সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রিকসা চালক নিহত, আহত-১০ ​ঝালকাঠিতে ‘ফ্রি নিউজ গ্রুপ’-এর সাংবাদিকদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের উদ্যোগে ৮ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন চুয়াডাঙ্গা হাসপাতাল সড়কে চলন্ত ইজিবাইক চালকের হৃদরোগে মৃত্যু রাজাপুরে আলোচিত দুই ডাকাতি মামলা: ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার নারী চিকিৎসককে কক্ষে ডাকতেন-কুপ্রস্তাব দিতেন ব/র/গু/না জেনারেল হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। ঘোড়াঘাটে রাঘব, বোয়ালদের বাদ দিয়ে অভিযোগ গঠন, পৌর বিএনপির মানব বন্ধন গৌরনদীতে স্কুলের টিফিনের রুটিতে ব্লেড কান্ডে তদন্ত কমিটি গঠন আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব কেদারপুর ইউনিয়ন গঠনের অঙ্গীকার পারভেজ মৃধার। বানারীপাড়ায় বিশ্ব নবীকে নিয়ে কটুক্তি করায় যুবককে জুতার মালা পড়িয়ে ঘুরানো হলো

১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতও আশ্রয় কেন্দ্র যাচ্ছে না উপকূলে মানুষ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জলিলুর রহমান স্টাফ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আমফান এর জন্য মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দের ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে। এরপরও আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছে না দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা বরগুনার তালতলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষ।

বুধবার(২১ মে) সকালে তালতলী উপজেলায় কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায় অনেক আশ্রয় কেন্দ্রই ফাঁকা।

স্থানীয়রা বলেন, মূলত বড় ধরণের ঝড় সৃষ্টি না হওয়ায় সাধারণ মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে শুরু করেনি। বেশিরভাগ আশ্রয় কেন্দ্র ফাকা পড়ে আছে। অনেকেই আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করেন।কেউ বলছেন ১০ নম্বর সংকেত চললেও নেই তার কোনো প্রভাব । যার কারনে আশ্রয় কেন্দ্রে যাইনি। তবে এতে সচেতন মহল বলছে দ্রুত এই উপকূলীয় মানুষগুলোকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।

এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,গ্রাম পুলিশ,সিপিপি সদস্যেরা মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আসার অনুরোধ করলেও আমলে নেয় না এ উপকূলীয় লোকজন।

যদিও এ উপজেলায় ৫৩ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ১ লক্ষর বেশি মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। এদিকে সাধারণ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মাইকিং অব্যাহত রয়েছে এবং টাঙিয়ে দেয়া হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্ন সম্বলিত পতাকা। এছাড়া নদীতে বৃদ্ধি পেয়েছে পানির উচ্চতা। কিন্তু তাতে কোনো সাড়া মিলছে না। ঝুঁকির আশঙ্কা জেনেও ভিটেমাটি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে চাচ্ছেন না লোকজন।

স্থানীয় সোবাহান ফরাজী,আনোয়ার,নিজামসহ একাধীক লোকজন বলেন ঘূর্ণিঝড়ের কোনো নমুনা দেখা যায়না তাই বাড়িতে আছি। ভিটেমাটি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে ইচ্ছা করছে না।

উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়াডের গ্রাম পুলিশ সৈয়দ আহম্মেদ বলেন মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গেলেও তারা আমলে নেয়নি। তবুও আশ্রয় কেন্দ্রে আসার অনুরোধ করা হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদকর্মী ফয়সাল সিকদার বলেন এখন ১০ নম্বর মহা বিপদ সংকেত চলে। এখন যদি মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে না যায় তাহলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়ে। আমি নিজেও গতকাল রাত থেকে সকাল পযন্ত মানুষের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়।

তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন আশ্রয় কেন্দ্রে আসার জন্য মানুষকে অনুরোধ করা হচ্ছে। তবুও যদি কেউ না আসে প্রয়োজন হলে বল প্রয়োগ করে নিয়ে আসা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতও আশ্রয় কেন্দ্র যাচ্ছে না উপকূলে মানুষ। আজকের ক্রাইম-নিউজ

আপডেট সময় : ০৪:৪৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০

জলিলুর রহমান স্টাফ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আমফান এর জন্য মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দের ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে। এরপরও আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছে না দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা বরগুনার তালতলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষ।

বুধবার(২১ মে) সকালে তালতলী উপজেলায় কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায় অনেক আশ্রয় কেন্দ্রই ফাঁকা।

স্থানীয়রা বলেন, মূলত বড় ধরণের ঝড় সৃষ্টি না হওয়ায় সাধারণ মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে শুরু করেনি। বেশিরভাগ আশ্রয় কেন্দ্র ফাকা পড়ে আছে। অনেকেই আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করেন।কেউ বলছেন ১০ নম্বর সংকেত চললেও নেই তার কোনো প্রভাব । যার কারনে আশ্রয় কেন্দ্রে যাইনি। তবে এতে সচেতন মহল বলছে দ্রুত এই উপকূলীয় মানুষগুলোকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।

এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,গ্রাম পুলিশ,সিপিপি সদস্যেরা মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আসার অনুরোধ করলেও আমলে নেয় না এ উপকূলীয় লোকজন।

যদিও এ উপজেলায় ৫৩ টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ১ লক্ষর বেশি মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। এদিকে সাধারণ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মাইকিং অব্যাহত রয়েছে এবং টাঙিয়ে দেয়া হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্ন সম্বলিত পতাকা। এছাড়া নদীতে বৃদ্ধি পেয়েছে পানির উচ্চতা। কিন্তু তাতে কোনো সাড়া মিলছে না। ঝুঁকির আশঙ্কা জেনেও ভিটেমাটি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে চাচ্ছেন না লোকজন।

স্থানীয় সোবাহান ফরাজী,আনোয়ার,নিজামসহ একাধীক লোকজন বলেন ঘূর্ণিঝড়ের কোনো নমুনা দেখা যায়না তাই বাড়িতে আছি। ভিটেমাটি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে ইচ্ছা করছে না।

উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়াডের গ্রাম পুলিশ সৈয়দ আহম্মেদ বলেন মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গেলেও তারা আমলে নেয়নি। তবুও আশ্রয় কেন্দ্রে আসার অনুরোধ করা হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদকর্মী ফয়সাল সিকদার বলেন এখন ১০ নম্বর মহা বিপদ সংকেত চলে। এখন যদি মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে না যায় তাহলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়ে। আমি নিজেও গতকাল রাত থেকে সকাল পযন্ত মানুষের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়।

তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন আশ্রয় কেন্দ্রে আসার জন্য মানুষকে অনুরোধ করা হচ্ছে। তবুও যদি কেউ না আসে প্রয়োজন হলে বল প্রয়োগ করে নিয়ে আসা হবে।