সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

করোনার ভয়ে মৃতদেহ ধরল না পরিবার, শেষকৃত্য করলেন মুসলিম যুবকরা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ এপ্রিল ২০২১ ১৭৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মহামারি করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে পুরোপুরি বিধ্বস্ত ভারত। প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এমন বিপর্যস্ত অবস্থায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির গড়লেন বিহারের প্রদেশের একদল মুসলিম যুবক। করোনায় মারা গেছেন মনে করে এক নারীর মৃতদেহ ছুঁতে চায়নি তার পরিবারের সদস্যরা। শেষপর্যন্ত ওই মুসলিম যুবকরাই রীতি মেনে ওই হিন্দু নারীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে ঘটনাটি।

ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন জানায়, বিহারের গয়া জেলার ইমামগঞ্জ পুলিশ স্টেশনের তেতারিয়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। সম্প্রতি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন প্রভাবতী দেবী নামে ৫৮ বছরের ওই নারী। তাকে তড়িঘড়ি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আরটি-পিসিআর টেস্টও করা হয়। কিন্তু সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেও পরবর্তীতে চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় ওই নারীর। করোনাতেই মারা যান তিনি-এই ভয়ে ওই নারীর স্বামী এবং দুই ছেলে মৃতদেহ নিতে রাজি হননি। ফলে দীর্ঘক্ষণ গাড়িতেই পড়েছিল মৃতদেহটি। শেষপর্যন্ত খবর পেয়ে ওই নারীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে এগিয়ে আসেন মো. রফিক, মো. শারিক, মো. কালামি, মো. বারিক, মো. লাদ্দানসহ এলাকারই বেশ কয়েকজন মুসলিম যুবক।
শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে সহযোগিতাকারী শারিক বলেন, করোনার কারণেই প্রভাবতী দেবীর মৃত্যু হয়েছে-এ আশঙ্কায় এবং ভয়ে তার স্বামী বা দুই ছেলে কেউই মৃতদেহ নিতে রাজি হননি। ফলে দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গাড়িতেই পড়েছিল তার মৃতদেহ। শেষপর্যন্ত আমরা খবর পেয়ে সকালে সেখানে যাই। আমরা কয়েকজন গাড়ি থেকে মৃতদেহটি নামাই। এরপর বাঁশ দিয়ে খাট তৈরি করে শবদেহটি নিয়ে শ্মশানের উদ্দেশে রওনা হই। এমন সম্প্রতির উদাহরণ সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অনেকেই ওই মুসলিম যুবকদের কাজের প্রশংসা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

করোনার ভয়ে মৃতদেহ ধরল না পরিবার, শেষকৃত্য করলেন মুসলিম যুবকরা।

আপডেট সময় : ০৮:০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ এপ্রিল ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মহামারি করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে পুরোপুরি বিধ্বস্ত ভারত। প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এমন বিপর্যস্ত অবস্থায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির গড়লেন বিহারের প্রদেশের একদল মুসলিম যুবক। করোনায় মারা গেছেন মনে করে এক নারীর মৃতদেহ ছুঁতে চায়নি তার পরিবারের সদস্যরা। শেষপর্যন্ত ওই মুসলিম যুবকরাই রীতি মেনে ওই হিন্দু নারীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে ঘটনাটি।

ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন জানায়, বিহারের গয়া জেলার ইমামগঞ্জ পুলিশ স্টেশনের তেতারিয়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। সম্প্রতি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন প্রভাবতী দেবী নামে ৫৮ বছরের ওই নারী। তাকে তড়িঘড়ি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আরটি-পিসিআর টেস্টও করা হয়। কিন্তু সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেও পরবর্তীতে চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় ওই নারীর। করোনাতেই মারা যান তিনি-এই ভয়ে ওই নারীর স্বামী এবং দুই ছেলে মৃতদেহ নিতে রাজি হননি। ফলে দীর্ঘক্ষণ গাড়িতেই পড়েছিল মৃতদেহটি। শেষপর্যন্ত খবর পেয়ে ওই নারীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে এগিয়ে আসেন মো. রফিক, মো. শারিক, মো. কালামি, মো. বারিক, মো. লাদ্দানসহ এলাকারই বেশ কয়েকজন মুসলিম যুবক।
শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে সহযোগিতাকারী শারিক বলেন, করোনার কারণেই প্রভাবতী দেবীর মৃত্যু হয়েছে-এ আশঙ্কায় এবং ভয়ে তার স্বামী বা দুই ছেলে কেউই মৃতদেহ নিতে রাজি হননি। ফলে দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গাড়িতেই পড়েছিল তার মৃতদেহ। শেষপর্যন্ত আমরা খবর পেয়ে সকালে সেখানে যাই। আমরা কয়েকজন গাড়ি থেকে মৃতদেহটি নামাই। এরপর বাঁশ দিয়ে খাট তৈরি করে শবদেহটি নিয়ে শ্মশানের উদ্দেশে রওনা হই। এমন সম্প্রতির উদাহরণ সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অনেকেই ওই মুসলিম যুবকদের কাজের প্রশংসা করেছেন।