সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে,

পুলিশের রিভালবারে কি উনি কনডম পরিয়ে রেখেছিলেন। আজকের ক্রাইম নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ৩৭৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক::পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে নিয়ে কুরুচিকর ভাষায় মন্তব্য করেছেন বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার। ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় পশ্চিমবঙ্গজুড়ে চলা বিক্ষোভে মমতার প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগ তুলতে গিয়ে তিনি এ অশ্লীল মন্তব্য করেন। তবে মমতাকে নিয়ে করা সুভাষের এ মন্তব্য চলমান আন্দোলনে আগুনে ঘি ঢেলে দেওয়ার মতোই মনে করছেন অনেকে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত রোববার বীরভূমের কোটাসুর গ্রামে বিজেপির একটি দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। বিজেপির দুই সাংসদ সুভাষ সরকার ও জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো গতকাল বুধবার ঘটনাস্থলে যান।

সেখানেই মমতাকে আক্রমণ করতে গিয়ে সুভাষ সরকার বলেন, ‘মমতা ব্যানার্জি যে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন সিএএ আইনের বিরোধিতা করার জন্য, সেই ডাকে কারা সাড়া দিয়েছেন? তাদের পোশাক কী ছিল? পোশাক দেখেই বুঝতে পারা যাচ্ছে এই আন্দোলনে কারা তার সঙ্গী। কোনো সাধারণ মানুষ নেই।’

বক্তব্যের এক পর্যায়ে শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে বিজেপির এই সাংসদ বলেন, ‘এই মমতা ব্যানার্জির দাড়িভিটে ছাত্ররা যখন বাংলার মাস্টারমশাই চাইল, তাদের বুকে গুলি মেরে দিল। আর যখন জিহাদিরা, অনুপ্রবেশকারীরা ট্রেন ভাঙছে, পুলিশ মারছে, আরপিএফ মারছে তখন পুলিশের রিভলবারে-বন্দুকে তিনি কী লাগিয়ে রেখেছেন? পুলিশের রিভালবারে কি উনি কনডম পরিয়ে রেখেছিলেন?’

তবে সুভাষের এ বক্তব্যের পর থেকে তার সমালোচনা করছেন অনেকেই। সবার প্রশ্ন, উনি একজন সাংসদ হয়ে এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করতে পারেন! সাধারণ মানুষের কাছে এতে কী বার্তা যায়?

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিজেপির পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পুলিশের রিভালবারে কি উনি কনডম পরিয়ে রেখেছিলেন। আজকের ক্রাইম নিউজ

আপডেট সময় : ০৬:১৯:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক::পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে নিয়ে কুরুচিকর ভাষায় মন্তব্য করেছেন বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার। ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় পশ্চিমবঙ্গজুড়ে চলা বিক্ষোভে মমতার প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগ তুলতে গিয়ে তিনি এ অশ্লীল মন্তব্য করেন। তবে মমতাকে নিয়ে করা সুভাষের এ মন্তব্য চলমান আন্দোলনে আগুনে ঘি ঢেলে দেওয়ার মতোই মনে করছেন অনেকে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত রোববার বীরভূমের কোটাসুর গ্রামে বিজেপির একটি দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। বিজেপির দুই সাংসদ সুভাষ সরকার ও জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো গতকাল বুধবার ঘটনাস্থলে যান।

সেখানেই মমতাকে আক্রমণ করতে গিয়ে সুভাষ সরকার বলেন, ‘মমতা ব্যানার্জি যে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন সিএএ আইনের বিরোধিতা করার জন্য, সেই ডাকে কারা সাড়া দিয়েছেন? তাদের পোশাক কী ছিল? পোশাক দেখেই বুঝতে পারা যাচ্ছে এই আন্দোলনে কারা তার সঙ্গী। কোনো সাধারণ মানুষ নেই।’

বক্তব্যের এক পর্যায়ে শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে বিজেপির এই সাংসদ বলেন, ‘এই মমতা ব্যানার্জির দাড়িভিটে ছাত্ররা যখন বাংলার মাস্টারমশাই চাইল, তাদের বুকে গুলি মেরে দিল। আর যখন জিহাদিরা, অনুপ্রবেশকারীরা ট্রেন ভাঙছে, পুলিশ মারছে, আরপিএফ মারছে তখন পুলিশের রিভলবারে-বন্দুকে তিনি কী লাগিয়ে রেখেছেন? পুলিশের রিভালবারে কি উনি কনডম পরিয়ে রেখেছিলেন?’

তবে সুভাষের এ বক্তব্যের পর থেকে তার সমালোচনা করছেন অনেকেই। সবার প্রশ্ন, উনি একজন সাংসদ হয়ে এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করতে পারেন! সাধারণ মানুষের কাছে এতে কী বার্তা যায়?

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিজেপির পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।