সংবাদ শিরোনাম ::
চুয়াডাঙ্গায় স্ত্রীকে‌ গলা কেটে হত্যা মামলায় স্বামী তালেবকে আমৃত্যু কারাদণ্ড বাবুগঞ্জে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ১৬০ নং সৈয়দ হালিমা মোয়াজ্জেম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ও পানি সংকটের আশ্বাস ঝালকাঠির নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে সংবাদকর্মীদের মতবিনিময় জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে রহমতপুরে আলোচনায় রাজন শিকদার। বাবুগঞ্জে ৯ কেজি গাঁজাসহ দুই যুবক আটক। জীবননগরে মাদক বিরোধী সমাবেশে১৫ মাদক ব্যবসায়ীর আত্মসমর্পণ চুয়াডাঙ্গার দর্শনার অপহৃত স্কুলছাত্র রাজশাহীতে উদ্ধার, অপহরণচক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার থ্রি-হুইলার ও বাস শ্রমিকদের দ্বন্ধে বরিশাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ ঝালকাঠিতে ২ দফা দাবিতে গণপূর্ত কর্মচারী ইউনিয়নের বিক্ষোভ মিছিল

চুয়াডাঙ্গায় স্ত্রীকে‌ গলা কেটে হত্যা মামলায় স্বামী তালেবকে আমৃত্যু কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গায় স্ত্রীকে‌ গলা কেটে হত্যা মামলায় স্বামী তালেবকে আমৃত্যু কারাদণ্ড

মাহমুদ হাসান রনি,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:২৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চুয়াডাঙ্গার গোপিনাথপুরে স্ত্রীকে দা দিয়ে গলা কেটে হত্যার দায়ে স্বামীকে আদালত আমৃত্যু কারাদণ্ডসহ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।এছাড়া অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গার বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক শিমুল কুমার বিশ্বাস চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত আবু তালেবের ছেলে দণ্ডপ্রাপ্ত রহম আলী(৬০) বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষনা করেন।এ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মারুফ সারোয়ার বাবু।
উল্লেখ ২৫ বছর আগে রহম আলীর সঙ্গে আলেয়া বেগমের (৪০) বিয়ে হয়। তাদের চার সন্তান। আলেয়াকে বিয়ের আগে রহম আলীর আরও দুটি বিয়ে করেছিলেন। তিনি মাদকাসক্ত এবং বিভিন্ন সময় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে মারধর করতেন।
২০১৫ সালের ১৪ নভেম্বর রাতে খাবার খেয়ে দুই মেয়েকে নিয়ে আলেয়া বেগম ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন ভোর সাড়ে ৪টার দিকে দরজা খোলার শব্দে মেয়ে লিপছিয়ার ঘুম ভাঙে। সে দেখতে পায়, তার বাবা রহম আলীর হাতে রক্তমাখা একটি গাছি দা। রহম আলী দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে যান। পরে চৌকির নিচে তাকিয়ে লিপছিয়া মায়ের গলাকাটা রক্তাক্ত দেহ দেখতে পায়। তার চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা ছুটে এসে আলেয়ার মরদেহ দেখতে পান।
এ ঘটনায় আলেয়ার ছেলে চাঁন মিয়া বাদী হয়ে রহম আলীর বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন তৎকালীন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এসআই মহসিন আলী। ২০১৬ সালের ৪ মার্চ তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১৩ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চুয়াডাঙ্গায় স্ত্রীকে‌ গলা কেটে হত্যা মামলায় স্বামী তালেবকে আমৃত্যু কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গায় স্ত্রীকে‌ গলা কেটে হত্যা মামলায় স্বামী তালেবকে আমৃত্যু কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:২৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার গোপিনাথপুরে স্ত্রীকে দা দিয়ে গলা কেটে হত্যার দায়ে স্বামীকে আদালত আমৃত্যু কারাদণ্ডসহ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।এছাড়া অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গার বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক শিমুল কুমার বিশ্বাস চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত আবু তালেবের ছেলে দণ্ডপ্রাপ্ত রহম আলী(৬০) বিরুদ্ধে এ রায় ঘোষনা করেন।এ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মারুফ সারোয়ার বাবু।
উল্লেখ ২৫ বছর আগে রহম আলীর সঙ্গে আলেয়া বেগমের (৪০) বিয়ে হয়। তাদের চার সন্তান। আলেয়াকে বিয়ের আগে রহম আলীর আরও দুটি বিয়ে করেছিলেন। তিনি মাদকাসক্ত এবং বিভিন্ন সময় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে মারধর করতেন।
২০১৫ সালের ১৪ নভেম্বর রাতে খাবার খেয়ে দুই মেয়েকে নিয়ে আলেয়া বেগম ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন ভোর সাড়ে ৪টার দিকে দরজা খোলার শব্দে মেয়ে লিপছিয়ার ঘুম ভাঙে। সে দেখতে পায়, তার বাবা রহম আলীর হাতে রক্তমাখা একটি গাছি দা। রহম আলী দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে যান। পরে চৌকির নিচে তাকিয়ে লিপছিয়া মায়ের গলাকাটা রক্তাক্ত দেহ দেখতে পায়। তার চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা ছুটে এসে আলেয়ার মরদেহ দেখতে পান।
এ ঘটনায় আলেয়ার ছেলে চাঁন মিয়া বাদী হয়ে রহম আলীর বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন তৎকালীন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এসআই মহসিন আলী। ২০১৬ সালের ৪ মার্চ তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১৩ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।