বিরামপুরে ৫টি পূজামণ্ডপে আরিফ শাহর পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান
বিরামপুরে ৫টি পূজামণ্ডপে আরিফ শাহর পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান
- আপডেট সময় : ০৬:০২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুর বিরামপুরে পাঁচটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন মোঃ আরিফ শাহ (সাগর)। সোমবার (১৯ অক্টোবর ২০২৬) উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে গিয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও আয়োজকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। এ সময় পূজার আয়োজনের সহযোগিতায় আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।আরিফ শাহ (সাগর) বিরামপুর উপজেলার ৭নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের টাটকপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম মোঃ হায়দার আলী শাহ।পাঁচ পূজামণ্ডপে গিয়ে আয়োজকদের সঙ্গে মতবিনিময়প্রাপ্ত তথ্যমতে, ১৯ অক্টোবর মোটরসাইকেলের একটি বড় বহর নিয়ে পাঁচটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে বের হন আরিফ শাহ (সাগর)। তাঁর সঙ্গে মোটরসাইকেলের বহরে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরাও বিভিন্ন মন্দিরে উপস্থিত হন।পূজামণ্ডপগুলোতে গিয়ে তিনি আয়োজকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং পূজার প্রস্তুতি ও সার্বিক আয়োজন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি উৎসবের আয়োজন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন।ধর্মীয় উৎসবে সহযোগিতার হাতদুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময়, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়।আরিফ শাহ (সাগর)-এর পাঁচটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান প্রদানের উদ্যোগকে উৎসবের আয়োজকদের পাশে দাঁড়ানোর একটি সামাজিক প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ধর্মীয় উৎসবে এ ধরনের সহযোগিতা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।আলোচনায় মোটরসাইকেলের বিশাল বহরএকসঙ্গে মোটরসাইকেলের বিশাল বহর নিয়ে পাঁচটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন তাঁর কর্মসূচির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল। বিভিন্ন মণ্ডপে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের মাধ্যমে তিনি পূজার আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করেন।সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখার প্রত্যাশাবাংলাদেশের সামাজিক ঐতিহ্যে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহাবস্থান ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ধর্মীয় উৎসবে একে অপরের পাশে দাঁড়ানো এবং আনন্দ ভাগাভাগি করার মধ্য দিয়ে সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।বিরামপুরে আরিফ শাহ (সাগর)-এর এই উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতেও ধর্মীয় সম্প্রীতি, সামাজিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
























