সংবাদ শিরোনাম ::
বাবুগঞ্জের দুর্গাসাগর থেকে হরিণ চুরির অভিযোগে কেয়ারটেকার ও মালী গ্রেপ্তার ঝালকাঠি প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য কুদ্দুস খান বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় প্রেসক্লাবের সভাপতি শুভেচ্ছা রাজাপুরে টিসিবি ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা, পুনঃতদন্তে প্রশাসন রাজাপুরে বেহাল সড়ক পুনঃনির্মাণ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন: দুই যুগের দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ চুয়াডাঙ্গায় রাইচ কুকারের সুইচ দেবার কালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু রহমতপুর সমিতি ঢাকা আহ্বায়ক কমিটি গঠন বিজয়নগরে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ আহত ৫ ঝালকাঠির ভীমরুলির ভাসমান পর্যটন কেন্দ্রে অতিরিক্ত ভাড়া ও উচ্চশব্দে সাউন্ড বক্স বাজানোর দায়ে অভিযান দর্শনায় বিজিবির অভিযানে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ এক পাচারকারী আটক বিজয়নগর উপজেলা আমতলী বাজারের vision এর নতুন শো রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে,

নাসিমের জীবন নিয়ে শঙ্কা কাটেনি।টানা ৮ দিন ধরে তার নড়াচড়া নেই। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:০০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০ ১৯১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক:: কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে ব্রেন স্ট্রোক করা সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের জীবন নিয়ে শঙ্কা কাটেনি।টানা ৮ দিন ধরে তার নড়াচড়া নেই।চোখ মেলে একবারের জন্যও তাকান নি।চেতনাহীন অবস্থায় তাকে লাইফসাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে।প্রথম দিকে ডাক্তাররা নাসিমের সুস্থতা নিয়ে আশাবাদী হলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তারা নতুন কোনো সিদ্ধান্তও নিতে পারছেন না।আটকে আছে বিদেশ নিয়ে তাকে উন্নত ট্রিটমেন্ট দেয়ার সিদ্ধান্তও।
নাসিমের চিকিৎসায় গঠিত ১৩ সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের সদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া বৃহস্পতিবার জানান, নাসিমের অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। কনক কান্তির ভাষ্য,’উনার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন, অবস্থার উন্নতি হয়নি, বরং অবনতির দিকে।’
বৃহস্পতিবার দিনভর আলোচনায় ছিল নাসিমকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে পরিবার।ডা. কনক কান্তি বড়ুয়াও বুধবার বলেছিলেন,চাইলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে বিদেশ নেয়া যেতে পারে।কিন্তু গত দুদিনে তার অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় পরিবার বিদেশ নিয়ে যাওয়ার সাহস করছে না।৩-৪ ঘণ্টার সফরে পথে যদি কিছু একটা ঘটে যায় এই চিন্তায় পরিবার এখনও বিদেশ নিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবার নাসিমকে সিঙ্গাপুরে নিতে চাইলেও তার বর্তমান শারীরিক অবস্থায় সেটা সম্ভব নয় বলে মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্রের বর্তমান শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রাজিউল হক।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শুনেছি তাকে বিদেশে নেয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু, এই অবস্থায় তাকে বিদেশে নেয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ হবে। মোহাম্মদ নাসিমের বর্তমান শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত দুই থেকে তিন দিন মোহাম্মদ নাসিমের ব্লাড প্রেশার স্বাভাবিক ছিল। তবে, বৃহস্পতিবার উঠানামা করছে। তার রক্তের একটা পরীক্ষা করা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, রক্ত জমাট বাঁধতে অসুবিধা হচ্ছে। এখনও তিনি নিজে থেকে শ্বাস নিতে পারছেন না। সব মিলিয়ে অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে’।
ডা. রাজিউল হক বলেন, তার শারীরিক অবস্থার আরও কিছুটা অবনতি হয়েছে। গত দুই দিন তার ব্লাড পেশার স্বাভাবিক থাকলেও বৃহস্পতিবার তা উঠানামা করেছে। তিনি আগের মতোই অচেতন অবস্থায় আছেন এবং তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) ভেন্টিলেশন সাপোর্টেই রেখা হয়েছে। চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা সার্বক্ষণিক তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন। এদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নেয়ার বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়য়ের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নাসিম গত নয় দিন ধরে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জ্বর ও কাশির মত উপসর্গ নিয়ে গত ১ জুন ওই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর পরীক্ষায় মোহাম্মদ নাসিমের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে।
হাসপাতালে থাকা অবস্থায় গত ৫জুন সকালে তার ব্রেইন স্ট্রোক হলে সেখানেই তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা নাসিমের শারীরিক অবস্থা অবনতির দিকে গেলে ১৩ সদস্যের এই মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। নাসিমকে নেয়া হয় লাইফ সাপোর্টে।তার মস্তিস্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।রক্ত জমাটও বেধে আছে।
পরে তিন দফা তার করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় ফল নেগেটিভ এলেও লাইফ সাপোর্ট সরানো সম্ভব হয়নি।
শহীদ এম মনসুর আলীর ছেলে মোহাম্মদ নাসিম পঞ্চমবারের মত সংসদে সিরাজগঞ্জের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করার পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মোহাম্মদ নাসিম। পরের বছর মার্চে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তাকে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নাসিম এক সঙ্গে দুই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯৯ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত। পরে মন্ত্রিসভায় রদবদলে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব পান।
