বিরামপুরে দুর্গাপূজায় কঠোর নিরাপত্তায় প্রতিটি মন্দিরে ওসি আব্দুর রাজ্জাকের কড়া নজরদারি
বিরামপুরে দুর্গাপূজায় কঠোর নিরাপত্তায় প্রতিটি মন্দিরে ওসি আব্দুর রাজ্জাকের কড়া নজরদারি
- আপডেট সময় : ১২:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে

: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও মন্দিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উৎসবকে ঘিরে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো,পূজার পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখা এবং ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে বিরামপুর থানা পুলিশ। এ নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বিক তদারকি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রে বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আবদুর রাজ্জাকের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও নির্দেশনা বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা,দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াত এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশি তৎপরতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসবই নয়,এটি সম্প্রীতি,সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য মিলনমেলা। প্রতিবছর এ উৎসবকে ঘিরে বিভিন্ন বয়সী মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যায়। তাই উৎসবের আনন্দ যেন কোনো ভাবেই নিরাপত্তার ঘাটতি কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে বিঘ্নিত না হয়,সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওসি মোঃ আবদুর রাজ্জাককে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা তৎপরতায় বিশেষ গুরুত্ববিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবদুর রাজ্জাকের নির্দেশনায় পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ,ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিতকরণ এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পূজার সময় যাতে ভক্ত দর্শনার্থীরা নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন,সে লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্কতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পূজামণ্ডপে আগত নারী,শিশু,বয়স্ক ব্যক্তি ও সাধারণ দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা, যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং জনসমাগমের সময় শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়গুলোতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ,মন্দির পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সমন্বয় বজায় থাকলে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও কার্যকর করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। যেকোনো সন্দেহ জনক পরিস্থিতি কিংবা অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করার বিষয়েও জনসচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় পুলিশের সতর্ক অবস্থান বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে সব ধর্মের মানুষের নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে পালনের অধিকার রয়েছে। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সেই সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। বিরামপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা উৎসবের পরিবেশকে আরও শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর করে তুলতে পারে। কোনো ধরনের গুজব,উসকানি কিংবা বিভ্রান্তিকর তথ্য যেন পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে,সে বিষয়েও সবাইকে সচেতন থাকার প্রয়োজন রয়েছে। নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পূজাই সবার প্রত্যাশা দুর্গাপূজাকে ঘিরে বিরামপুরের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রত্যাশা প্রতিটি পূজামণ্ডপে থাকবে নিরাপদ পরিবেশ,ভক্তদের মধ্যে থাকবে আনন্দ উচ্ছ্বাস এবং সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে বজায় থাকবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি।বিরামপুর থানার ওসি মোঃ আবদুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে পুলিশের দায়িত্বশীল তৎপরতা এবং স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপিত হবে এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের। উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক,দূর হোক সব ধরনের ভয় ও শঙ্কা। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় সতর্কতা,পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে বিরামপুরে দুর্গাপূজা হয়ে উঠুক নিরাপদ,সুন্দর ও উৎসবমুখর এটাই সবার প্রত্যাশা।

























