার তিনি তার মুখের মধ্যে নিয়ে গলা এমনকি পেট পর্যন্ত দিয়েও ঢুকিয়ে নিতে পারেন। সেইসঙ্গে নাক দিয়ে পেরেক ঢুকিয়ে নেওয়া, ভাঙ্গা কাচের মধ্য দিয়ে হাঁটা, আগুন খাওয়া এবং শ্বাস নেওয়া, ভাঙা কাচ এবং নখ খাওয়া ইত্যাদি কাজ তিনি হাসতে হাসতে করে থাকেন।

তার এসব কর্মকাণ্ড দেখতে গিয়ে অনেকে অজ্ঞান পর্যন্ত হয়ে গেছেন! তবুও জনি স্ট্রেঞ্জ ঠিকই তার কাজগুলো সম্পন্ন করেছেন। তার এসব কর্মকাণ্ড এতোটাই অদ্ভূত যে, অন্যরা করার কল্পনাও করেন না। আর তাইতো একের পর এক বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন তিনি। তার সব কর্মকাণ্ডই গিনেস বুকে জায়গা করে নিয়েছে।

তার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো কান দিয়ে বিমান টেনে নেওয়া। এসেক্সের নর্থ ওয়েল্ড এয়ারফিল্ডে ২০.৪ মিটারের ৬৭৭.৮ কেজি ওজনের একটি সেসনা ১৭২-পি বিমান টেনে বিশ্বরেকর্ড গড়েন তিনি। ভাবতেই পারেন, কান দিয়ে আবার বিমান টানে কীভাবে?

আসলে জনি তার কানের লতিতে বড় ছিদ্র করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে কানের লতি দিয়ে বিভিন্ন ভারি জিনিস ওঠানোর কারণে এখন ওই ছিদ্র বড় হয়েছে। সেখান দিয়ে অনয়াসায়েই বিভিন্ন রিং পড়ে ভারী বস্তু উত্তোলন করেন জনি। এজন্যই তাকে ‘স্টিলের কানওয়ালা মানুষ’ বলা হয়। ২০১৬ সালে কান দিয়ে বিমান টানার জন্য জনি গিনেস বুক অব রেকর্ডসে নাম লেখান। শুধু একটিই নয়, তার ঝুলিতে ৮টি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড আছে।

জনি জানান, মাত্র ১০ বছর বয়স থেকেই তিনি বিভিন্ন স্টান্ট করা শুরু করেন। তবে কান দিয়ে বিমান টানার বিষয়টি বেশ কষ্টকর ছিলো। এজন্য বিশেষ প্রস্তুতি নিতে হয়েছিলো। তিনি কানের লতি টেনে টেনে এতোটাই শক্ত আর প্রসারিত করেছেন যে, তা ছিঁড়ে যাওয়ার ভয় নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নাকে পেরেক ঢুকিয়ে, কান দিয়ে বিমান টেনে গড়লেন বিশ্বরেকর্ড।

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মে ২০২১

ফিচার ডেস্ক
তার জন্মই যেন হয়েছে, অদ্ভুত সব কর্মকাণ্ড করার জন্য। তিনি সবসময়ই উল্টো পথের পথিক। মানুষ যেসব কর্মকাণ্ড করার কথা কল্পনাও করতে পারেন না; তিনি তা করে দেখান। তার বিভিন্ন স্টান্টগুলো দর্শকরা দেখেন আর শিহরিত হয়ে থাকেন। সবাই ভাবেন, কীভাবে তিনি এটি সম্ভব করলেন?

