সংবাদ শিরোনাম ::
দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীরের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন চুয়াডাঙ্গার জেলা জামায়াতের জেলা আমির এমপি রুহুল আমিনের শপথ ঘোড়াঘাটে গবাদিপশুর খাদ্য সংকট জানাযার খাদ্যের দাম বৃদ্ধি বিপাকে গরুর মালিক ও খামারিরা চুয়াডাঙ্গার বালিকা বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান!লিখন,পরে মুছন

অধিকাংশ ধর্ষণ মামলা হয়, মধুর সম্পর্ক টক হলে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২০ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
মধুর সম্পর্ক টক হয়ে যাওয়ার পরই অধিকাংশ নারী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। এমন বক্তব্য দিয়েছেন ভারতের চত্তিশগড়ের মহিলা কমিশনের প্রধান।

ধারণা করা হয়, দেশটিতে ধর্ষণের বেশিরভাগ ঘটনাই পর্দার আড়ালে থেকে যায়। এ অবস্থায় চত্তিশগড় মহিলা কমিশনের প্রধানের বক্তব্য নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। যা ভুক্তভোগীদের আইনি সুরক্ষা চাওয়ার ক্ষেত্রে অনুৎসাহী করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কিরানমায়ি নায়েক বলেন, একজন বিবাহিত পুরুষ কোনো মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ালো। পরে মেয়েটি বুঝতে পারলো পুরুষটি তার সাথে প্রতারণা করেছে। তার দায়িত্ব সে পুরুষ নেবে না। তখন অধিকাংশ নারী পুলিশে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করে।
শুক্রবার বিলাসপুরে নারী হয়রানি বিষয়ক গণশুনানিতে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বেশিরভাগ মামলায় দেখা গেছে, পুরুষটির সঙ্গে নারীর মধুর সম্পর্ক ছিল। তারা একসাথে থেকেছে। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরই মেয়েটি ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছে।
নায়েক আরও বলেন, আমাদের চেষ্টা থাকে যতবেশি পারিবারিক সমস্যা আপসের মাধ্যমে সমাধানের। এক্ষেত্রে নারী এবং পুরুষ উভয়কে আমরা তিরস্কার করি। পারিবারিক সংকটের বিষয়গুলো তাদের বুঝিয়ে বলি।
‘অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের প্রতি আমার আহ্বান, ফিল্মি রোমান্সের ফাঁদে পা দিও না। তোমার পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং তোমার সারাজীবন বরবাদ হয়ে যাবে। নতুন একটি চল শুরু হয়েছে। কিছু কিছু মানুষ ১৮ বছর বয়সে বিয়ে করছে। কিছু বছর পর যখন দম্পতির সন্তান জন্ম হয়, তখন স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে জীবনযাপনে নানা ধরনের সমস্যা খুঁজে পায়।’
২০১৯ সালে ভারতে প্রতিদিন গড়ে ৮৭টি ধর্ষণের মামলা হয়েছে। ওই বছর নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে ৪ লাখ। যা ২০১৮ সালের চেয়ে ৭ শতাংশ বেশি। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর সবশেষ পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে আসে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সরকারি পরিসংখ্যান বলে দেয়, ধর্ষণের বিরুদ্ধে মামলা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এখনও নিষিদ্ধ হিসেবে গণ্য করা হয়। ধর্ষণের পর হত্যার করা হলে, সেগুলো শুধু হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হয় না। এসব ক্ষেত্রে পুলিশের গাফিলতি রয়েছে বলেও তাদের অভিযোগ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অধিকাংশ ধর্ষণ মামলা হয়, মধুর সম্পর্ক টক হলে। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:৩০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
মধুর সম্পর্ক টক হয়ে যাওয়ার পরই অধিকাংশ নারী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। এমন বক্তব্য দিয়েছেন ভারতের চত্তিশগড়ের মহিলা কমিশনের প্রধান।

ধারণা করা হয়, দেশটিতে ধর্ষণের বেশিরভাগ ঘটনাই পর্দার আড়ালে থেকে যায়। এ অবস্থায় চত্তিশগড় মহিলা কমিশনের প্রধানের বক্তব্য নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। যা ভুক্তভোগীদের আইনি সুরক্ষা চাওয়ার ক্ষেত্রে অনুৎসাহী করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কিরানমায়ি নায়েক বলেন, একজন বিবাহিত পুরুষ কোনো মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ালো। পরে মেয়েটি বুঝতে পারলো পুরুষটি তার সাথে প্রতারণা করেছে। তার দায়িত্ব সে পুরুষ নেবে না। তখন অধিকাংশ নারী পুলিশে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করে।
শুক্রবার বিলাসপুরে নারী হয়রানি বিষয়ক গণশুনানিতে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বেশিরভাগ মামলায় দেখা গেছে, পুরুষটির সঙ্গে নারীর মধুর সম্পর্ক ছিল। তারা একসাথে থেকেছে। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরই মেয়েটি ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছে।
নায়েক আরও বলেন, আমাদের চেষ্টা থাকে যতবেশি পারিবারিক সমস্যা আপসের মাধ্যমে সমাধানের। এক্ষেত্রে নারী এবং পুরুষ উভয়কে আমরা তিরস্কার করি। পারিবারিক সংকটের বিষয়গুলো তাদের বুঝিয়ে বলি।
‘অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েদের প্রতি আমার আহ্বান, ফিল্মি রোমান্সের ফাঁদে পা দিও না। তোমার পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং তোমার সারাজীবন বরবাদ হয়ে যাবে। নতুন একটি চল শুরু হয়েছে। কিছু কিছু মানুষ ১৮ বছর বয়সে বিয়ে করছে। কিছু বছর পর যখন দম্পতির সন্তান জন্ম হয়, তখন স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে জীবনযাপনে নানা ধরনের সমস্যা খুঁজে পায়।’
২০১৯ সালে ভারতে প্রতিদিন গড়ে ৮৭টি ধর্ষণের মামলা হয়েছে। ওই বছর নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে ৪ লাখ। যা ২০১৮ সালের চেয়ে ৭ শতাংশ বেশি। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর সবশেষ পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে আসে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সরকারি পরিসংখ্যান বলে দেয়, ধর্ষণের বিরুদ্ধে মামলা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এখনও নিষিদ্ধ হিসেবে গণ্য করা হয়। ধর্ষণের পর হত্যার করা হলে, সেগুলো শুধু হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হয় না। এসব ক্ষেত্রে পুলিশের গাফিলতি রয়েছে বলেও তাদের অভিযোগ।