সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

হজে অনিয়ম করলে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২০ ১১০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
হজ এজেন্সিগুলো হজ কার্যক্রম নিয়ে অনিয়ম করলে তাদের নিবন্ধন বাতিলের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। আর ওমরা এজেন্সি অনিয়ম করলে নিবন্ধন বাতিলের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। অন্যদিকে ফৌজদারি অপরাধ করলে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসব বিধান রেখে ‘হজ ও ওমরা ব্যবস্থাপনা আইন ২০২০’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে খসড়াটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী অনিয়মের জন্য কোনো এজেন্সিকে যদি পরপর দুই বছর সতর্ক করা হয়, তাহলে সেটির লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুই বছরের জন্য বাতিল হবে। আর হজ এজেন্সিগুলো স্বত্ব ও নাম পরিবর্তন করতে যদি চায়, তাহলে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এত দিন পর্যন্ত হজ ব্যবস্থাপনা চলত একটি নীতিমালার মাধ্যমে। নীতিমালার মাধ্যমে চলার কারণে অনেক সময় ব্যবস্থা নিতে অসুবিধা হতো।

ফলে ব্যবস্থা নেওয়া যেত না, ব্যবস্থা নিলে সংশ্লিষ্টরা আবার হাইকোর্টে গিয়ে স্থগিতাদেশ নিয়ে আসত। এ ছাড়া ২০১১ সাল থেকে হজ ব্যবস্থাপনাও পরিবর্তন হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে পবিত্র হজ ও ওমরা ব্যবস্থাপনার সার্বিক দায়িত্ব সরকারের ওপর ন্যস্ত থাকবে। সরকার হজ ও ওমরা ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে রাজকীয় সৌদি সরকারের সঙ্গে চুক্তি ও সমঝোতার ভিত্তিতে সৌদির যেকোনো স্থানে হজ অফিস স্থাপনসহ সার্বিক কার্যক্রম নিতে পারবে। নিবন্ধন ছাড়া কাউকে ওমরা বা হজে কেউ পাঠাতে পারবে না। যদি কেউ এ বিষয়ে কোনো অনিয়ম করে, তাহলে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত তদন্ত ও শুনানির সুযোগ দিয়ে হজ ও ওমরা এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে।

প্রস্তাবিত আইনে হজের চুক্তি হওয়ার পর কেউ সৌদিতে গিয়ে ঠকালেও সেই অপরাধ এই দেশে (বাংলাদেশে) হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হজে অনিয়ম করলে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
হজ এজেন্সিগুলো হজ কার্যক্রম নিয়ে অনিয়ম করলে তাদের নিবন্ধন বাতিলের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। আর ওমরা এজেন্সি অনিয়ম করলে নিবন্ধন বাতিলের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। অন্যদিকে ফৌজদারি অপরাধ করলে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসব বিধান রেখে ‘হজ ও ওমরা ব্যবস্থাপনা আইন ২০২০’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে খসড়াটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী অনিয়মের জন্য কোনো এজেন্সিকে যদি পরপর দুই বছর সতর্ক করা হয়, তাহলে সেটির লাইসেন্স স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুই বছরের জন্য বাতিল হবে। আর হজ এজেন্সিগুলো স্বত্ব ও নাম পরিবর্তন করতে যদি চায়, তাহলে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এত দিন পর্যন্ত হজ ব্যবস্থাপনা চলত একটি নীতিমালার মাধ্যমে। নীতিমালার মাধ্যমে চলার কারণে অনেক সময় ব্যবস্থা নিতে অসুবিধা হতো।

ফলে ব্যবস্থা নেওয়া যেত না, ব্যবস্থা নিলে সংশ্লিষ্টরা আবার হাইকোর্টে গিয়ে স্থগিতাদেশ নিয়ে আসত। এ ছাড়া ২০১১ সাল থেকে হজ ব্যবস্থাপনাও পরিবর্তন হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে পবিত্র হজ ও ওমরা ব্যবস্থাপনার সার্বিক দায়িত্ব সরকারের ওপর ন্যস্ত থাকবে। সরকার হজ ও ওমরা ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে রাজকীয় সৌদি সরকারের সঙ্গে চুক্তি ও সমঝোতার ভিত্তিতে সৌদির যেকোনো স্থানে হজ অফিস স্থাপনসহ সার্বিক কার্যক্রম নিতে পারবে। নিবন্ধন ছাড়া কাউকে ওমরা বা হজে কেউ পাঠাতে পারবে না। যদি কেউ এ বিষয়ে কোনো অনিয়ম করে, তাহলে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত তদন্ত ও শুনানির সুযোগ দিয়ে হজ ও ওমরা এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে।

প্রস্তাবিত আইনে হজের চুক্তি হওয়ার পর কেউ সৌদিতে গিয়ে ঠকালেও সেই অপরাধ এই দেশে (বাংলাদেশে) হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।