সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

শেখ হাসিনার কাছে বিএনপির অনেক কিছু শেখার আছে: তথ্যমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২১ ৯৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি বিএনপি ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চরম অমানবিকতা দেখিয়েছেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং তার স্ত্রী খালেদা জিয়াসহ যারা এমন অমানবিকতা প্রদর্শন করেছেন, তাদের প্রতি কিন্তু মানবিক আচরণ দেখিয়েছেন আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা। এখানে থেকে বিএনপি শেখার অনেক কিছু রয়েছে।

শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই মস্তব্য করেন তিনি।

সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর ১৯৮১ সালে আমাদের নেত্রী যখন দেশে ফেরত এসেছিলেন, তখন তিনি ৩২ নাম্বার বাড়িতে একটি মিলাদ পড়াতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান ৩২ নম্বর বাড়িতে আমাদের নেত্রীকে ঢুকতে দেয়নি। তাকে রাস্তায় বসে মিলাদ পড়াতে হয়েছিল।

তখন মানবাধিকারের কথা মনে ছিল না?
২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হত্যা করা হলো, পার্লামেন্টে যখন একটি শোক প্রস্তাব পালন করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হলো, বিএনপি নেতারা তখন হাস্যরস করে বলেছিলেন- শেখ হাসিনা নিজে গ্রেনেড নিয়ে গিয়েছিলেন আর খালেদা জিয়া মুচকি মুচকি হাসছিলেন। তখন মানবাধিকার মনে ছিল না যখন বেগম খালেদা জিয়া নিজের জন্মদিনের তারিখটা বদলে দিয়ে ১৫ আগস্ট কেক কাটেন। জন্মদিন যখন আপনারা পালন করেন তখন, মানবাধিকার মনে থাকে না!

মন্ত্রী বলেন, আমরা মানবাধিকার রক্ষায় সভা সেমিনার করবো, কিন্তু নিজের ঘরের মানবাধিকার রক্ষা করবো না। এটা তো হতে পারে না।

তাই মানবাধিকার রক্ষা নিজের ঘর থেকে আগে শুরু করতে হবে।
আলোচনা সভায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া, মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা মোহাম্মদ আবেদ আলী, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন উপদেষ্টা পরিষদ চেয়ারম্যান র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, ঢাকাস্থ ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েন্টসিল, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক ও জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশীদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

শেখ হাসিনার কাছে বিএনপির অনেক কিছু শেখার আছে: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৩৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২১

অনলাইন ডেস্ক

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি বিএনপি ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চরম অমানবিকতা দেখিয়েছেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং তার স্ত্রী খালেদা জিয়াসহ যারা এমন অমানবিকতা প্রদর্শন করেছেন, তাদের প্রতি কিন্তু মানবিক আচরণ দেখিয়েছেন আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা। এখানে থেকে বিএনপি শেখার অনেক কিছু রয়েছে।

শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই মস্তব্য করেন তিনি।

সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর ১৯৮১ সালে আমাদের নেত্রী যখন দেশে ফেরত এসেছিলেন, তখন তিনি ৩২ নাম্বার বাড়িতে একটি মিলাদ পড়াতে চেয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান ৩২ নম্বর বাড়িতে আমাদের নেত্রীকে ঢুকতে দেয়নি। তাকে রাস্তায় বসে মিলাদ পড়াতে হয়েছিল।

তখন মানবাধিকারের কথা মনে ছিল না?
২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হত্যা করা হলো, পার্লামেন্টে যখন একটি শোক প্রস্তাব পালন করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হলো, বিএনপি নেতারা তখন হাস্যরস করে বলেছিলেন- শেখ হাসিনা নিজে গ্রেনেড নিয়ে গিয়েছিলেন আর খালেদা জিয়া মুচকি মুচকি হাসছিলেন। তখন মানবাধিকার মনে ছিল না যখন বেগম খালেদা জিয়া নিজের জন্মদিনের তারিখটা বদলে দিয়ে ১৫ আগস্ট কেক কাটেন। জন্মদিন যখন আপনারা পালন করেন তখন, মানবাধিকার মনে থাকে না!

মন্ত্রী বলেন, আমরা মানবাধিকার রক্ষায় সভা সেমিনার করবো, কিন্তু নিজের ঘরের মানবাধিকার রক্ষা করবো না। এটা তো হতে পারে না।

তাই মানবাধিকার রক্ষা নিজের ঘর থেকে আগে শুরু করতে হবে।
আলোচনা সভায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া, মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা মোহাম্মদ আবেদ আলী, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন উপদেষ্টা পরিষদ চেয়ারম্যান র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, ঢাকাস্থ ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েন্টসিল, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক ও জাতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশীদ।