সংবাদ শিরোনাম ::
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

দেশ যতো এগিয়ে যাচ্ছে চুয়াডাঙ্গা জেলাতে বাড়ছে বহুতলা ভবন।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২০ ৪২৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি/মোঃ মোক্তারুজ্জামান জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা::-

চারপাশে জাল দিয়ে ঢেকে ও নিরাপত্তা-মাচা তৈরি করে বহুতল ভবন নির্মাণের বিধান থাকলেও মানছে না কৃতপক্ষ। তবে নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের মালিকপক্ষ বা নির্মাণ প্রতিষ্ঠান অনেক ক্ষেত্রেই তা মানছে না। ফলে নির্মাণাধীন ভবনগুলো পথচারীদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট পড়ে পথচারীর মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। পত্রপত্রিকায় খবর ছাপা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন প্রয়ই ভবনের ওপর থেকে ইট, কাঠ, পাথর, রড, বাঁশ, যন্ত্রপাতি, পাইপসহ নির্মাণসামগ্রী পড়ে আহত হওয়ার ঘটনা অনেক আছে এই চুয়াডাঙ্গা জেলাতে তবে এসব ঘটনার প্রধান শিকার পথচারী। নির্মাণাধীন ভবনের নিচ দিয়ে যাতায়াত করা বা পার করা যানবাহনেরও ক্ষতি হচ্ছে। সরোজমিনে দেখা গেছে শুধু পথচারীই নয় ভবন নির্মানকারী শ্রমিকও ভবন থেকে পড়ে বা নির্মান সামগ্রী পড়ে আহত হচ্ছে এমনকি নিহতের মতো ঘটনাও ঘটচ্ছে। পথচারী ও শ্রমিক যেই আহত বা নিহত হোক না কেনো মালিক পক্ষ শতভাগ নিরাপত্তা দিতে উদাসিনতা দেখান ৯৮% সময়। মাত্র কযেক বছর আগেও চুয়াডাঙ্গা শহর বা চুয়াডাঙ্গা জেলাতে ২ তলা বিশিষ্ট হাতে গোনা মাত্র কয়েকটি ভবন ছিলো। যেমন দামুড়হুদা, দর্শনা, জীবননগর ও আলমডাঙ্গা সহ বিভিন্ন এলাকায়। দেশ উন্নয়নশীল থেকে উন্নতদেশের দিকে যতো এগিয়ে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকার সাথে পাল্লা দিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলাতে বাড়ছে বহুতল ভবন। এগুলোর বেশীর ভাগই বানিজ্যিক তবে বানিজ্যিক ভবনের পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানা আবাসিক ভবনও কম নয়। চুয়াডাঙ্গা ব্যবসা বানিজ্য, চাকুরী সহ মানুষের দৈনন্দিন জীবনমান অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সব ভবন নির্মান করতে শ্রমিক ও পথচারীর নিরাপত্তা অনেকাংশেই পুর্ন ব্যক্তি মালিকানা আবাসিক ভবন তৈরীতে কোন ভাবেই শ্রমিক ও পথচারীর নিরাপত্তা মানা হচ্ছে না বলে মনে করেন জেলার সাধারন মানুষ। এমনকি নিয়মিত ভাবে ভবন থেকে বাঁশ, খুটি, রড, ইট ও খোয়া পড়ে পথচারী আহত হওয়ার ঘটনা প্রতিদিন ঘটছে বেশ কিছু ভবন মালিককে আজকের ক্রাইম নিউজ এর সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কথা বললে এখন সে নাম মাত্র নেট দিয়ে ঘিরলেও ঐ নেটে কিছুই আটকাচ্ছে না বলে জানান এলাকাবাসী। চুয়াডাঙ্গা সচেতন মহল মনে করেন ভবন মালিক দের আরো সচেতন হতে হবে এবং আইন না মেনে কাজ করলে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তবে প্রশাসনকে আরো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এই কামনা করেন চুয়াডাঙ্গা এলাকার জনসাধারণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দেশ যতো এগিয়ে যাচ্ছে চুয়াডাঙ্গা জেলাতে বাড়ছে বহুতলা ভবন।

