সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

মাদ্রাসা নির্মাণে জমি দিলেন হিন্দু নারী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ১৯৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
মাদ্রাসা নির্মাণের জন্যে জমি প্রয়োজন। চেষ্টা করেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এগিয়ে এলেন এক হিন্দু নারী। এমন সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির ঘটনা ঘটেছে নেপালে। দেশটির গণমাধ্যম খবর হাব ডটকম-এ প্রকাশিত খবরে জানা যায়, বিষ্ণুমায়া প্রসাইন নামে নেপালের হিন্দু ধর্মীয় এক নারী সমাজকর্মী মুসলিম শিশুদের পড়াশোনার সুবিধার্থে মাদ্রাসা নির্মাণে জমি দান করেছেন। হিন্দু নারী সমাজকর্মীর মাদ্রাসার জন্য জমি দান করায় স্থানীয় মুসলিমসহ সব মানুষই তাকে স্বাগত জানিয়েছে।

খবর হাব ডটকম জানায়, মুসলিম শিশুরা যেন তাদের পড়াশোনা করতে পারে সে জন্য নেপালের পূর্বাঞ্চলীয় জাপা অঞ্চলে বসবাসকারী বিষ্ণুমায়া মাদ্রাসা নির্মাণে এ জমি দান করেন। নেপালি মুদ্রায় ১৫ লাখ রুপি মূল্যের একখণ্ড জমি দান করেন তিনি।
মাদ্রাসা প্রধান আফারুক খান জানান, ‘মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য ৮ কাঠা জমির প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় বাকী জমি অল্প মূল্যে ক্রয় করে দ্রুত মাদ্রাসা নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।’

বর্তমানে স্থানীয় মসজিদে মাদরাসাটির ৪টি ক্লাস পরিচালিত হচ্ছে। এ মাদ্রাসাটি দ্বাদশ ক্লাস পর্যন্ত পরিচালনা করতে দ্বীনি দাতাদের কাছে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে বলে জানান আফারুক খান।
বিষ্ণুমায়া প্রসাইনের এ অনুদান নেপালের হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে মধুর সম্প্রীতির বন্ধনের পরিচয়ই ফুটে ওঠেছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জমিদাত্রী হিন্দু সমাজকর্মীকে এ দানের জন্য অনুষ্ঠান করে তাকে সম্মান জানিয়েছেন।
এই এলাকায় প্রায় ১৫০টি মুসলিম পরিবারের বসবাস করে। জেলার মেয়র বোজরাজ সিতাওয়ালা বলেছেন, এই অঞ্চলে মুসলমানদের কোনও মাদ্রাসা নেই। আর এজন্য এই এলাকায় বসবাসরত মুসলিম শিশুদের শিক্ষার জন্য এই মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক বিজয়া বড়াল বলেছেন, মাদ্রাসাটি নির্মাণের ক্ষেত্রে হিন্দুদের অবদানের মাধ্যমে নেপালের হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সামাজিক সহাবস্থান এবং ধর্মীয় সহনশীলতার পরিচয় ফুটে উঠেছে।
মাদ্রাসা বোর্ডের প্রধান এক অনুষ্ঠানে এই মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য যেসব দাতারা ইতিমধ্যে অনুদান দিয়েছেন তাদের সবার প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, হিন্দু সমাজসেবক বিষ্ণুমায়া প্রসাইন মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য জমি দান করেছেন এবং এর মাধ্যমে মুসলিম শিশুরা শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মাদ্রাসা নির্মাণে জমি দিলেন হিন্দু নারী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
মাদ্রাসা নির্মাণের জন্যে জমি প্রয়োজন। চেষ্টা করেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এগিয়ে এলেন এক হিন্দু নারী। এমন সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির ঘটনা ঘটেছে নেপালে। দেশটির গণমাধ্যম খবর হাব ডটকম-এ প্রকাশিত খবরে জানা যায়, বিষ্ণুমায়া প্রসাইন নামে নেপালের হিন্দু ধর্মীয় এক নারী সমাজকর্মী মুসলিম শিশুদের পড়াশোনার সুবিধার্থে মাদ্রাসা নির্মাণে জমি দান করেছেন। হিন্দু নারী সমাজকর্মীর মাদ্রাসার জন্য জমি দান করায় স্থানীয় মুসলিমসহ সব মানুষই তাকে স্বাগত জানিয়েছে।

খবর হাব ডটকম জানায়, মুসলিম শিশুরা যেন তাদের পড়াশোনা করতে পারে সে জন্য নেপালের পূর্বাঞ্চলীয় জাপা অঞ্চলে বসবাসকারী বিষ্ণুমায়া মাদ্রাসা নির্মাণে এ জমি দান করেন। নেপালি মুদ্রায় ১৫ লাখ রুপি মূল্যের একখণ্ড জমি দান করেন তিনি।
মাদ্রাসা প্রধান আফারুক খান জানান, ‘মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য ৮ কাঠা জমির প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় বাকী জমি অল্প মূল্যে ক্রয় করে দ্রুত মাদ্রাসা নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।’

বর্তমানে স্থানীয় মসজিদে মাদরাসাটির ৪টি ক্লাস পরিচালিত হচ্ছে। এ মাদ্রাসাটি দ্বাদশ ক্লাস পর্যন্ত পরিচালনা করতে দ্বীনি দাতাদের কাছে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে বলে জানান আফারুক খান।
বিষ্ণুমায়া প্রসাইনের এ অনুদান নেপালের হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে মধুর সম্প্রীতির বন্ধনের পরিচয়ই ফুটে ওঠেছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জমিদাত্রী হিন্দু সমাজকর্মীকে এ দানের জন্য অনুষ্ঠান করে তাকে সম্মান জানিয়েছেন।
এই এলাকায় প্রায় ১৫০টি মুসলিম পরিবারের বসবাস করে। জেলার মেয়র বোজরাজ সিতাওয়ালা বলেছেন, এই অঞ্চলে মুসলমানদের কোনও মাদ্রাসা নেই। আর এজন্য এই এলাকায় বসবাসরত মুসলিম শিশুদের শিক্ষার জন্য এই মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক বিজয়া বড়াল বলেছেন, মাদ্রাসাটি নির্মাণের ক্ষেত্রে হিন্দুদের অবদানের মাধ্যমে নেপালের হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সামাজিক সহাবস্থান এবং ধর্মীয় সহনশীলতার পরিচয় ফুটে উঠেছে।
মাদ্রাসা বোর্ডের প্রধান এক অনুষ্ঠানে এই মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য যেসব দাতারা ইতিমধ্যে অনুদান দিয়েছেন তাদের সবার প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, হিন্দু সমাজসেবক বিষ্ণুমায়া প্রসাইন মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য জমি দান করেছেন এবং এর মাধ্যমে মুসলিম শিশুরা শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে না।