বাবুগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা, তিনজন গ্রেপ্তার
বাবুগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা, তিনজন গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ০৬:৩৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

জাল দলিল ব্যবহার করে নামজারি (মিউটেশন) করার চেষ্টার অভিযোগে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতিসহ চারজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এরমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারভূক্ত আসামিরা হলেন-মো. নাঈম (৩৫), নূর ইসলাম মোল্লা (৫৭), আব্দুর রহিম (৫৫) ও তোফাজ্জেল হোসেন টিয়া (৬০)। তারা সবাই বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের হাদীবাঁশকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। মামলার প্রথম তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে আব্দুর রহিম মাধবপাশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি।
এজাহারে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে অভিযুক্তরা বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্নার কার্যালয়ে একটি দলিলের ভিত্তিতে নামজারির আবেদন করতে যায়। দলিলটি পর্যালোচনার সময় সহকারী কমিশনারের সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিকভাবে কাগজপত্র যাচাই করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে দলিলটি জাল বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হলে বিষয়টি বাবুগঞ্জ থানাকে অবহিত করা হয়। পরে মাধবপাশা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বাদী হয়ে বাবুগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা (মামলা নং-৬) দায়ের করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুর রহিম দীর্ঘদিন থেকে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বিভিন্ন ধরনের দালালি ও তদবির করে আসছিলেন। এছাড়া নামজারি করে দেওয়ার কথা বলে এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, নামজারি, ভুয়া দলিল কিংবা ভূমি-সংক্রান্ত বিষয়ে কেউ যদি দালালি বা প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শুক্রবার দুপুরে বাবুগঞ্জ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, জাল দলিল ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে নামজারির চেষ্টার অভিযোগে চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।





















