সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ঈদের আনন্দ নেই বিধ্বস্ত গাজায়।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মে ২০২১ ১৩৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

হামাস-ইসরায়েল লড়াই শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় ইসরাইলের অব্যাহত বিমান হামলা চলছে। সোমবার (১০ মে) দিনগত রাত থেকে এ পর্যন্ত শিশু ও এক নারীসহ ৫২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

উত্তেজনা বাড়লে সড়কগুলো অধিকাংশই খালি হয়ে যায়, লোক চলাচল নেই। দোকানপাট বন্ধ, লোকজন ঘরে অবস্থান করছেন। ইসরায়েলি আগ্রাসনের মুখে ঘরেও তারা নিরাপদ থাকতে পারছেন না।
হামাস মুখপাত্র ফাওয়াজ বারহুম বলেন, যতদিন পর্যন্ত আমাদের নাগরিকদের ওপর জায়নবাদীদের আগ্রাসন বন্ধ না হবে, ততদিন পর্যন্ত ফিলিস্তিনিরা, বিশেষ করে হামাস প্রতিরোধ আন্দোলন চালিয়ে যাবে। দখলদার বাহিনী গাজা, জেরুজালেম ও আল-আকসাকে তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে।-খবর আরব নিউজের

গাজার বিভিন্ন স্থাপনা, বাড়ি ও কৃষি এলাকায় ইসরাইলি যুদ্ধবিমান হামলা চালাচ্ছে। এছাড়া হামাস ও ইসলামী জিহাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতেও আঘাত হানছে বোমা।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, আমরা সামরিক অভিযানের মধ্যবর্তী অবস্থায় রয়েছি। হামাস ও ইসলামী জিহাদের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
এক বিবৃতিতে হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসেম ব্রিগেডস বলেছে, আগ্রাসন প্রতিরোধে আমাদের মুজাহিদেরা অবস্থান করছিল এমন জায়গায় শত্রু বিমান আঘাত হেনেছে, এতে আমরা শহীদ হয়েছি, আমাদের লোকজন নিখোঁজ হয়েছেন।
দীর্ঘ লড়াইয়ে গাজাজুড়ে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে। কেউ স্বজন হারিয়েছেন, কারও বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। আল-সাথি শরণার্থী শিবিরের তিবা ভবনের ষষ্ঠতলায় থাকেন রাশেদর আল-সাঈদ।
তিনি বলেন, বোমার আঘাতে বাড়ির ছাদ ভেঙে তার পরিবারের ওপর পড়েছে। তারা যখন সেহরি খেয়ে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, তখন এই হামলা করা হয়েছে।
বর্তমানে আলশিফা হাসপাতালের চিকিৎসাধীন ৫৭ বছর বয়সী এই ফিলিস্তিনি বলেন, এটা ছিল এক কঠিন রাত। যখন আমরা ঘুমাতে যাই, তখন আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়, বাড়ি ছাদ আমাদের ওপর ভেঙে পড়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঈদের আনন্দ নেই বিধ্বস্ত গাজায়।

আপডেট সময় : ০৪:২২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মে ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

হামাস-ইসরায়েল লড়াই শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় ইসরাইলের অব্যাহত বিমান হামলা চলছে। সোমবার (১০ মে) দিনগত রাত থেকে এ পর্যন্ত শিশু ও এক নারীসহ ৫২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

উত্তেজনা বাড়লে সড়কগুলো অধিকাংশই খালি হয়ে যায়, লোক চলাচল নেই। দোকানপাট বন্ধ, লোকজন ঘরে অবস্থান করছেন। ইসরায়েলি আগ্রাসনের মুখে ঘরেও তারা নিরাপদ থাকতে পারছেন না।
হামাস মুখপাত্র ফাওয়াজ বারহুম বলেন, যতদিন পর্যন্ত আমাদের নাগরিকদের ওপর জায়নবাদীদের আগ্রাসন বন্ধ না হবে, ততদিন পর্যন্ত ফিলিস্তিনিরা, বিশেষ করে হামাস প্রতিরোধ আন্দোলন চালিয়ে যাবে। দখলদার বাহিনী গাজা, জেরুজালেম ও আল-আকসাকে তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে।-খবর আরব নিউজের

গাজার বিভিন্ন স্থাপনা, বাড়ি ও কৃষি এলাকায় ইসরাইলি যুদ্ধবিমান হামলা চালাচ্ছে। এছাড়া হামাস ও ইসলামী জিহাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতেও আঘাত হানছে বোমা।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, আমরা সামরিক অভিযানের মধ্যবর্তী অবস্থায় রয়েছি। হামাস ও ইসলামী জিহাদের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
এক বিবৃতিতে হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসেম ব্রিগেডস বলেছে, আগ্রাসন প্রতিরোধে আমাদের মুজাহিদেরা অবস্থান করছিল এমন জায়গায় শত্রু বিমান আঘাত হেনেছে, এতে আমরা শহীদ হয়েছি, আমাদের লোকজন নিখোঁজ হয়েছেন।
দীর্ঘ লড়াইয়ে গাজাজুড়ে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে। কেউ স্বজন হারিয়েছেন, কারও বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। আল-সাথি শরণার্থী শিবিরের তিবা ভবনের ষষ্ঠতলায় থাকেন রাশেদর আল-সাঈদ।
তিনি বলেন, বোমার আঘাতে বাড়ির ছাদ ভেঙে তার পরিবারের ওপর পড়েছে। তারা যখন সেহরি খেয়ে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, তখন এই হামলা করা হয়েছে।
বর্তমানে আলশিফা হাসপাতালের চিকিৎসাধীন ৫৭ বছর বয়সী এই ফিলিস্তিনি বলেন, এটা ছিল এক কঠিন রাত। যখন আমরা ঘুমাতে যাই, তখন আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়, বাড়ি ছাদ আমাদের ওপর ভেঙে পড়ে।