সংবাদ শিরোনাম ::
বাস-মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, ববি শিক্ষার্থীসহ আহত ৫ ঝালকাঠি জেলায় কোনো বৈধ বালু মহল নেই। এরপরও যারা অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত, তারা যে-ই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে জেলা প্রশাসক মোরেলগঞ্জে ৯ হাজার ৭৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ জীবননগর সীমান্তে ৩ নারী-পুরষের পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি চুয়াডাঙ্গায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত দামুড়হুদায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর অনশন,গাজীপুরে একই গার্মেন্টসে চাকুরীকালে বিয়ে ঝালকাঠি জেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির শপথগ্রহণ সম্পন্ন বাবুগঞ্জে নিখোঁজের এক মাসেও সন্ধান মেলেনি গৃহবধূ আসমার। খুলনায় ৩ হাজার ৯৫৮ ইয়াবাসহ মোরেলগঞ্জের দম্পতিসহ গ্রেপ্তার ৪ রাজাপুরে ২২ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক

চুয়াডাঙ্গায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

মাহমুদ হাসান রনি,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চুয়াডাঙ্গায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও অন্যান্য সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি মাদক, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
রবিবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভার সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল এমপি।
সভায় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ প্রবণতা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সীমান্ত পরিস্থিতি, জননিরাপত্তা, সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, একটি জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় থাকা জরুরি। বিশেষ করে মাদক ও কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতা কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সভায় সীমান্তবর্তী চুয়াডাঙ্গা জেলার বিশেষ ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার এবং চোরাচালানসহ সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধ প্রতিরোধে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়।সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার বলেন, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। জনসাধারণের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে দায়িত্বশীলতা ও পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে।প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল এমপি বলেন, চুয়াডাঙ্গার মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। অপরাধ, মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে প্রশাসনের সম্পৃক্ততা আরও বাড়াতে হবে। সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও সুন্দর চুয়াডাঙ্গা গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চুয়াডাঙ্গায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ১২:৩৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা ও অন্যান্য সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি মাদক, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
রবিবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভার সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল এমপি।
সভায় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ প্রবণতা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সীমান্ত পরিস্থিতি, জননিরাপত্তা, সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, একটি জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় থাকা জরুরি। বিশেষ করে মাদক ও কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতা কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সভায় সীমান্তবর্তী চুয়াডাঙ্গা জেলার বিশেষ ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার এবং চোরাচালানসহ সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধ প্রতিরোধে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়।সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার বলেন, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। জনসাধারণের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে দায়িত্বশীলতা ও পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে।প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল এমপি বলেন, চুয়াডাঙ্গার মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। অপরাধ, মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে প্রশাসনের সম্পৃক্ততা আরও বাড়াতে হবে। সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও সুন্দর চুয়াডাঙ্গা গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।