সংবাদ শিরোনাম ::
অনেক নির্বাহী কর্মকর্তা এলাকায় থাকতে পারেননি’, ইউএনওকে উদ্দেশ করে বিএনপি নেতার বক্তব্যে বিতর্ক উজিরপুরে নারীদের গোপন ভিডিও, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিস্কার পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় জেলহাজতে প্রেরন বিরামপুরের দিওড় ইউনিয়নে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে গুরুত্বপূর্ণ বাণী বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ভারতীয় ভেরিয়েন্টসহ দেশে করোনার ৪ ধরন শনাক্ত।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ মে ২০২১ ১২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

দেশে ভারতীয় ভেরিয়েন্টসহ করোনাভাইরাসের চারটি ধরন শনাক্ত হয়েছে।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি আইইডিসিআর, আইসিডিডিআর বি ও ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং হেলথ সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভ (আইদেশি) যৌথভাবে প্রায় ২০০টি কভিড-১৯ নমুনার সিকোস্লেপিংস করেছে। এতে বি. ১.১.৭ (যুক্তরাজ্য ভেরিয়েন্ট), বি.১.৩৫১ (সাউথ আফ্রিকা ভেরিয়েন্ট), বি.১.৫২৫ (নাইজেরিয়া ভেরিয়েন্ট) ও বি.১.৬১৭.২ (ভারত ভেরিয়েন্ট) শনাক্ত হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৯ সালে সার্স-কোভ-২ প্রথম শনাক্তের পর থেকে এখন পর্যন্ত এর অনেকগুলো ভেরিয়েন্ট পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে করোনার ভারত ভেরিয়েন্টের উপস্থিতি শনাক্তে আইইডিসিআর করোনাভাইরাস মহামারীর শুরুর পর্যায় থেকে অ্যাকটিভ কন্স সার্চ, করোনা শনাক্তকরণ, কনটাক্ট ট্রলিং ও জিনোম সিকোয়েন্সিং করছে। সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে করোনায় বিশ্বের সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

আইইডিসিআর ভারত থেকে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে রোগতাত্ত্বিক তদন্ত ও সন্দেহজনক রোগীদের জিনোম সিকোয়েন্সিং করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আইইডিসিআর এপ্রিল মাসে ভারত থেকে আসা ২৬ সন্দেহজনক করোনা রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে। এতে ছয়জনের নমুনায় বি.১.৬১৭.২ (ভারত ভেরিয়েন্ট) শনাক্ত হয়। এই ভেরিয়েন্টকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভেরিয়েট অব কনসার্ন (VOC) হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। এটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৪৪টি দেশে শনাক্ত হয়েছে।

আক্রান্ত রোগীদের সবার গত ১ থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে ভারতে (চেলাহ, ব্যাঙ্গালোর, হরিয়ানা, এবং পশ্চিমবঙ্গ) চিকিৎসার উদ্দেশে ভ্রমণের ইতিহাস রয়েছে। এই ছয়জনের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের সদস্য এবং এদের বয়স ৫ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে। তারা সবাই এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। আক্রান্তরা সবাই বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশনে ছিলেন। এদের মধ্যে একজন বয়স্ক ব্যক্তি ক্যান্সারসহ অন্যান্য জটিল রোগে ভুগছিলেন এবং পরবর্তীতে তার মৃত্যু হয়।

বাংলাদেশে শনাক্ত হওয়া এই ভারতীয় ভেরিয়েন্টের সিকোয়েন্স বৈশ্বিক ডাটাবেইস জিআইএস আইডিতে জমা দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভারতীয় ভেরিয়েন্টসহ দেশে করোনার ৪ ধরন শনাক্ত।

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ মে ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

দেশে ভারতীয় ভেরিয়েন্টসহ করোনাভাইরাসের চারটি ধরন শনাক্ত হয়েছে।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি আইইডিসিআর, আইসিডিডিআর বি ও ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং হেলথ সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভ (আইদেশি) যৌথভাবে প্রায় ২০০টি কভিড-১৯ নমুনার সিকোস্লেপিংস করেছে। এতে বি. ১.১.৭ (যুক্তরাজ্য ভেরিয়েন্ট), বি.১.৩৫১ (সাউথ আফ্রিকা ভেরিয়েন্ট), বি.১.৫২৫ (নাইজেরিয়া ভেরিয়েন্ট) ও বি.১.৬১৭.২ (ভারত ভেরিয়েন্ট) শনাক্ত হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৯ সালে সার্স-কোভ-২ প্রথম শনাক্তের পর থেকে এখন পর্যন্ত এর অনেকগুলো ভেরিয়েন্ট পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে করোনার ভারত ভেরিয়েন্টের উপস্থিতি শনাক্তে আইইডিসিআর করোনাভাইরাস মহামারীর শুরুর পর্যায় থেকে অ্যাকটিভ কন্স সার্চ, করোনা শনাক্তকরণ, কনটাক্ট ট্রলিং ও জিনোম সিকোয়েন্সিং করছে। সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে করোনায় বিশ্বের সর্বোচ্চ সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

আইইডিসিআর ভারত থেকে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে রোগতাত্ত্বিক তদন্ত ও সন্দেহজনক রোগীদের জিনোম সিকোয়েন্সিং করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আইইডিসিআর এপ্রিল মাসে ভারত থেকে আসা ২৬ সন্দেহজনক করোনা রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে। এতে ছয়জনের নমুনায় বি.১.৬১৭.২ (ভারত ভেরিয়েন্ট) শনাক্ত হয়। এই ভেরিয়েন্টকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভেরিয়েট অব কনসার্ন (VOC) হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। এটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৪৪টি দেশে শনাক্ত হয়েছে।

আক্রান্ত রোগীদের সবার গত ১ থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে ভারতে (চেলাহ, ব্যাঙ্গালোর, হরিয়ানা, এবং পশ্চিমবঙ্গ) চিকিৎসার উদ্দেশে ভ্রমণের ইতিহাস রয়েছে। এই ছয়জনের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের সদস্য এবং এদের বয়স ৫ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে। তারা সবাই এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। আক্রান্তরা সবাই বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশনে ছিলেন। এদের মধ্যে একজন বয়স্ক ব্যক্তি ক্যান্সারসহ অন্যান্য জটিল রোগে ভুগছিলেন এবং পরবর্তীতে তার মৃত্যু হয়।

বাংলাদেশে শনাক্ত হওয়া এই ভারতীয় ভেরিয়েন্টের সিকোয়েন্স বৈশ্বিক ডাটাবেইস জিআইএস আইডিতে জমা দেওয়া হয়েছে।