২০০৮ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরলেও সেবার মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি নাসিমের। তবে পরের মেয়াদে ২০১৪ সালে তাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী করেন শেখ হাসিনা।
এখন মন্ত্রিসভায় না থাকলেও দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করে আসছেন নাসিম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নাসিমের জীবন নিয়ে শঙ্কা কাটেনি।টানা ৮ দিন ধরে তার নড়াচড়া নেই। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ১২:০০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক:: কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে ব্রেন স্ট্রোক করা সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের জীবন নিয়ে শঙ্কা কাটেনি।টানা ৮ দিন ধরে তার নড়াচড়া নেই।চোখ মেলে একবারের জন্যও তাকান নি।চেতনাহীন অবস্থায় তাকে লাইফসাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে।প্রথম দিকে ডাক্তাররা নাসিমের সুস্থতা নিয়ে আশাবাদী হলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তারা নতুন কোনো সিদ্ধান্তও নিতে পারছেন না।আটকে আছে বিদেশ নিয়ে তাকে উন্নত ট্রিটমেন্ট দেয়ার সিদ্ধান্তও।
নাসিমের চিকিৎসায় গঠিত ১৩ সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের সদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া বৃহস্পতিবার জানান, নাসিমের অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। কনক কান্তির ভাষ্য,’উনার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন, অবস্থার উন্নতি হয়নি, বরং অবনতির দিকে।’
বৃহস্পতিবার দিনভর আলোচনায় ছিল নাসিমকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে পরিবার।ডা. কনক কান্তি বড়ুয়াও বুধবার বলেছিলেন,চাইলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে বিদেশ নেয়া যেতে পারে।কিন্তু গত দুদিনে তার অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় পরিবার বিদেশ নিয়ে যাওয়ার সাহস করছে না।৩-৪ ঘণ্টার সফরে পথে যদি কিছু একটা ঘটে যায় এই চিন্তায় পরিবার এখনও বিদেশ নিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবার নাসিমকে সিঙ্গাপুরে নিতে চাইলেও তার বর্তমান শারীরিক অবস্থায় সেটা সম্ভব নয় বলে মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্রের বর্তমান শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রাজিউল হক।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শুনেছি তাকে বিদেশে নেয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু, এই অবস্থায় তাকে বিদেশে নেয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ হবে। মোহাম্মদ নাসিমের বর্তমান শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত দুই থেকে তিন দিন মোহাম্মদ নাসিমের ব্লাড প্রেশার স্বাভাবিক ছিল। তবে, বৃহস্পতিবার উঠানামা করছে। তার রক্তের একটা পরীক্ষা করা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, রক্ত জমাট বাঁধতে অসুবিধা হচ্ছে। এখনও তিনি নিজে থেকে শ্বাস নিতে পারছেন না। সব মিলিয়ে অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে’।
ডা. রাজিউল হক বলেন, তার শারীরিক অবস্থার আরও কিছুটা অবনতি হয়েছে। গত দুই দিন তার ব্লাড পেশার স্বাভাবিক থাকলেও বৃহস্পতিবার তা উঠানামা করেছে। তিনি আগের মতোই অচেতন অবস্থায় আছেন এবং তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) ভেন্টিলেশন সাপোর্টেই রেখা হয়েছে। চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা সার্বক্ষণিক তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন। এদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নেয়ার বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়য়ের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নাসিম গত নয় দিন ধরে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জ্বর ও কাশির মত উপসর্গ নিয়ে গত ১ জুন ওই হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর পরীক্ষায় মোহাম্মদ নাসিমের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে।
হাসপাতালে থাকা অবস্থায় গত ৫জুন সকালে তার ব্রেইন স্ট্রোক হলে সেখানেই তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা নাসিমের শারীরিক অবস্থা অবনতির দিকে গেলে ১৩ সদস্যের এই মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। নাসিমকে নেয়া হয় লাইফ সাপোর্টে।তার মস্তিস্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।রক্ত জমাটও বেধে আছে।
পরে তিন দফা তার করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় ফল নেগেটিভ এলেও লাইফ সাপোর্ট সরানো সম্ভব হয়নি।
শহীদ এম মনসুর আলীর ছেলে মোহাম্মদ নাসিম পঞ্চমবারের মত সংসদে সিরাজগঞ্জের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করার পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মোহাম্মদ নাসিম। পরের বছর মার্চে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তাকে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নাসিম এক সঙ্গে দুই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯৯ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত। পরে মন্ত্রিসভায় রদবদলে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব পান।
২০০৮ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরলেও সেবার মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি নাসিমের। তবে পরের মেয়াদে ২০১৪ সালে তাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী করেন শেখ হাসিনা।
এখন মন্ত্রিসভায় না থাকলেও দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করে আসছেন নাসিম।