আপডেট সময় : ১২:১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২০

মোঃ মিনারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি/মোঃ মোক্তারুজ্জামান জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা::-

চারপাশে জাল দিয়ে ঢেকে ও নিরাপত্তা-মাচা তৈরি করে বহুতল ভবন নির্মাণের বিধান থাকলেও মানছে না কৃতপক্ষ। তবে নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের মালিকপক্ষ বা নির্মাণ প্রতিষ্ঠান অনেক ক্ষেত্রেই তা মানছে না। ফলে নির্মাণাধীন ভবনগুলো পথচারীদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট পড়ে পথচারীর মৃত্যু ও আহত হওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। পত্রপত্রিকায় খবর ছাপা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন প্রয়ই ভবনের ওপর থেকে ইট, কাঠ, পাথর, রড, বাঁশ, যন্ত্রপাতি, পাইপসহ নির্মাণসামগ্রী পড়ে আহত হওয়ার ঘটনা অনেক আছে এই চুয়াডাঙ্গা জেলাতে তবে এসব ঘটনার প্রধান শিকার পথচারী। নির্মাণাধীন ভবনের নিচ দিয়ে যাতায়াত করা বা পার করা যানবাহনেরও ক্ষতি হচ্ছে। সরোজমিনে দেখা গেছে শুধু পথচারীই নয় ভবন নির্মানকারী শ্রমিকও ভবন থেকে পড়ে বা নির্মান সামগ্রী পড়ে আহত হচ্ছে এমনকি নিহতের মতো ঘটনাও ঘটচ্ছে। পথচারী ও শ্রমিক যেই আহত বা নিহত হোক না কেনো মালিক পক্ষ শতভাগ নিরাপত্তা দিতে উদাসিনতা দেখান ৯৮% সময়। মাত্র কযেক বছর আগেও চুয়াডাঙ্গা শহর বা চুয়াডাঙ্গা জেলাতে ২ তলা বিশিষ্ট হাতে গোনা মাত্র কয়েকটি ভবন ছিলো। যেমন দামুড়হুদা, দর্শনা, জীবননগর ও আলমডাঙ্গা সহ বিভিন্ন এলাকায়। দেশ উন্নয়নশীল থেকে উন্নতদেশের দিকে যতো এগিয়ে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকার সাথে পাল্লা দিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলাতে বাড়ছে বহুতল ভবন। এগুলোর বেশীর ভাগই বানিজ্যিক তবে বানিজ্যিক ভবনের পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানা আবাসিক ভবনও কম নয়। চুয়াডাঙ্গা ব্যবসা বানিজ্য, চাকুরী সহ মানুষের দৈনন্দিন জীবনমান অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সব ভবন নির্মান করতে শ্রমিক ও পথচারীর নিরাপত্তা অনেকাংশেই পুর্ন ব্যক্তি মালিকানা আবাসিক ভবন তৈরীতে কোন ভাবেই শ্রমিক ও পথচারীর নিরাপত্তা মানা হচ্ছে না বলে মনে করেন জেলার সাধারন মানুষ। এমনকি নিয়মিত ভাবে ভবন থেকে বাঁশ, খুটি, রড, ইট ও খোয়া পড়ে পথচারী আহত হওয়ার ঘটনা প্রতিদিন ঘটছে বেশ কিছু ভবন মালিককে আজকের ক্রাইম নিউজ এর সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কথা বললে এখন সে নাম মাত্র নেট দিয়ে ঘিরলেও ঐ নেটে কিছুই আটকাচ্ছে না বলে জানান এলাকাবাসী। চুয়াডাঙ্গা সচেতন মহল মনে করেন ভবন মালিক দের আরো সচেতন হতে হবে এবং আইন না মেনে কাজ করলে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তবে প্রশাসনকে আরো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এই কামনা করেন চুয়াডাঙ্গা এলাকার জনসাধারণ।