সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

এক ইঞ্চি জমিও ছাড় না দেয়ার ঘোষণা চীনের। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৮৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে ভারত ও চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকের পরেও দু’দেশের সীমান্ত বিরোধ মেটার কোনো ইঙ্গিত মিলেনি। বরং শনিবার চীনা সরকারের তরফে পূর্ব লাদাখের পরিস্থিতির জন্য সরাসরি ভারতকেই দোষী সাব্যস্ত করেছে।

জানানো হল, চীন এক ইঞ্চি জমিও ছেড়ে দেবে না। উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলার জন্যও ভারতের দিকে আঙুল তুলল বেইজিং।

এদিকে উত্তেজনা প্রশমনে শুক্রবার মস্কোয় চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেংঘির সঙ্গে দু’ঘণ্টার বৈঠকে বসেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

এদিকে শনিবার সকালে চীনের সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, ‘চীন-ভারত সীমান্তে সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণ ও বাস্তবতা দু’টিই খুব স্পষ্ট। এই উত্তেজনা সৃষ্টি, জিইয়ে রাখা ও বাড়িয়ে তোলার জন্য ভারতই পুরোপুরিভাবে দায়ী। এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে রাজি নয় চীন।

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ও অখণ্ডতা বজায় রাখতে চীনের সেনাবাহিনী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, সক্ষম ও আত্মবিশ্বাসী। ’’
এদিকে পাল্টা বিবৃতিতে ভারত জানিয়েছে, বিপুল সেনা সমাবেশ, আগ্রাসী মনোভাব ও স্থিতাবস্থা ভেঙে দেওয়ার ব্যাপারে চীনের তৎপরতা দ্বিপাক্ষিক চুক্তির শর্তগুলি পুরোপুরি লঙ্ঘন করছে। ’’

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ও অখণ্ডতা বজায় রাখতে ভারতও বদ্ধপরিকর। ভারতীয় এলাকাগুলি থেকে কত দ্রুত চীন তার সেনাবাহিনী সরিয়ে নিচ্ছে্, তার উপরেই নজর রাখছে দিল্লি। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় শান্তি ও সুস্থিতি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরিয়ে আনতে সার্বিকভাবে সেনা অপসারণের জন্য কূটনৈতিক ও সামরিক বাহিনী স্তরে দু’দেশের আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাওয়াটাই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সীমান্ত নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে ভারত ও চীনের মধ্যে। সম্প্রতি লাদাখ সীমান্তে চীনা সেনাদের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হয়। এ ঘটনার পর উত্তেজনা আরও তীব্র হয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমান্ত এলাকায় সৈন্য ও যুদ্ধ সরঞ্জাম বৃদ্ধি করেছে উভয় দেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এক ইঞ্চি জমিও ছাড় না দেয়ার ঘোষণা চীনের। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৫২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে ভারত ও চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকের পরেও দু’দেশের সীমান্ত বিরোধ মেটার কোনো ইঙ্গিত মিলেনি। বরং শনিবার চীনা সরকারের তরফে পূর্ব লাদাখের পরিস্থিতির জন্য সরাসরি ভারতকেই দোষী সাব্যস্ত করেছে।

জানানো হল, চীন এক ইঞ্চি জমিও ছেড়ে দেবে না। উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলার জন্যও ভারতের দিকে আঙুল তুলল বেইজিং।

এদিকে উত্তেজনা প্রশমনে শুক্রবার মস্কোয় চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেংঘির সঙ্গে দু’ঘণ্টার বৈঠকে বসেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

এদিকে শনিবার সকালে চীনের সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, ‘চীন-ভারত সীমান্তে সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণ ও বাস্তবতা দু’টিই খুব স্পষ্ট। এই উত্তেজনা সৃষ্টি, জিইয়ে রাখা ও বাড়িয়ে তোলার জন্য ভারতই পুরোপুরিভাবে দায়ী। এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে রাজি নয় চীন।

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ও অখণ্ডতা বজায় রাখতে চীনের সেনাবাহিনী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, সক্ষম ও আত্মবিশ্বাসী। ’’
এদিকে পাল্টা বিবৃতিতে ভারত জানিয়েছে, বিপুল সেনা সমাবেশ, আগ্রাসী মনোভাব ও স্থিতাবস্থা ভেঙে দেওয়ার ব্যাপারে চীনের তৎপরতা দ্বিপাক্ষিক চুক্তির শর্তগুলি পুরোপুরি লঙ্ঘন করছে। ’’

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ও অখণ্ডতা বজায় রাখতে ভারতও বদ্ধপরিকর। ভারতীয় এলাকাগুলি থেকে কত দ্রুত চীন তার সেনাবাহিনী সরিয়ে নিচ্ছে্, তার উপরেই নজর রাখছে দিল্লি। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় শান্তি ও সুস্থিতি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরিয়ে আনতে সার্বিকভাবে সেনা অপসারণের জন্য কূটনৈতিক ও সামরিক বাহিনী স্তরে দু’দেশের আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাওয়াটাই এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সীমান্ত নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে ভারত ও চীনের মধ্যে। সম্প্রতি লাদাখ সীমান্তে চীনা সেনাদের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হয়। এ ঘটনার পর উত্তেজনা আরও তীব্র হয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমান্ত এলাকায় সৈন্য ও যুদ্ধ সরঞ্জাম বৃদ্ধি করেছে উভয় দেশ।