সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

ভিন্ন সম্প্রদায়ের মেয়েকে বিয়ে, জামাইকে কুপিয়ে মারলেন শ্যালকরা! আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২১ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
ভারতে বিয়ের নামে ধর্মান্তরণ প্রতিরোধী আইন নিয়ে বিতর্ক সমালোচনার মধ্যেই একের পর এক নৃশংস ঘটনা সামনে আসছে। অন্য সম্প্রদায়ের মেয়েকে বিয়ে করায়, এক যুবককে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে তারই শ্যালকদের বিরুদ্ধে।

ভারতের হরিয়ানা পুলিশ জানায়, একবার, দু’বার নয়, ছুরি দিয়ে মোট ১২ বার কোপানো হয় ওই যুবককে।
শুক্রবার (০১ জানুয়ারি) রাতে হরিয়ানার পানিপথে ব্যস্ত বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পরে নৃশংস এই দৃশ্য। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত যুবকের নাম নীরজ (২৩)। একই এলাকায় মেয়ে কোমলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। এ বছর নভেম্বর মাসেই সাতপাকে বাঁধা পড়েন দু’জনে। কিন্তু নীরজ যেহেতু তাদের সম্প্রদায়ের ছেলে নয়, তাই এই বিয়েতে প্রথম থেকেই আপত্তি ছিল কোমলের পরিবারের। তাদের অমতে, গ্রাম পঞ্চায়েতে লিখিত মুচলেকা দিয়ে নীরজের গলায় মালা দেন কোমল।
কিন্তু কোমলের পরিবার এই বিয়ে মেনে নিতে পারেনি বলে অভিযোগ। নীরজের ভাই জগদীশ জানিয়েছেন, কোমলের পরিবারের তরফে বেশ কিছুদিন ধরেই নীরজকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। মুখোমুখি কথা বলতে চেয়ে শুক্রবার তাকে বাজার সংলগ্ন এলাকায় ডেকে পাঠান কোমলের বড় ভাইয়েরা।
জগদীশ বলেন, ‘দাদা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরেই কোমলকে ফোন করেন ওর দাদারা। বলেন, খুব শিগগিরই ওকে কাঁদতে হবে। তার পরেই দাদার মৃত্যুর খবর পাই আমরা। এমনকি তার পরেও ওই বাড়ি থেকে হুমকি আসে। বলা হয়, আরও অনেকের রক্ত ঝরবে।’
পানিপথের ডেপুটি পুলিশ সুপার সতীশ কুমার বৎস জানান, ‘ছেলেটির পরিবারের আপত্তি ছিল না। মেয়েটিও রাজি ছিলেন। গ্রাম পঞ্চায়েতের সভায় মুচলেকা দিয়ে বিয়ে সম্পন্ন হয়। কিন্তু মেয়েটির দাদাদের এই বিয়েতে সম্মতি ছিল না। তাই ক্রমাগত হুমকি দিয়ে যাচ্ছিলেন।’ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভিন্ন সম্প্রদায়ের মেয়েকে বিয়ে, জামাইকে কুপিয়ে মারলেন শ্যালকরা! আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০১:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২১

অনলাইন ডেস্ক
ভারতে বিয়ের নামে ধর্মান্তরণ প্রতিরোধী আইন নিয়ে বিতর্ক সমালোচনার মধ্যেই একের পর এক নৃশংস ঘটনা সামনে আসছে। অন্য সম্প্রদায়ের মেয়েকে বিয়ে করায়, এক যুবককে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে তারই শ্যালকদের বিরুদ্ধে।

ভারতের হরিয়ানা পুলিশ জানায়, একবার, দু’বার নয়, ছুরি দিয়ে মোট ১২ বার কোপানো হয় ওই যুবককে।
শুক্রবার (০১ জানুয়ারি) রাতে হরিয়ানার পানিপথে ব্যস্ত বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পরে নৃশংস এই দৃশ্য। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত যুবকের নাম নীরজ (২৩)। একই এলাকায় মেয়ে কোমলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। এ বছর নভেম্বর মাসেই সাতপাকে বাঁধা পড়েন দু’জনে। কিন্তু নীরজ যেহেতু তাদের সম্প্রদায়ের ছেলে নয়, তাই এই বিয়েতে প্রথম থেকেই আপত্তি ছিল কোমলের পরিবারের। তাদের অমতে, গ্রাম পঞ্চায়েতে লিখিত মুচলেকা দিয়ে নীরজের গলায় মালা দেন কোমল।
কিন্তু কোমলের পরিবার এই বিয়ে মেনে নিতে পারেনি বলে অভিযোগ। নীরজের ভাই জগদীশ জানিয়েছেন, কোমলের পরিবারের তরফে বেশ কিছুদিন ধরেই নীরজকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। মুখোমুখি কথা বলতে চেয়ে শুক্রবার তাকে বাজার সংলগ্ন এলাকায় ডেকে পাঠান কোমলের বড় ভাইয়েরা।
জগদীশ বলেন, ‘দাদা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরেই কোমলকে ফোন করেন ওর দাদারা। বলেন, খুব শিগগিরই ওকে কাঁদতে হবে। তার পরেই দাদার মৃত্যুর খবর পাই আমরা। এমনকি তার পরেও ওই বাড়ি থেকে হুমকি আসে। বলা হয়, আরও অনেকের রক্ত ঝরবে।’
পানিপথের ডেপুটি পুলিশ সুপার সতীশ কুমার বৎস জানান, ‘ছেলেটির পরিবারের আপত্তি ছিল না। মেয়েটিও রাজি ছিলেন। গ্রাম পঞ্চায়েতের সভায় মুচলেকা দিয়ে বিয়ে সম্পন্ন হয়। কিন্তু মেয়েটির দাদাদের এই বিয়েতে সম্মতি ছিল না। তাই ক্রমাগত হুমকি দিয়ে যাচ্ছিলেন।’ বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।