সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা ইউপিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে সক্রিয় জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম। ঝালকাঠিতে ১০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার ঝালকাঠিতে স্টেকহোল্ডারদের সাথে নৌ পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে শব্দযন্ত্রের অবৈধ ব্যবহার রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, দুই ট্রলারকে জরিমানা ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী পেয়ারা বাগান পরিদর্শনে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেখার যেন কেউ নেই ! বানারীপাড়া-বরিশাল সড়কে খানাখন্দে অন্তহীণ জনদুর্ভোগ বাবুগঞ্জে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি ঘটনায় ৩জনকে আসামি করে মামলা কলাপাড়ায় স্কুলের সামনে নিম্নমানের শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বরিশালে পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলন: সম্প্রীতির আহ্বান, গুণীজনদের সম্মাননা মোরেলগঞ্জে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংলাপ

ভোলায় পরকিয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীর চুল কেটে দিলো স্বামী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৩:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ ১৯১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলায় প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে মারধর করে মাথার চুল কেটে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সোমবার বোরহানউদ্দিন পৌর এলাকায় ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। চুল কাটার পর মানষিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন ওই গৃহবধূ।

অভিযুক্ত স্বামী সাইফুল ইসলাম বোরনউদ্দিনের দারুস সুন্নাত মডেল মাদরাসার শিক্ষক। দৌলতখান উপজেলার লেজপাতা গ্রামের মৃত মফিজুল ইসলামের মেয়ে খাদিজার সঙ্গে সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী গ্রামের সাইফুল ইসলামের ৮ মাস আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সাইফুলের কর্মস্থল বোরহানউদ্দিনে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন ওই দম্পত্তি। বর্তমানে ওই নারী ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

খাদিজার অভিযোগ, আগ থেকেই তার স্বামী অন্য এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় যৌতুকের টাকার জন্য মারধরও করা হয় তাকে। সর্বশেষ গত সোমবার সকালে খাদিজাকে মারধর করে তার মাথার চুল কেটে আগুনে পুড়িয়ে দেয় এবং তাকে ঘরে রেখে বাইরে তালা দিয়ে সাইফুল মাদরাসায় চলে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় বের হয়ে তিনি বাবার বাড়ি চলে আসেন। খাদিজা আরও জানান, তার বাবা না থাকায় স্বামীর দাবিমতো যৌতুক দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। এজন্য তিনি নির্যাতনের শিকার হয়েও প্রতিবাদ করেননি।

খাদিজার মা মনোয়ারা বেগম ও চাচা কয়সার আহম্মেদ জানান, মেয়েকে তারা অনেক কষ্ট করে মাদরাসায় পড়িয়েছেন। আলেম ছেলে দেখে বিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু মেয়ের সঙ্গে এমন অমানিবক আচরণ তারা মানতে পারছেন না। এদিকে পুত্রবধূকে নিতে এসে হতবাক হন সাইফুলের বাবা তৈয়বুর রহমান। বুধবার দুপুরে খাদিজাদের বাড়িতে বসে তিনি জানান, ছেলে তাকে বলেছে- খাদিজা রাগ করে চলে এসেছে। কিন্তু এসে পরিস্থিতি দেখে, ছেলের এমন ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিচার চান তিনি।

বুধবার সকাল থেকে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম আত্মগোপনে রয়েছেন জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলার রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ভিকটিমকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে গেছে। ভিকটিমের বাড়ি দৌলতখান থানায় হলেও ঘটনা ঘটেছে পাশ্ববর্তী বোরহানউদ্দিন থানায়। ওই থানার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভোলায় পরকিয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীর চুল কেটে দিলো স্বামী। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:০৩:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২০

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলায় প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে মারধর করে মাথার চুল কেটে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সোমবার বোরহানউদ্দিন পৌর এলাকায় ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। চুল কাটার পর মানষিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন ওই গৃহবধূ।

অভিযুক্ত স্বামী সাইফুল ইসলাম বোরনউদ্দিনের দারুস সুন্নাত মডেল মাদরাসার শিক্ষক। দৌলতখান উপজেলার লেজপাতা গ্রামের মৃত মফিজুল ইসলামের মেয়ে খাদিজার সঙ্গে সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী গ্রামের সাইফুল ইসলামের ৮ মাস আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সাইফুলের কর্মস্থল বোরহানউদ্দিনে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন ওই দম্পত্তি। বর্তমানে ওই নারী ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

খাদিজার অভিযোগ, আগ থেকেই তার স্বামী অন্য এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় যৌতুকের টাকার জন্য মারধরও করা হয় তাকে। সর্বশেষ গত সোমবার সকালে খাদিজাকে মারধর করে তার মাথার চুল কেটে আগুনে পুড়িয়ে দেয় এবং তাকে ঘরে রেখে বাইরে তালা দিয়ে সাইফুল মাদরাসায় চলে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় বের হয়ে তিনি বাবার বাড়ি চলে আসেন। খাদিজা আরও জানান, তার বাবা না থাকায় স্বামীর দাবিমতো যৌতুক দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। এজন্য তিনি নির্যাতনের শিকার হয়েও প্রতিবাদ করেননি।

খাদিজার মা মনোয়ারা বেগম ও চাচা কয়সার আহম্মেদ জানান, মেয়েকে তারা অনেক কষ্ট করে মাদরাসায় পড়িয়েছেন। আলেম ছেলে দেখে বিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু মেয়ের সঙ্গে এমন অমানিবক আচরণ তারা মানতে পারছেন না। এদিকে পুত্রবধূকে নিতে এসে হতবাক হন সাইফুলের বাবা তৈয়বুর রহমান। বুধবার দুপুরে খাদিজাদের বাড়িতে বসে তিনি জানান, ছেলে তাকে বলেছে- খাদিজা রাগ করে চলে এসেছে। কিন্তু এসে পরিস্থিতি দেখে, ছেলের এমন ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিচার চান তিনি।

বুধবার সকাল থেকে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম আত্মগোপনে রয়েছেন জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলার রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ভিকটিমকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে গেছে। ভিকটিমের বাড়ি দৌলতখান থানায় হলেও ঘটনা ঘটেছে পাশ্ববর্তী বোরহানউদ্দিন থানায়। ওই থানার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।