সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

নাতিকে বাঁচাতে গুলির সামনে বুক পেতে দিলেন দাদু! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
নাতিকে বাঁচাতে গুলির সামনে বুক পেতে দিলেন দাদু!
নাতিকে নিয়ে সকাল বেলায় দুধ কিনতে বাজারে যাচ্ছিলেন কাশ্মীরের বাসিন্দা বশির। কথায় বলে বিপদ কখনও বলে আসে না। বিপদ যে মাঝ রাস্তায় কে জানতো। হঠাৎ ভারতের সিআরপিএ জওয়ানদের কনভয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে স্বাধীনতাকামীরা।
পাল্টা গুলি চালায় ভারতীয় সেনারাও। আর সেই গুলির মাঝে পড়ে যান কাশ্মীরের বাসিন্দা বশির আর নাতি আয়াত। নাতিকে বাঁচাতে নিজের শরীরই গুলির দিকে পেতে দিয়েছিলেন বশির। ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। দাদুর মরদেহের সামনেই ঘোরাঘুরি করছিল শিশুটি।
সেই মুহূর্তে সিআরপিএফ জওয়ানরা বাচ্চাটিকে বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। জঙ্গিদের গুলি আটকাতে বুলেটপ্রুফ গাড়ি এনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। অবশ্য তার আগেই গোলাগুলির মাঝে ৮০ মিটার হামাগুড়ি দিয়ে বাচ্চাটির কাছে পৌঁছে যান সো আর পি এদের ৯৫ ব্যটেলিয়ানের জওয়ান পবন কুমার চৌবে। বাচ্চাটিকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর গুলি লাগার প্রবল সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু তিনি সেসব ভাবেননি। ওই সময় বাচ্চাটিকে বাঁচানোই তাঁর কাছে আসল লক্ষ্য ছিল।
পবন জানিয়েছেন, বাচ্চাটি তার দাদুর মৃত দেহের আশপাশে ঘুরছিল। কখনও আবার দাদুর মৃতদেহের ওপর গিয়ে বসছিল। পবন ও তাঁর সঙ্গীরা সেটা দেখতে পেয়ে তৎপর হয়ে ওঠেন। এরপরই পবন জীবন বাজি রেখে বাচ্চাটিকে বাঁচাতে যান। সেই সময় জঙ্গিরা এলোপাতাড়ি ফায়ারিং করছিল। কোনো রকমে বাচ্চাটিকে বাঁচিয়ে আনেন পবন।
রক্তে মাখামাখি নানার মরদেহ আর নাতির কান্নার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে যায়।
কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের এ সংঘর্ষের খবরটা তাই আর পাঁচটা দিনের চেয়ে আলাদা হয়ে ঝাঁকিয়ে দিয়েছে ভারতসহ গোটা বিশ্বকে।
জম্মু কাশ্মীরের সোপোর এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সিআরপিএফের কনভয়ে হামলা চালায় সেখানকার স্বাধীনতাকামীরা। হামলায় নিহত হয় ভারতের একজন জওয়ান। আর গুরুতর আহত হয়েছেন তিনজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নাতিকে বাঁচাতে গুলির সামনে বুক পেতে দিলেন দাদু! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৮:১৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
নাতিকে বাঁচাতে গুলির সামনে বুক পেতে দিলেন দাদু!
নাতিকে নিয়ে সকাল বেলায় দুধ কিনতে বাজারে যাচ্ছিলেন কাশ্মীরের বাসিন্দা বশির। কথায় বলে বিপদ কখনও বলে আসে না। বিপদ যে মাঝ রাস্তায় কে জানতো। হঠাৎ ভারতের সিআরপিএ জওয়ানদের কনভয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে স্বাধীনতাকামীরা।
পাল্টা গুলি চালায় ভারতীয় সেনারাও। আর সেই গুলির মাঝে পড়ে যান কাশ্মীরের বাসিন্দা বশির আর নাতি আয়াত। নাতিকে বাঁচাতে নিজের শরীরই গুলির দিকে পেতে দিয়েছিলেন বশির। ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। দাদুর মরদেহের সামনেই ঘোরাঘুরি করছিল শিশুটি।
সেই মুহূর্তে সিআরপিএফ জওয়ানরা বাচ্চাটিকে বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। জঙ্গিদের গুলি আটকাতে বুলেটপ্রুফ গাড়ি এনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। অবশ্য তার আগেই গোলাগুলির মাঝে ৮০ মিটার হামাগুড়ি দিয়ে বাচ্চাটির কাছে পৌঁছে যান সো আর পি এদের ৯৫ ব্যটেলিয়ানের জওয়ান পবন কুমার চৌবে। বাচ্চাটিকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর গুলি লাগার প্রবল সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু তিনি সেসব ভাবেননি। ওই সময় বাচ্চাটিকে বাঁচানোই তাঁর কাছে আসল লক্ষ্য ছিল।
পবন জানিয়েছেন, বাচ্চাটি তার দাদুর মৃত দেহের আশপাশে ঘুরছিল। কখনও আবার দাদুর মৃতদেহের ওপর গিয়ে বসছিল। পবন ও তাঁর সঙ্গীরা সেটা দেখতে পেয়ে তৎপর হয়ে ওঠেন। এরপরই পবন জীবন বাজি রেখে বাচ্চাটিকে বাঁচাতে যান। সেই সময় জঙ্গিরা এলোপাতাড়ি ফায়ারিং করছিল। কোনো রকমে বাচ্চাটিকে বাঁচিয়ে আনেন পবন।
রক্তে মাখামাখি নানার মরদেহ আর নাতির কান্নার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে যায়।
কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের এ সংঘর্ষের খবরটা তাই আর পাঁচটা দিনের চেয়ে আলাদা হয়ে ঝাঁকিয়ে দিয়েছে ভারতসহ গোটা বিশ্বকে।
জম্মু কাশ্মীরের সোপোর এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সিআরপিএফের কনভয়ে হামলা চালায় সেখানকার স্বাধীনতাকামীরা। হামলায় নিহত হয় ভারতের একজন জওয়ান। আর গুরুতর আহত হয়েছেন তিনজন।