সংবাদ শিরোনাম ::
বানারীপাড়ায় টেন্ডার ছাড়াই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১৪টি গাছ বিক্রি প্রতিমন্ত্রীর জাল সিল-স্বাক্ষরে কোটি টাকার তদবির বাণিজ্যের অভিযোগ মোংলায় চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার, উদ্ধার জাল সিল-স্ট্যাম্প ৫২ নম্বর রহমতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত ইঞ্জিনিয়ার ইয়াছির আরাফাত নলছিটিতে ২ ভূমি কর্মকর্তা শোকজ, কানুনগো বদলি গৌরনদীতে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার দুইজন গ্রেপ্তার, মানববন্ধন ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৫টি দোকানকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক পদে নতুন মুখ: নির্বাচিত হলেন আলোচিত অন্তর বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা

পূর্বাভাসের চেয়েও গভীরতর হবে ইউরোপের অর্থনৈতিক মন্দা: ইউরোপীয় কমিশন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫১:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

ইউরোপীয় কমিশন গত মে মাসে চলতি বছরের জন্য মন্দার যে পূর্বাভাস দিয়েছিল, এখন দেখা যাচ্ছে তা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। নতুন হিসেব বলছে, ১৯ দেশের ইউরোজোনে ২০২০ সালে ৮.৭% মন্দা দেখা দিতে পারে, আর পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নে (২৭টি দেশ) অর্থনীতির ৮.৩% ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হতে পারে। মে মাসে যে হিসেব করা হয়েছিল তাতে ধারণা করা হচ্ছিল এই হিসেব দু’টি যথাক্রমে ৭.৭% ও ৭.৪% হবে।

একইভাবে পূর্বাভাস বলছে, ২০২১ সালে প্রত্যাশার চেয়েও শ্লথগতিতে পুণরুদ্ধার হওয়া শুরু হবে ইউরোপের অর্থনীতি।

সে বছর ইউরো অঞ্চলে ৬.১% হারে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। আর ইইউতে তা হবে ৫.৮% হারে।
মহামারির প্রভাব বছরের প্রথম কোয়ার্টারেই (জানুয়ারি-মার্চ) পড়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ দেশ মধ্য মার্চে কয়েক সপ্তাহ ধরে লকডাউন দেয়ায় দেখা গেছে, দ্বিতীয় কোয়ার্টারে (এপ্রিল-জুন) মন্দার প্রভাব বেশি পড়েছে।

ইইউ কমিশন বলছে, ইউরোপের একেক সদস্য রাষ্ট্রের ওপর যেমন মহামারির প্রভাব একেক রকম, তেমনি ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রেও সেটিই হবে। যেমন, এ বছর জার্মানির অর্থনীতি সংকুচিত হবে ৬.৩%, কিন্তু ফ্রান্সে তা ১০.৬%, স্পেনে ১০.৯% ও ইতালিতে ১১.২%।

ইইউ কমিশন যেসব ঝুঁকির কথা বলছে, তা এটা ধরে নিয়ে যে, সামনে করোনার ‘সেকেন্ড ওয়েভ’ আসবে না। তাই অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। তারওপর এই মহামারি কতদিন চলবে, তাও অজানা।

তাই অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব আসলেই কতটা হবে, তাও অনিশ্চিত। এর প্রভাবে শ্রমবাজারের সংকট প্রলম্বিত হবে এবং আর্থিক তরলতার সংকটে ভুগবে কোম্পানিগুলো। অনিশ্চয়তার ঝুঁকি রয়েছে পুঁজিবাজারেও। এই অনিশ্চয়তার কারণে তা স্থিতিশীল হতে পারবে না। সূত্র: ডয়েচে ভেলে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পূর্বাভাসের চেয়েও গভীরতর হবে ইউরোপের অর্থনৈতিক মন্দা: ইউরোপীয় কমিশন

আপডেট সময় : ০৭:৫১:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

ইউরোপীয় কমিশন গত মে মাসে চলতি বছরের জন্য মন্দার যে পূর্বাভাস দিয়েছিল, এখন দেখা যাচ্ছে তা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। নতুন হিসেব বলছে, ১৯ দেশের ইউরোজোনে ২০২০ সালে ৮.৭% মন্দা দেখা দিতে পারে, আর পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নে (২৭টি দেশ) অর্থনীতির ৮.৩% ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হতে পারে। মে মাসে যে হিসেব করা হয়েছিল তাতে ধারণা করা হচ্ছিল এই হিসেব দু’টি যথাক্রমে ৭.৭% ও ৭.৪% হবে।

একইভাবে পূর্বাভাস বলছে, ২০২১ সালে প্রত্যাশার চেয়েও শ্লথগতিতে পুণরুদ্ধার হওয়া শুরু হবে ইউরোপের অর্থনীতি।

সে বছর ইউরো অঞ্চলে ৬.১% হারে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। আর ইইউতে তা হবে ৫.৮% হারে।
মহামারির প্রভাব বছরের প্রথম কোয়ার্টারেই (জানুয়ারি-মার্চ) পড়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ দেশ মধ্য মার্চে কয়েক সপ্তাহ ধরে লকডাউন দেয়ায় দেখা গেছে, দ্বিতীয় কোয়ার্টারে (এপ্রিল-জুন) মন্দার প্রভাব বেশি পড়েছে।

ইইউ কমিশন বলছে, ইউরোপের একেক সদস্য রাষ্ট্রের ওপর যেমন মহামারির প্রভাব একেক রকম, তেমনি ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রেও সেটিই হবে। যেমন, এ বছর জার্মানির অর্থনীতি সংকুচিত হবে ৬.৩%, কিন্তু ফ্রান্সে তা ১০.৬%, স্পেনে ১০.৯% ও ইতালিতে ১১.২%।

ইইউ কমিশন যেসব ঝুঁকির কথা বলছে, তা এটা ধরে নিয়ে যে, সামনে করোনার ‘সেকেন্ড ওয়েভ’ আসবে না। তাই অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। তারওপর এই মহামারি কতদিন চলবে, তাও অজানা।

তাই অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব আসলেই কতটা হবে, তাও অনিশ্চিত। এর প্রভাবে শ্রমবাজারের সংকট প্রলম্বিত হবে এবং আর্থিক তরলতার সংকটে ভুগবে কোম্পানিগুলো। অনিশ্চয়তার ঝুঁকি রয়েছে পুঁজিবাজারেও। এই অনিশ্চয়তার কারণে তা স্থিতিশীল হতে পারবে না। সূত্র: ডয়েচে ভেলে