কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, বাধ্যতামূলক অবসরে এএসপি
কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, বাধ্যতামূলক অবসরে এএসপি
- আপডেট সময় : ০৬:০৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় থেকে ঘনিষ্ঠতা এবং পরবর্তী সময়ে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল এএসপি কাজী মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ বিভাগীয় তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন ও বিভাগীয় মামলার নথির বরাত দিয়ে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, কাজী মিজানুর রহমান ২০২০ সালের ১৪ জুলাই থেকে ২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও ট্রাফিক জোনে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বিভাগীয় মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এক কনস্টেবলের স্ত্রীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। পরবর্তী সময়ে ওই নারীর সঙ্গে তিনি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার আদালতের পর্যবেক্ষণেও তাদের স্বেচ্ছায় শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি উঠে আসে বলে বিভাগীয় মামলার নথির সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিভাগীয় তদন্তে বলা হয়, একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে এ ধরনের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। এ ঘটনায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়।
তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সুপারিশ করা হয়। এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ নেওয়া হয়। পরে গত ২৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পাওয়ার পর ৩১ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের আদেশ জারি করা হয়।
কাজী মিজানুর রহমান সর্বশেষ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দিনাজপুর জেলায় কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি ডিএমপির তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
উল্লেখ্য, তাকে সরাসরি চাকরিচ্যুত করা হয়নি; বরং বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।’












