সংবাদ শিরোনাম ::
আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল বানারীপাড়ায় আওয়ামী লীগের ১০ নেতা-কর্মীকে জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা বাবুগঞ্জে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল কারার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল কাঠালিয়ায় সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা দাবি: মানববন্ধনে প্রতিবাদ বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে সুবিধা না করতে পেরে মানববন্ধনের নাটক ঘোড়াঘাট থানার নবাগত ওসি সাথে ঘোড়াঘাট প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা জাতিসংঘ সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বাস্থ্যবিষয়ক সাইড ইভেন্টে নেতৃত্ব দেবেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝালকাঠিতে ২০ পিস ইয়াবা ৫০ হাজার টাকা সহ মাদক কারবারি গ্রেফতার কাঠালিয়ায় এক শিক্ষক কে ঘিরে নানা অভিযোগ, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

খুলনাকে ফাইনালে নিলেন মাশরাফি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০ ১৯৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক
বেক্সিমকো ঢাকার বিপক্ষে ৩৬ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু সেদিন ফরচুন বরিশালের জহুরুল ইসলামের ব্যাট থেকে দলের আরও লম্বা ইনিংস দরকার ছিল। জহুরুল আউট হওয়ার পর দলও হারে ২০ রানে। আজ প্রথম কোয়ালিফায়ারে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের বিপক্ষে আগের ম্যাচের ভুল করেননি।

উইকেটে থিতু হয়েছেন। ফিফটি করেছেন। ফিফটিকে লম্বা করেছেন। ৮০ রানের ইনিংস খেলে দলকে ২০০ ছাড়ানোর ভিত গড়ে দেন। এরপর বাকি কাজটা করেছেন আরেক অভিজ্ঞ মাশরাফি বিন মুর্তজা। ৪ ওভারে ৩৫ রানে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট নিয়ে খুলনাকে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে তোলার ম্যাচে ম্যাচসেরা হন তিনি। মাশরাফির বোলিংয়েই চট্টগ্রামকে ৪৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় খুলনা।

জহুরুল দলকে ভালো ভিত্তি এনে দিয়েছেন।
জহুরুল দলকে ভালো ভিত্তি এনে দিয়েছেন।ছবি: প্রথম আলো
রাতের শিশিরে উইকেট দিনের ম্যাচের চেয়ে কিছুটা ভালো হওয়ার কথা। ১৫০-১৬০ রান করে এই উইকেটে জেতা কঠিন হতো। খুলনাকে নিরাপদে নিতে আরও বড় কিছু করতে হতো। আজ আবার জাকির হাসান ছিলেন না চেনা ছন্দে। শুরু থেকেই খেলছিলেন ডট বল। দ্রুত রান করা ও এক প্রান্ত ধরে রাখার দায়িত্বটা বর্তায় জহুরুলের ওপর। ৫১ বলে ৫টি চার ও ৪টি ছক্কার ৮০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি।

জহুরুলের গড়া মঞ্চ পেয়ে খুলনার বাকি যে ব্যাটসম্যানই ক্রিজে এসেছেন, তিনিই বড় শট খেলেছেন। ইমরুল ১২ বলে করেন ২৫ রান। সাকিবের ব্যাট থেকেও আজ এসেছে দ্রুত রান। ১৫ বলে ২৮ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে। বড় ঝড় তোলেন মাহমুদউল্লাহ। মাত্র ৯ বল খেলে ৩০ রান করেন খুলনার অধিনায়ক। শেষ পর্যন্ত খুলনার রান ২০ ওভারে ২১০।

বড় রানের চাপ সামাল দিতে গিয়ে চাপে ভাঙে চট্টগ্রামের ব্যাটিং লাইন আপ। এর পেছনের বড় কারিগর ছিলেন মাশরাফি। খুলনার জন্য ভয় হতে পারতেন সৌম্য সরকার ও লিটন দাস। শুরুতেই দুজনের উইকেট নেন মাশরাফি। প্রথম স্পেলের ওই দুই ওভারই চট্টগ্রামকে পিছিয়ে দেয়। মাঝে এক ওভার করতে এসে আউট করেন উইকেটে থিতু হওয়া তিনে নামা ব্যাটসম্যান মাহমুদুল হাসানকে। শেষে এসে আরও দুই উইকেট পেয়েছেন মাশরাফি। ৪ ওভারে ৩৫ রানে ৫ উইকেট তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার।

চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংস অধিনায়ক মিঠুনের। ৫৩ রানের ইনিংসটা থামতেই দ্রুত গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম। ২ বল বাকি থাকতে অলআউট হয় ১৬৩ রানে।

চট্টগ্রাম কাল বিকেলে এলিমিনেটর জেতা বেক্সিমকো ঢাকার বিপক্ষে খেলবে। কালকের ম্যাচে জয়ী দল ১৮ ডিসেম্বরের ফাইনালে খেলবে খুলনার বিপক্ষে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

খুলনাকে ফাইনালে নিলেন মাশরাফি। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৫:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক
বেক্সিমকো ঢাকার বিপক্ষে ৩৬ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু সেদিন ফরচুন বরিশালের জহুরুল ইসলামের ব্যাট থেকে দলের আরও লম্বা ইনিংস দরকার ছিল। জহুরুল আউট হওয়ার পর দলও হারে ২০ রানে। আজ প্রথম কোয়ালিফায়ারে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের বিপক্ষে আগের ম্যাচের ভুল করেননি।

উইকেটে থিতু হয়েছেন। ফিফটি করেছেন। ফিফটিকে লম্বা করেছেন। ৮০ রানের ইনিংস খেলে দলকে ২০০ ছাড়ানোর ভিত গড়ে দেন। এরপর বাকি কাজটা করেছেন আরেক অভিজ্ঞ মাশরাফি বিন মুর্তজা। ৪ ওভারে ৩৫ রানে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট নিয়ে খুলনাকে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে তোলার ম্যাচে ম্যাচসেরা হন তিনি। মাশরাফির বোলিংয়েই চট্টগ্রামকে ৪৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় খুলনা।

জহুরুল দলকে ভালো ভিত্তি এনে দিয়েছেন।
জহুরুল দলকে ভালো ভিত্তি এনে দিয়েছেন।ছবি: প্রথম আলো
রাতের শিশিরে উইকেট দিনের ম্যাচের চেয়ে কিছুটা ভালো হওয়ার কথা। ১৫০-১৬০ রান করে এই উইকেটে জেতা কঠিন হতো। খুলনাকে নিরাপদে নিতে আরও বড় কিছু করতে হতো। আজ আবার জাকির হাসান ছিলেন না চেনা ছন্দে। শুরু থেকেই খেলছিলেন ডট বল। দ্রুত রান করা ও এক প্রান্ত ধরে রাখার দায়িত্বটা বর্তায় জহুরুলের ওপর। ৫১ বলে ৫টি চার ও ৪টি ছক্কার ৮০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি।

জহুরুলের গড়া মঞ্চ পেয়ে খুলনার বাকি যে ব্যাটসম্যানই ক্রিজে এসেছেন, তিনিই বড় শট খেলেছেন। ইমরুল ১২ বলে করেন ২৫ রান। সাকিবের ব্যাট থেকেও আজ এসেছে দ্রুত রান। ১৫ বলে ২৮ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে। বড় ঝড় তোলেন মাহমুদউল্লাহ। মাত্র ৯ বল খেলে ৩০ রান করেন খুলনার অধিনায়ক। শেষ পর্যন্ত খুলনার রান ২০ ওভারে ২১০।

বড় রানের চাপ সামাল দিতে গিয়ে চাপে ভাঙে চট্টগ্রামের ব্যাটিং লাইন আপ। এর পেছনের বড় কারিগর ছিলেন মাশরাফি। খুলনার জন্য ভয় হতে পারতেন সৌম্য সরকার ও লিটন দাস। শুরুতেই দুজনের উইকেট নেন মাশরাফি। প্রথম স্পেলের ওই দুই ওভারই চট্টগ্রামকে পিছিয়ে দেয়। মাঝে এক ওভার করতে এসে আউট করেন উইকেটে থিতু হওয়া তিনে নামা ব্যাটসম্যান মাহমুদুল হাসানকে। শেষে এসে আরও দুই উইকেট পেয়েছেন মাশরাফি। ৪ ওভারে ৩৫ রানে ৫ উইকেট তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার।

চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংস অধিনায়ক মিঠুনের। ৫৩ রানের ইনিংসটা থামতেই দ্রুত গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম। ২ বল বাকি থাকতে অলআউট হয় ১৬৩ রানে।

চট্টগ্রাম কাল বিকেলে এলিমিনেটর জেতা বেক্সিমকো ঢাকার বিপক্ষে খেলবে। কালকের ম্যাচে জয়ী দল ১৮ ডিসেম্বরের ফাইনালে খেলবে খুলনার বিপক্ষে।