বলছি মার্কিন পর্বোতারোহী ও জাম্বার জনি স্ট্রেঞ্জ এর কথা। তার নামের সঙ্গে আছে স্ট্রেঞ্জ শব্দটি। কারণ তার অদ্ভুত সব কর্মকাণ্ড দেখলে সবার মুখ থেকেই অজান্তে বেরিয়ে আসে ‘স্ট্রেঞ্জ’ শব্দটি। জনি বলেন, ‘আমি অসম্ভবকে সম্ভব করতে বিশ্বাসী; আমি সবসময়ই অস্বাভাবিক এবং উদ্ভট বিষয়ে আগ্রহী।’

তার কান দু’টিকে সবাই স্টিলের বলে থাকেন। এজন্য তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘দ্য ম্যান উইথ ইয়ার্স অব স্টিল’। তার ঝুলিতে অনেক অর্জন আছে। জনি একাধারে একজন জাম্পার এবং পর্বতারোহী। এ ছাড়াও তিনি একজন অভিনেতা, কমেডিয়ান, ম্যাজিশিয়ান ও স্ট্রিট পারফর্মার। সেইসঙ্গে একজন তুখোড় স্টান্টবাজ তিনি। এ যাবৎকালে তিনি অবিশ্বাস্য সব কর্মকাণ্ড করেছেন।

১৯৮৮ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানলে আপনি রীতিমতো চমকে উঠবেন। লম্বা একটি ধারালো তলোয়ার তিনি তার মুখের মধ্যে নিয়ে গলা এমনকি পেট পর্যন্ত দিয়েও ঢুকিয়ে নিতে পারেন। সেইসঙ্গে নাক দিয়ে পেরেক ঢুকিয়ে নেওয়া, ভাঙ্গা কাচের মধ্য দিয়ে হাঁটা, আগুন খাওয়া এবং শ্বাস নেওয়া, ভাঙা কাচ এবং নখ খাওয়া ইত্যাদি কাজ তিনি হাসতে হাসতে করে থাকেন।

তার এসব কর্মকাণ্ড দেখতে গিয়ে অনেকে অজ্ঞান পর্যন্ত হয়ে গেছেন! তবুও জনি স্ট্রেঞ্জ ঠিকই তার কাজগুলো সম্পন্ন করেছেন। তার এসব কর্মকাণ্ড এতোটাই অদ্ভূত যে, অন্যরা করার কল্পনাও করেন না। আর তাইতো একের পর এক বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন তিনি। তার সব কর্মকাণ্ডই গিনেস বুকে জায়গা করে নিয়েছে।

তার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো কান দিয়ে বিমান টেনে নেওয়া। এসেক্সের নর্থ ওয়েল্ড এয়ারফিল্ডে ২০.৪ মিটারের ৬৭৭.৮ কেজি ওজনের একটি সেসনা ১৭২-পি বিমান টেনে বিশ্বরেকর্ড গড়েন তিনি। ভাবতেই পারেন, কান দিয়ে আবার বিমান টানে কীভাবে?

আসলে জনি তার কানের লতিতে বড় ছিদ্র করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে কানের লতি দিয়ে বিভিন্ন ভারি জিনিস ওঠানোর কারণে এখন ওই ছিদ্র বড় হয়েছে। সেখান দিয়ে অনয়াসায়েই বিভিন্ন রিং পড়ে ভারী বস্তু উত্তোলন করেন জনি। এজন্যই তাকে ‘স্টিলের কানওয়ালা মানুষ’ বলা হয়। ২০১৬ সালে কান দিয়ে বিমান টানার জন্য জনি গিনেস বুক অব রেকর্ডসে নাম লেখান। শুধু একটিই নয়, তার ঝুলিতে ৮টি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড আছে।

জনি জানান, মাত্র ১০ বছর বয়স থেকেই তিনি বিভিন্ন স্টান্ট করা শুরু করেন। তবে কান দিয়ে বিমান টানার বিষয়টি বেশ কষ্টকর ছিলো। এজন্য বিশেষ প্রস্তুতি নিতে হয়েছিলো। তিনি কানের লতি টেনে টেনে এতোটাই শক্ত আর প্রসারিত করেছেন যে, তা ছিঁড়ে যাওয়ার ভয় নেই।