সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

গোঠা সিলেট জুড়ে গ্রাম গঞ্জে করোনার থাবা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১ ১২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: গোঠা সিলেট জুড়ে ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসের আক্রামনে ১৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। যাহা সিলেটের জন্য সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড হিসেবে ধরা হচ্ছে। একই সময়ে ১ হাজার ৮৭০ নমুনা পরীক্ষা করে নতুন ৭৩৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এটিও সিলেট বিভাগে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড।
বুধবার (২৮ জুলাই) সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ্য যে ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে ৩৪১ জন, সুনামগঞ্জে ১১৬, হবিগঞ্জে ৫৪ এবং মৌলভীবাজারে ২২৫ জন শনাক্ত হয়েছেন। সব মিলে সিলেট বিভাগে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ৬৫৪ জন।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, যারা করোনা ভাইরাসে পরিক্ষা করতে আসছেন শহরের হাসপাতাল কিংবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর বেশির ভাগ মানুষ হচ্ছে গ্রামের মানুষ। অনেকের জ্বার সর্দি কাশি রোগে ভূগছেন,অনেকের আবার সর্দি কাশি ছাড়া পরীক্ষা করাচ্ছেন করোনা। বেশির ভাগ শনাক্তের সংখ্যা বেশি হচ্ছে বলে জানা যায়।
এর মধ্যে সিলেট জেলায় ২০ হাজার ৮০০ জন, সুনামগঞ্জে ৪ হাজার ৩২২ জন, হবিগঞ্জে ৪ হাজার ৩৪৭ জন এবং মৌলভীবাজারে ৫ হাজার ১০৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
এদিকে, জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামীণ জনপদে ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা। জানাজানি হবে এই ভেবে করোনাক্রান্তগণ ভয়ে নীরবে নিজ বাড়িতে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে কোন নিয়ম কানুন মানছে না কেউ। মৌলভীবাজারে রাজনগর উপজেলার কুশিয়ারা তীরবর্তী এলাকায় করোনার সব উপসর্গ নিয়ে পরীক্ষা না করে সম্প্রতি কয়েকজন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকে গ্রামের হাতুড়ে চিকিৎসকের শরনাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, করোনা মহামারি থেকে মানুষ বাঁচাতে এসব এলাকায় সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের তদারকি জরুরী হয়ে পড়েছে। নইলে ঘরে ঘরে নিয়মিত মৃত্যুর সংখ্যা গুনতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গোঠা সিলেট জুড়ে গ্রাম গঞ্জে করোনার থাবা।

আপডেট সময় : ০৩:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: গোঠা সিলেট জুড়ে ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসের আক্রামনে ১৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। যাহা সিলেটের জন্য সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড হিসেবে ধরা হচ্ছে। একই সময়ে ১ হাজার ৮৭০ নমুনা পরীক্ষা করে নতুন ৭৩৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এটিও সিলেট বিভাগে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড।
বুধবার (২৮ জুলাই) সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ্য যে ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে ৩৪১ জন, সুনামগঞ্জে ১১৬, হবিগঞ্জে ৫৪ এবং মৌলভীবাজারে ২২৫ জন শনাক্ত হয়েছেন। সব মিলে সিলেট বিভাগে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ৬৫৪ জন।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, যারা করোনা ভাইরাসে পরিক্ষা করতে আসছেন শহরের হাসপাতাল কিংবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর বেশির ভাগ মানুষ হচ্ছে গ্রামের মানুষ। অনেকের জ্বার সর্দি কাশি রোগে ভূগছেন,অনেকের আবার সর্দি কাশি ছাড়া পরীক্ষা করাচ্ছেন করোনা। বেশির ভাগ শনাক্তের সংখ্যা বেশি হচ্ছে বলে জানা যায়।
এর মধ্যে সিলেট জেলায় ২০ হাজার ৮০০ জন, সুনামগঞ্জে ৪ হাজার ৩২২ জন, হবিগঞ্জে ৪ হাজার ৩৪৭ জন এবং মৌলভীবাজারে ৫ হাজার ১০৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
এদিকে, জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামীণ জনপদে ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা। জানাজানি হবে এই ভেবে করোনাক্রান্তগণ ভয়ে নীরবে নিজ বাড়িতে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে কোন নিয়ম কানুন মানছে না কেউ। মৌলভীবাজারে রাজনগর উপজেলার কুশিয়ারা তীরবর্তী এলাকায় করোনার সব উপসর্গ নিয়ে পরীক্ষা না করে সম্প্রতি কয়েকজন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকে গ্রামের হাতুড়ে চিকিৎসকের শরনাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, করোনা মহামারি থেকে মানুষ বাঁচাতে এসব এলাকায় সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের তদারকি জরুরী হয়ে পড়েছে। নইলে ঘরে ঘরে নিয়মিত মৃত্যুর সংখ্যা গুনতে হবে।