সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

কোনো দম্পতি সন্তান জন্ম দিলে আর্থিক সহায়তা দেবে চীন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০ ১৪৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
কোনো দম্পতি আরও সন্তান নিতে চাইলে তাদের সহায়তা দেবে চীনা সরকার। সম্প্রতি দেশটি জনসংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। সারাবিশ্বে করোনার কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চীনেও মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে এনেছে করোনা।

দেশটিতে বয়স্ক লোকজনের সংখ্যা বাড়ছে। আবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সে কারণেই জনসংখ্যা বৃদ্ধির দিকে দৃষ্টি দিচ্ছে সরকার। চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটিতে বয়স্ক জনসংখ্যা বাড়ছেই। এই সমস্যা সমাধানের জন্য শিশু জন্মের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

চায়না ডেইলির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনে প্রবীণদের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে এবং একই সঙ্গে অন্যান্য দেশের মতো চীনও এখন পর্যন্ত করোনার প্রকোপ থেকে মুক্ত হতে পারেনি। তবে সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত চীনে করোনা ভাইরাসের কারণে সাড়ে চার হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। যা অনেক দেশের চেয়েই কম।

বর্তমানে চীন সেই সব দম্পতিদের আর্থিক সহায়তা দিতে চলেছে যারা আরও শিশুর জন্ম দিতে চাচ্ছেন। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনা পপুলেশন অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইউয়ান জানিয়েছেন, জনসংখ্যা-সম্পর্কিত একটি উন্নত নীতি চালু করা হবে।

১৯৭৮ সালে চীন ‘এক সন্তান’ নীতি ঘোষণা করেছিল। এই নীতি লঙ্ঘনকারী দম্পতিদের জরিমানাও করা হয়। এমনকি তাদের চাকরিও কেড়ে নেওয়া হয়। প্রচুর পরিমাণে গর্ভপাতও করা হয়েছিল। সে সময়, চীনের লক্ষ্য ছিল দেশের দারিদ্র্য হ্রাস করা। কারণ চীনে জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল। ২০১৫ সালে চীন এক্ষেত্রে ছাড় দেয় এবং লোকজনকে দ্বিতীয় সন্তান নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

চীনের একাডেমি অব সোস্যাল সাইন্সের বিশেষজ্ঞ ঝেং বিংওয়েন রয়টার্সকে বলেন, ‘বয়স্ক জনসংখ্যা স্রোত সক্রিয়ভাবে মোকাবেলা করার জন্য আমাদের দেশের পরিবার পরিকল্পনা নীতিগুলো সংস্কার এবং দম্পতিদের আরও সন্তান গ্রহণের অনুমতি দেওয়া প্রয়োজন।’

গত বছরের শেষ দিকের হিসাব অনুযায়ী, চীনে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের সংখ্যা ২৫ কোটির বেশি। যা দেশের মোট জনসংখ্যার ১৮ ভাগেরও বেশি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কোনো দম্পতি সন্তান জন্ম দিলে আর্থিক সহায়তা দেবে চীন। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:০৪:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
কোনো দম্পতি আরও সন্তান নিতে চাইলে তাদের সহায়তা দেবে চীনা সরকার। সম্প্রতি দেশটি জনসংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। সারাবিশ্বে করোনার কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চীনেও মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে এনেছে করোনা।

দেশটিতে বয়স্ক লোকজনের সংখ্যা বাড়ছে। আবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সে কারণেই জনসংখ্যা বৃদ্ধির দিকে দৃষ্টি দিচ্ছে সরকার। চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটিতে বয়স্ক জনসংখ্যা বাড়ছেই। এই সমস্যা সমাধানের জন্য শিশু জন্মের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

চায়না ডেইলির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনে প্রবীণদের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে এবং একই সঙ্গে অন্যান্য দেশের মতো চীনও এখন পর্যন্ত করোনার প্রকোপ থেকে মুক্ত হতে পারেনি। তবে সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত চীনে করোনা ভাইরাসের কারণে সাড়ে চার হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। যা অনেক দেশের চেয়েই কম।

বর্তমানে চীন সেই সব দম্পতিদের আর্থিক সহায়তা দিতে চলেছে যারা আরও শিশুর জন্ম দিতে চাচ্ছেন। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনা পপুলেশন অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইউয়ান জানিয়েছেন, জনসংখ্যা-সম্পর্কিত একটি উন্নত নীতি চালু করা হবে।

১৯৭৮ সালে চীন ‘এক সন্তান’ নীতি ঘোষণা করেছিল। এই নীতি লঙ্ঘনকারী দম্পতিদের জরিমানাও করা হয়। এমনকি তাদের চাকরিও কেড়ে নেওয়া হয়। প্রচুর পরিমাণে গর্ভপাতও করা হয়েছিল। সে সময়, চীনের লক্ষ্য ছিল দেশের দারিদ্র্য হ্রাস করা। কারণ চীনে জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল। ২০১৫ সালে চীন এক্ষেত্রে ছাড় দেয় এবং লোকজনকে দ্বিতীয় সন্তান নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

চীনের একাডেমি অব সোস্যাল সাইন্সের বিশেষজ্ঞ ঝেং বিংওয়েন রয়টার্সকে বলেন, ‘বয়স্ক জনসংখ্যা স্রোত সক্রিয়ভাবে মোকাবেলা করার জন্য আমাদের দেশের পরিবার পরিকল্পনা নীতিগুলো সংস্কার এবং দম্পতিদের আরও সন্তান গ্রহণের অনুমতি দেওয়া প্রয়োজন।’

গত বছরের শেষ দিকের হিসাব অনুযায়ী, চীনে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের সংখ্যা ২৫ কোটির বেশি। যা দেশের মোট জনসংখ্যার ১৮ ভাগেরও বেশি।