সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

এক সন্তানের পিতৃত্বের দাবি নিয়ে হাসপাতালে তিন বাবা! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১ ১৬৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সদ্য ভূমিষ্ঠ একটি মেয়ে শিশুর পিতৃত্বের দাবি নিয়ে হাসপাতালে হাজির হয়েছেন তিন যুবক। প্রত্যেকেই শিশুটিকে নিজের বলে দাবি করছেন। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার স্বপ্না মৈত্র নামে সন্তানসম্ভবা এক নারীকে গাঙ্গুলীবাগানের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করান দীপঙ্কর পাল নামে এক যুবক। সে সময় তিনি স্বপ্নার স্বামী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন।
রোববার স্বপ্না একটি মেয়ে সন্তান জন্ম দেন। এরপর স্বপ্না সদ্য ভূমিষ্ঠ মেয়ের ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে স্ট্যাটাস দেন। স্বপ্নার ওই স্ট্যাটাস দেখে হর্ষ ক্ষেত্রী নামে নিউটাউনের এক বাসিন্দা হাসপাতালে হাজির হন। তিনি দাবি করেন, মেয়ে ও স্ত্রী তার।

এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিপাকে পড়ে যান। বাধ্য হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নেতাজিনগর থানায় খবর দেন। এদিকে রোববার দুজনই সন্তান ও স্ত্রীর দাবি করায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাসপাতালে ঢুকতে দেননি। স্বপ্নার কেবিনের সামনে নিরাপত্তা কর্মী বসিয়ে দেওয়া হয়।
নিউটাউনের বাসিন্দা হর্ষ অবশ্য ম্যারেজ সার্টিফিকেটসহ কয়েকটি প্রমাণ দেখান। হাতে প্রমাণ পেয়ে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যখন একটু স্বস্তিবোধ করছেন তখনই ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয়। এরই মধ্যে হাসপাতালে হাজির হন প্রদীপ রায় নামে আরও এক ব্যাক্তি। তিনিও স্বপ্না ও মেয়েকে তার স্ত্রী-সন্তান বলে দাবি করেন।
জটিলতা বাড়ায় আর কোনো ঝুঁকি নেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিকে, ওই শিশুর বিষয়ে তার মা স্বপ্না এখনো কোনো মন্তব্য করেননি। কিন্তু মেয়ে আসলে কার- এর উত্তর খুঁজতে তদন্ত করছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এক সন্তানের পিতৃত্বের দাবি নিয়ে হাসপাতালে তিন বাবা! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১২:৩১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সদ্য ভূমিষ্ঠ একটি মেয়ে শিশুর পিতৃত্বের দাবি নিয়ে হাসপাতালে হাজির হয়েছেন তিন যুবক। প্রত্যেকেই শিশুটিকে নিজের বলে দাবি করছেন। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার স্বপ্না মৈত্র নামে সন্তানসম্ভবা এক নারীকে গাঙ্গুলীবাগানের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করান দীপঙ্কর পাল নামে এক যুবক। সে সময় তিনি স্বপ্নার স্বামী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন।
রোববার স্বপ্না একটি মেয়ে সন্তান জন্ম দেন। এরপর স্বপ্না সদ্য ভূমিষ্ঠ মেয়ের ছবি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে স্ট্যাটাস দেন। স্বপ্নার ওই স্ট্যাটাস দেখে হর্ষ ক্ষেত্রী নামে নিউটাউনের এক বাসিন্দা হাসপাতালে হাজির হন। তিনি দাবি করেন, মেয়ে ও স্ত্রী তার।

এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিপাকে পড়ে যান। বাধ্য হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নেতাজিনগর থানায় খবর দেন। এদিকে রোববার দুজনই সন্তান ও স্ত্রীর দাবি করায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাসপাতালে ঢুকতে দেননি। স্বপ্নার কেবিনের সামনে নিরাপত্তা কর্মী বসিয়ে দেওয়া হয়।
নিউটাউনের বাসিন্দা হর্ষ অবশ্য ম্যারেজ সার্টিফিকেটসহ কয়েকটি প্রমাণ দেখান। হাতে প্রমাণ পেয়ে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যখন একটু স্বস্তিবোধ করছেন তখনই ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয়। এরই মধ্যে হাসপাতালে হাজির হন প্রদীপ রায় নামে আরও এক ব্যাক্তি। তিনিও স্বপ্না ও মেয়েকে তার স্ত্রী-সন্তান বলে দাবি করেন।
জটিলতা বাড়ায় আর কোনো ঝুঁকি নেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিকে, ওই শিশুর বিষয়ে তার মা স্বপ্না এখনো কোনো মন্তব্য করেননি। কিন্তু মেয়ে আসলে কার- এর উত্তর খুঁজতে তদন্ত করছে পুলিশ।