সংবাদ শিরোনাম ::
ঘোড়াঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কে মৃত্যুফাঁদ! ৮টি স্থান দুর্ঘটনাপ্রবণ, বাড়ছে প্রাণহানি; গতিসীমা নিয়ন্ত্রণে সড়ক বিভাগ,ইউএনও ওসির কাছে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবী ঘোড়াঘাটে শিশুর পায়ুপথে বাতাস রক্তারক্ত জখম দোকান মালিক গ্রেফতার ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুরে নানা কর্মসূচিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন দর্শনায় ক্যাডেট একাডেমিতে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিএসএফের গুলিতে জীবননগরে বাংলাদেশি আহত স্বর্ণ ব্যবসায়ী আটক ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী উন্মুক্ত সভা, ৩০ সদস্যের কমিটি গঠন চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭৪, আটক ১৯ কিশোর ঝালকাঠিতে মাদকবিরোধী মাসুক স্মৃতি মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ইকবাল সোবহান চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন

হাসপাতাল মর্গে সারি সারি মরদেহ (ভিডিও)।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ এপ্রিল ২০২১ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ওয়েব ডেস্ক

মহামারিতে এ যাবতকালের সবচেয়ে প্রাণঘাতি দিনটি পার করেছে ভারত। বুধবার (২৮ এপ্রিল) দেশটিতে তিন হাজার ২৯৩ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভারতে করোনায় মৃতের সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়েছে।

যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, সত্যিকারের প্রাণহানির সংখ্যা সরকারি হিসাবের দ্বিগুণ বা তার চেয়ে বেশি হবে। কারণ ভারতে ৮০ শতাংশ মৃত্যু সরকারি হিসাবে নথিভুক্ত করা হয়নি। ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড ডেইলি মেইল এমন খবর দিয়েছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় তিন লাখ ৬০ হাজার ৯৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন এই রেকর্ডে হাসপাতালগুলো রোগীতে ভরে গেছে। ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে বলা যায়। কবে যে এই সংকটের অবসান হবে—তাও বলা যাচ্ছে না।

আহমেদাবাদ ও গুজরাটে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, হাসপাতালের মর্গে সারি সারি মরদেহ পড়ে আছে। লাশ দাফন করতে ও দাহ করতে নিয়ে যাওয়ার জন্য স্বজনেরা অপেক্ষা করছেন।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরভিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, যে অতিসংক্রামক ধরনের কারণে করোনার নতুন এই ঢেউ, তাতে হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। মূলত করোনার এই ধরনের আক্রান্ত হলে তাতে সুস্থ হতে দীর্ঘ সময় লাগে।
বিবিসি রেডিও ৪-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা নরেন্দ্র তানেজা বলেন, ভারতে করোনায় সঠিক মৃত্যুর সংখ্যা কেউ বলতে পারবে না। তবে সরকারের ইচ্ছাকৃত প্রাণহানির সঠিক সংখ্যা গোপন করার কথা অস্বীকার করেন তিনি।
বিজেপির এই নেতা বলেন, ভারতের মতো এই বিশাল দেশে মৃত্যুর সংখ্যা আড়াল করা সম্ভব না। কাজেই হিসাবে কোনো গড়মিল থাকলে তা বেরিয়ে আসবে।
অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ ও জীববিদ্যার অধ্যাপক গৌতম মেনন বলেন, যেসব মানুষকে রক্ষা করা যেত, তারাও এখন মারা যাচ্ছেন। বিভিন্ন রাজ্যের মৃত্যুর সংখ্যা খুবই কম করে দেখানো হচ্ছে।
নয়াদিল্লিতে একটি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস পরিচালনা করেন জিতেন্দ্র সিং শান্তি। তিনি বলেন, যারা বাড়িতে মারা যাচ্ছেন, তাদের হিসাবে রাখা হচ্ছে না। যদি তাদেরও হিসাব করা হতো, তাহলে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১০ থেকে ৫০ জন হতো।
তিনি বলেন, যখন আমি বাড়িতে যাই, আমার শরীর থেকে পোড়া মাংসের গন্ধ আসে। আমার জীবনে এত মরদেহ কোনোদিন দেখিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হাসপাতাল মর্গে সারি সারি মরদেহ (ভিডিও)।

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ এপ্রিল ২০২১

ওয়েব ডেস্ক

মহামারিতে এ যাবতকালের সবচেয়ে প্রাণঘাতি দিনটি পার করেছে ভারত। বুধবার (২৮ এপ্রিল) দেশটিতে তিন হাজার ২৯৩ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভারতে করোনায় মৃতের সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়েছে।

যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, সত্যিকারের প্রাণহানির সংখ্যা সরকারি হিসাবের দ্বিগুণ বা তার চেয়ে বেশি হবে। কারণ ভারতে ৮০ শতাংশ মৃত্যু সরকারি হিসাবে নথিভুক্ত করা হয়নি। ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড ডেইলি মেইল এমন খবর দিয়েছে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় তিন লাখ ৬০ হাজার ৯৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন এই রেকর্ডে হাসপাতালগুলো রোগীতে ভরে গেছে। ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে বলা যায়। কবে যে এই সংকটের অবসান হবে—তাও বলা যাচ্ছে না।

আহমেদাবাদ ও গুজরাটে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, হাসপাতালের মর্গে সারি সারি মরদেহ পড়ে আছে। লাশ দাফন করতে ও দাহ করতে নিয়ে যাওয়ার জন্য স্বজনেরা অপেক্ষা করছেন।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরভিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, যে অতিসংক্রামক ধরনের কারণে করোনার নতুন এই ঢেউ, তাতে হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। মূলত করোনার এই ধরনের আক্রান্ত হলে তাতে সুস্থ হতে দীর্ঘ সময় লাগে।
বিবিসি রেডিও ৪-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা নরেন্দ্র তানেজা বলেন, ভারতে করোনায় সঠিক মৃত্যুর সংখ্যা কেউ বলতে পারবে না। তবে সরকারের ইচ্ছাকৃত প্রাণহানির সঠিক সংখ্যা গোপন করার কথা অস্বীকার করেন তিনি।
বিজেপির এই নেতা বলেন, ভারতের মতো এই বিশাল দেশে মৃত্যুর সংখ্যা আড়াল করা সম্ভব না। কাজেই হিসাবে কোনো গড়মিল থাকলে তা বেরিয়ে আসবে।
অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ ও জীববিদ্যার অধ্যাপক গৌতম মেনন বলেন, যেসব মানুষকে রক্ষা করা যেত, তারাও এখন মারা যাচ্ছেন। বিভিন্ন রাজ্যের মৃত্যুর সংখ্যা খুবই কম করে দেখানো হচ্ছে।
নয়াদিল্লিতে একটি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস পরিচালনা করেন জিতেন্দ্র সিং শান্তি। তিনি বলেন, যারা বাড়িতে মারা যাচ্ছেন, তাদের হিসাবে রাখা হচ্ছে না। যদি তাদেরও হিসাব করা হতো, তাহলে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১০ থেকে ৫০ জন হতো।
তিনি বলেন, যখন আমি বাড়িতে যাই, আমার শরীর থেকে পোড়া মাংসের গন্ধ আসে। আমার জীবনে এত মরদেহ কোনোদিন দেখিনি।