সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী আটক সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির পাওনা পরিবারকে বুঝিয়ে দিল সমকাল কর্তৃপক্ষ কাঠালিয়া আমুয়া জিরো পয়েন্ট থেকে মনস্বিতা কলেজ সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন, রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি। বাবুগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, গাছের সঙ্গে ধাক্কা। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা যাত্রীরা দর্শনায় কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেফতার কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের জরুরি বৈঠক: অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিরসন ও ঐক্যের সংকল্প ঘোড়াঘাটে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বাল্যবিবাহ , ঝুঁকিতে কিশোরীদের ভবিষ্যৎ ঘোড়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আলোচনা সভা কাঠালিয়াতে অটোকে সাইড দিতে গিয়ে দেবে গেল বিআরটিসি বাস, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা সুমন হত্যার বিচার ও খুনির ফাঁসির দাবিতে কবাই ইউনিয়ন বিএনপির মানববন্ধন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পরীক্ষা নেয়ার নির্দেশ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২০ ১৮৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: করোনার প্রভাবে সারা দেশে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও নেত্রকোনা সদর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পরীক্ষা নেয়ার নির্দেশ দিলেন শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদ করিম। এ নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
একাধিক শিক্ষক জানান, সরকারি কোনো নির্দেশ না থাকার পরও সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদ করিম উপজেলার দুই শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের প্রশ্নপত্র তৈরি করে শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রশ্নপত্র ও খাতা দেয়ার নির্দেশ দেন।

আগামী ১৫ জুনের মধ্যে নির্দেশ কার্যকর করার জন্য শিক্ষদের বলেন। ওই শিক্ষা কর্মকর্তা গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার তার অফিসে কতিপয় শিক্ষক নিয়ে আলোচনা করে এ নির্দেশ দেন। এ নিয়ে সদর উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

নেত্রকোনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দুলদুল জাহিদ বলেন, করোনার কারণে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। পরীক্ষা নেয়ার সরকারি কোনো নির্দেশনা নেই। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে পরীক্ষা নেয়ার জন্য আমাদেরকে বলেছেন। বিষয়টি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

নেত্রকোনা সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদ করিম বলেন, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করে বাড়িতে গিয়ে দেয়ার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে নির্দেশ দিয়েছি। আমিতো সরকারের বাইরের কেউ নই, সরকারেরই অংশ।

নেত্রকোনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ওয়ালীউল্লাহ বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য কোনো নির্দেশনা পাইনি। পরীক্ষা গ্রহণের জন্য শিক্ষকদের বলার কথা শুনেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পরীক্ষা নেয়ার নির্দেশ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:২২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: করোনার প্রভাবে সারা দেশে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও নেত্রকোনা সদর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পরীক্ষা নেয়ার নির্দেশ দিলেন শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদ করিম। এ নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
একাধিক শিক্ষক জানান, সরকারি কোনো নির্দেশ না থাকার পরও সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদ করিম উপজেলার দুই শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের প্রশ্নপত্র তৈরি করে শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রশ্নপত্র ও খাতা দেয়ার নির্দেশ দেন।

আগামী ১৫ জুনের মধ্যে নির্দেশ কার্যকর করার জন্য শিক্ষদের বলেন। ওই শিক্ষা কর্মকর্তা গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার তার অফিসে কতিপয় শিক্ষক নিয়ে আলোচনা করে এ নির্দেশ দেন। এ নিয়ে সদর উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।

নেত্রকোনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দুলদুল জাহিদ বলেন, করোনার কারণে বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। পরীক্ষা নেয়ার সরকারি কোনো নির্দেশনা নেই। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে পরীক্ষা নেয়ার জন্য আমাদেরকে বলেছেন। বিষয়টি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

নেত্রকোনা সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদ করিম বলেন, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করে বাড়িতে গিয়ে দেয়ার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে নির্দেশ দিয়েছি। আমিতো সরকারের বাইরের কেউ নই, সরকারেরই অংশ।

নেত্রকোনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ওয়ালীউল্লাহ বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য কোনো নির্দেশনা পাইনি। পরীক্ষা গ্রহণের জন্য শিক্ষকদের বলার কথা শুনেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।